বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগ বাড়াতে জোর দিচ্ছে বিডা
বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। এরই মধ্যে অনেক তুর্কি বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে এসে বিনিয়োগ সম্ভাবনা যাচাই করছেন এবং স্থানীয় বাজার সম্পর্কে ধারণা নিচ্ছেন।
রোববার (১০ মে) বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকালে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহের বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরেন।
বৈঠকে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং বাংলাদেশে তুর্কি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ কীভাবে বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি চলমান বিনিয়োগ আগ্রহকে আরও কার্যকর সম্পৃক্ততার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।
রাষ্ট্রদূত রামিস সেন বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি খাতের পারস্পরিক সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আরও পড়ুন
পয়ঃবর্জ্য নেই, ঝিলের পানি শোধন করেই চলছে দাশেরকান্দি এসটিপি
দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু নির্মাণে এগোচ্ছে সরকার, প্রথম বাজেটেই বরাদ্দ
তিনি তুরস্কের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল গাজিয়ানতেপ, দেনিজলি এবং কোকায়েলি-ইজমিতের কথা উল্লেখ করে বলেন, টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতার সুযোগ বুঝতে এসব অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
বৈঠকে বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগের বিদ্যমান আইনি কাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে তুরস্কের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী কোচ গ্রুপের আইগ্যাস এবং আর্চেলিকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের সফল বিনিয়োগের উদাহরণ তুলে ধরা হয়। এছাড়া বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্ভাবনা যাচাই করছে এমন আরও কয়েকটি বড় তুর্কি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও বিডা কাজ করছে বলে জানানো হয়।
বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বাণিজ্য ও সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ— উভয় ক্ষেত্রেই তুরস্ক বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্ভাবনা ও পারস্পরিক মিল বিবেচনায় বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের পরিমাণ আরও বাড়ার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করে লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবসায়িক আউটরিচ কার্যক্রম পরিচালনায় বিডার তুরস্ক ডেস্ক, বাংলাদেশে তুরস্ক দূতাবাস এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা সমন্বিতভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।
এসএম/কেএসআর