বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সই প্রস্তাব অনুমোদিত

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৬:১৩ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ ও জাপানের পতাকা/ফাইল ছবি

বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (বিজেইপিএ) সইয়ের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সভাটি হয়।

বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

তিনি জানান, এটি এক যুগান্তকারী ঐতিহাসিক চুক্তি। জাপানের সঙ্গে যেভাবে আলোচনা করে এই চুক্তিটি করা হচ্ছে, সেই অভিজ্ঞতার আলোকে এখন অন্য অনেক দেশের সঙ্গেও ভালোভাবে বাণিজ্য আলোচনা করা যাবে। তাদের কাছ থেকে শুল্কমুক্ত পণ্য রপ্তানির সুবিধা পাওয়ার আশা আরও বাড়বে।

প্রেস সচিব বলেন, ‘আমরা রপ্তানি ও বাজার বৈচিত্র্যময় করতে চাচ্ছি।’ 

বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য উপদেষ্টা ও বাণিজ্য সচিবের নেতৃত্বে আটটি বৈঠক হয়েছে। গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর যৌথভাবে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোতেগি তোশিমিতসু এ চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ঘোষণা করেন। স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই প্রথম বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির সঙ্গে চুক্তি করছে।’

শফিকুল আলম বলেন, এর ফলে বাংলাদেশের সাত হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে। অন্যদিকে, জাপানের এক হাজার ৩৯টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে একই সুবিধা পাবে। এছাড়া, বাংলাদেশের জন্য জাপান আরও ১২০টি সেবা খাত উন্মুক্ত করবে।

যদিও এক হাজার ২৯টি পণ্যের ওপর বর্তমানে মোস্ট ফেভারড নেশন হিসেবে ট্যারিফের হার ০ শতাংশ ও ১ শতাংশ রয়েছে।

এমইউ/একিউএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।