বেসরকারি খাতে কর্মঘণ্টা মালিক-শ্রমিকদের ওপর ছেড়ে দিলো সরকার
বেসরকারি খাতের শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে কর্মঘণ্টা নির্ধারণের ক্ষেত্রে মালিকপক্ষ ও শ্রমিকপক্ষকে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
রোববার (৫ এপ্রিল) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটিতে সই করেন উপসচিব নিলুফার ইয়াসমিন।
এতে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৪ এপ্রিলের প্রজ্ঞাপনের ধারাবাহিকতায় এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেসরকারি খাতের কর্মঘণ্টা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন, কাজের ধরন ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে আলোচনা করে কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করতে হবে।
শ্রম আইন অনুযায়ী, সাধারণভাবে একজন প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিকের দৈনিক কর্মঘণ্টা ৮ ঘণ্টা এবং সাপ্তাহিক কর্মঘণ্টা সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা নির্ধারিত রয়েছে। বিশেষ প্রয়োজনে অতিরিক্ত সময় কাজ করানো যেতে পারে, তবে সে ক্ষেত্রে ওভারটাইম ভাতা প্রযোজ্য হবে। পাশাপাশি, শ্রমিকদের সাপ্তাহিক ছুটি, বিরতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও আইনে গুরুত্বসহকারে উল্লেখ রয়েছে।
শ্রম আইন অনুসরণ করে কর্মপরিবেশ ও শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
এমএএস/বিএ