‘পাকিস্তানে চ্যান্সারি ভবন নির্মাণে এত সময় লাগা ঠিক হয়নি’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:১৮ পিএম, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্স নির্মাণে তৃতীয় সংশোধনী আনা হয়েছে। এই সংশোধনীতে এটি বাস্তবায়নের জন্য দুই বছর মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০০৭ সালের জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মেয়াদ মোট পাঁচ বার বাড়ানো হলো। অর্থাৎ এই কমপ্লেক্স নির্মাণে ১৫ বছর সময় লাগতে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন অনুমোদন দেয়া হয়। এই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, চ্যান্সারি কমপ্লেক্স নির্মাণে এত সময় লাগা ঠিক হয়নি।

সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আমরা বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্স নির্মাণ করছি। এটা করতে বেশ সময় লাগছে। আমাদের সরকার প্রধানও (শেখ হাসিনা) বলছেন, এত সময় লাগা ঠিক হয়নি।’

‘আমাদের এখানে ও ওখানে– দুই জায়গাই সময় লাগছে বেশি। এই সময় কমানোর জন্য স্ট্রং ইনস্ট্রাকশন আছে প্রধানমন্ত্রীর’, যোগ করেন এম এ মান্নান।

প্রকল্পটির নাম ‘পাকিস্তানের ইসলামবাদে বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্স নির্মাণ (তৃতীয় সংশোধন)’। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যে হলো পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা ও তা শক্তিশালী করা; এই দুটির রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন করা; বর্তমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে মিশনে প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো সুবিধা সৃষ্টি এবং পাকিস্তান সরকারের বাংলাদেশ সরকারকে দূতাবাসের জন্য দেয়ার জমির সদ্ব্যবহার করা।

সময় বেশি লাগায় খরচও বেড়ে গেছে বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

প্রকল্প থেকে জানা যায়, মূল প্রকল্পে ২৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। তৃতীয় সংশোধনীতে তা করা হয়েছে ৭৯ কোটি ৮৬ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। প্রকল্পটি বাংলাদেশ হাইকমিশন, ইসলামাবাদ বাস্তবায়ন করছে।

পিডি/জেএইচ/জেআইএম