সরকারি কর্মকর্তাদের ৬৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণকাজ নিয়ে অসন্তোষ আইএমইডির

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪১ পিএম, ১৫ জানুয়ারি ২০২১

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের সিজিএস কলোনিতে জরাজীর্ণ ১১টি ভবনের জায়গায় ৯টি বহুতল আবাসিক ভবনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৬৮৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের কার্যাদেশ প্রায় ২ বছর আগে দেয়া হলেও ভৌত অগ্রগতি ২৬ শতাংশ। যা মোটেই সন্তোষজনক নয় বলে উল্লেখ করেছে সরকারের প্রকল্প তদারককারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)।

সম্প্রতি প্রকল্প এলাকা ঘুরে এসে আইএমইডি এক প্রতিবেদনে এই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৪৮২ কোটি ৯৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকা খরচে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে গণপূর্ত অধিদফতর। ইতোমধ্যে সময় বৃদ্ধির পরও ফের সময় বাড়তে যাচ্ছে প্রকল্পটির।

এ বিষয়ে আইএমইডির প্রতিবেদন বলছে, প্রকল্পের ভৌত কাজ সম্পাদনের জন্য ইতোমধ্যে মেয়াদ বৃদ্ধি করে ২০২০ সালের জুনের পরিবর্তে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে বাস্তবিক পক্ষে প্রকল্পের ভৌত কাজ সম্পূর্ণভাবে সমাপ্ত করা সম্ভব হবে না। সেজন্য প্রকল্পটির মেয়াদ বৃদ্ধিসহ আরও ২ বছর বৃদ্ধির জন্য প্রকল্প কর্তৃপক্ষ প্রস্তাব করবে।

গণপূর্ত সূত্র জানায়, এ প্রকল্পের আওতায় ৬৫০ বর্গফুট, ৪ ইউনিট বিশিষ্ট দুটি ২০তলা ভবনে ১৫২টি ফ্ল্যাট; ৮৫০ বর্গফুট, ৪ ইউনিট বিশিষ্ট ৪টি ২০তলা ভবনে ৩০৪টি ফ্ল্যাট এবং এক হাজার বর্গফুট, ৪ ইউনিট বিশিষ্ট ২০তলা ভবনে ২২৮টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে।

পরিদর্শনে আইএমইডি দেখে, ৯টি ভবনের নির্মাণ কাজ মোট ৩টি প্যাকেজের আওতায় চলমান রয়েছে। যার মধ্যে ডব্লিউ-২ প্যাকেজের আওতায় ১, ২ ও ৩ নম্বর ভবনের ভৌত অগ্রগতি ২৩ শতাংশ। ডব্লিউ-৩ প্যাকেজের আওতায় ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ভবনের ভৌত অগ্রগতি প্রায় ৩৪ শতাংশ। আর ডব্লিউ-৪ প্যাকেজের আওতায় ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ভবনের ভৌত অগ্রগতি প্রায় ৩০ শতাংশ। প্রকল্পের ভৌত কাজের অগ্রগতি মোট ২৬ শতাংশ।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আইএমইডিকে জানিয়েছে, কার্যাদেশ দেয়ার পরে পুরতন ভবন অপসারণে ৬ মাস দেরি হওয়ায় এবং এডিপিতে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বরাদ্দ না পাওয়ায় প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি আশানুরূপ সাধিত হয়নি।

পিডি/এমআরএম/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]