জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে আইটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলা হবে


প্রকাশিত: ১২:২৮ পিএম, ১৩ জুন ২০১৫

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের ১৭তম বার্ষিক অধিবেশন শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাসের সিনেট হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিনেট চেয়ারম্যান ও ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিনেট সভায় মোট ৫০ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

ভাইস-চ্যান্সেলর তার বক্তব্যে এ পর্যন্ত কার্যকর হওয়া ২৮টি, বাস্তবায়নাধীন ৯টি এবং ভবিষ্যত কর্ম-পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১০টি পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ২০১৭ সালের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্পূর্ণ আইটিভিত্তিক এবং ২০১৮ এর মধ্যভাগ থেকে সম্পূর্ণ সেশনজটমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরো বলেন, ২০১৬ সালের শেষের দিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম কনভোকেশন অনুষ্ঠান, র্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করে পুরস্কৃত করা, এসএসসি ও এইচএসসি’র ফলাফলের ভিত্তিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি, সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষে আর নয় বরং ভর্তি কার্যক্রম এগিয়ে আনা, ১লা ডিসেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হবে।

ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, সেশনজট নিরসনে গৃহীত পদক্ষেপের পর এখন আমাদের মূল লক্ষ্য হবে দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ অর্থাৎ শিক্ষার মানোন্নয়নে কর্মপ্রচেষ্টা নিয়োজিত করা।

অধিবেশনে বার্ষিক রিপোর্ট এবং ১৮১ কোটি ৪৫ লাখ নব্বই হাজার টাকার রাজস্ব ও ১৬৭ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার উন্নয়ন বাজেট পাশ হয়। পরে ভাইস-চ্যান্সেলরের বক্তব্যের উপর দীর্ঘ আলোচনা হয়।

অন্যদের মধ্যে অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ এমপি, মো. আব্দুল কুদ্দুস এমপি, প্রফেসর ড. শরীফ এনামুল কবির, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, ইউআইটিএস উপাচার্য অধ্যাপক ড. আল মাসুদ হাসানউজ্জামান, অধ্যাপক ড. মুনতাসীর উদ্দিন খান মামুন, অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সিরাজ উদ্দীন আহমেদ, বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভর্নর ড. মো. আবুল ফতেহসহ অনেকেই আলোচনায় অংশ নেন।

সিনেট অধিবেশনে মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধী তথা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর দোসর ড. এম. এ বারীর নামে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ভবন রয়েছে, এ নাম অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করে তার পরিবর্তে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কোনো বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ বা বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করার প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

আমিনুল ইসলাম/এমএএস/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।