শেয়ার কেলেঙ্কারি : সিকিউরিটিজ কনসালটেন্টসের বিচার কাজ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:০৫ পিএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
শেয়ার কেলেঙ্কারি : সিকিউরিটিজ কনসালটেন্টসের বিচার কাজ শুরু

শেয়ার কেলেঙ্কারির ঘটনায় দায়ের করা সিকিউরিটিজ কনসালটেন্টসের মামলার বিচার কাজ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার আসামিদের জামিনের মাধ্যমে শেয়ার বাজার বিষয়ক বিশেষ ট্রাইবুন্যালে মামলার বিচার কাজ শুরু হয়।

মামলার আসামিরা হলেন, সিকিউরিটিজ কনসালটেন্টস এবং প্রতিষ্ঠানটির তৎকালীন পরিচালক আজম চৌধুরী, মো. শহীদুল্লাহ ও অধ্যাপক মাহবুব আহমেদ।

এদিন মামলার আসামি আজম চৌধুরী ও মো. শহীদুল্লাহের পক্ষে তাদের আইনজীবী ব্যারিস্টার ইফতেখার জুনায়েদ, ব্যারিস্টার সাইমুন সাদি ও অ্যাডভোকেট নোমান মাহমুদ মিয়া জামিন আবেদন করলে ট্রাইবুন্যাল তা মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর অপর আসামি প্রফেসর মাহবুব আহমেদ জামিন নেন। ফলে আসামিরা সবাই স্থায়ী জামিন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট নোমান মাহমুদ মিয়া বলেন, মামলার বিচারকার্য শেষ করার জন্য আসামিরা স্ব উদ্যোগে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছেন।

ট্রাইবুন্যাল সূত্র জানায়, ১৯৯৬ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারির ঘটনায় সিকিউরিটিজ কনসালটেন্টস, পরিচালক আজম চৌধুরী, মো. শহীদুল্লাহ ও অধ্যাপক মাহবুব আহমেদের বিরুদ্ধে ১৯৯৭ সালে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। মামলাটি ১৯৯৯ সালে মহানগর দায়রা জজ কোর্টে স্থানান্তরিত হয়। যা সর্বশেষ ২০১৬ সালের ২৭ জানুয়ারি শেয়ার বাজার বিষয়ক ট্রাইবুন্যালে স্থানান্তরিত হয়েছে। তবে মামলাটি শুরু থেকেই উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত ছিল। এখন আসামিদের জামিনের মাধ্যমে আবার বিচারকাজ শুরু হলো।

মামলার চার্জশিট সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা ১৯৯৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সিকিউরিটিজ কনসালটেন্টসের পক্ষে শেয়ার বাজারকে অবৈধভাবে প্রভাবিত করে। এ ক্ষেত্রে বিধিবর্হিভূত ও প্রতারণামূলক বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করে তারা।

আসামিরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ডিভিপির মাধ্যমে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার লেনদেন দেখায়। যা ছিল অনিষ্পন্ন। যার কোনো রেকর্ড ডিএসইতে নেই। মূলত তারা লেনদেন না করেও করেছে বলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করে। এর মাধ্যমে আসামিরা বাজারকে প্রভাবিত করে। যা ১৯৬৯ সালের সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশের সেকশন ১৭(ই) (২) (৫) অনুযায়ী বেআইনী। একই সঙ্গে এ অধ্যাদেশের ২৪ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য।

এমএএস/ এএইচ/আইআই