বেক্সিমকোর তিন হাজার কোটি টাকার সুকুক অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:০৪ পিএম, ২৩ জুন ২০২১ | আপডেট: ০৭:০৮ পিএম, ২৩ জুন ২০২১

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো লিমিটেডের তিন হাজার কোটি টাকার পাঁচ বছর মেয়াদি সিকিউরড কনভার্টেবল অথবা রিডেম্বল অ্যাসেট ব্যাকড গ্রিন সুকুক অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বাংলাদেশে এই প্রথমবার কমিশন থেকে গ্রিন সুকুকের সম্মতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।

বুধবার (২৩ জুন) অনুষ্ঠিত ৭৭৯তম কমিশন সভায় শর্তসাপেক্ষে এ অনুমোদন দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

তিনি জানান, বেক্সিমকো লিমিটেডকে লেটার অব ইনটেন্ট পাওয়ার পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে সুকুকের প্রস্তাবিত ট্রাস্টির নিবন্ধন সনদ এবং কমিশনের অনুমোদিত ট্রাস্ট ডিডসহ চূড়ান্ত সাবস্ক্রিপশন এগ্রিমেন্ট জমা সাপেক্ষে সম্মতিপত্র ইস্যু করা হবে।

প্রস্তাবিত গ্রিন সুকুকটি ২২ দশমিক ৫০ বিলিয়ন প্রাইভেট প্লেসমেন্টের (৭ দশমিক ৫০ বিলিয়ন বিদ্যমান শেয়ার হোল্ডারদের কাছ থেকে এবং ১৫ বিলিয়ন বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডার ব্যতীত অন্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে) মাধ্যমে এবং ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়ন প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।

সুকুক ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে বেক্সিমকো লিমিটেডের টেক্সটাইল ইউনিটের কার্যক্রম বাড়ানো হবে এবং বেক্সিমকোর দুটি সরকার অনুমোদিত সাবসিডিয়ারি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের (তিস্তা সোলার লিমিটেড এবং করতোয়া সোলার লিমিটেড) বাস্তবায়নের পাশাপাশি পরিবেশ উন্নয়ন এবং সংরক্ষণ নিশ্চিত করবে।

এই সুকুকের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা। সুকুকটির ন্যূনতম সাবস্ক্রিপশন ৫ হাজার টাকা। ন্যূনতম লট ৫০টি। সুকুকটির সর্বনিম্ন পিরিয়ডিক ডিস্ট্রিবিউশন রেট ৯ শতাংশ।

সুকুকটির ট্রাস্টি হিসেবে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ এবং ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে যথাক্রমে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস ও অগ্রণী ইক্যুইটি অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাজ করছে।

এমএএস/এসএস/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]