বইমেলা শুরু আজ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ঢাবি
প্রকাশিত: ০৮:৪১ এএম, ১৮ মার্চ ২০২১

আজ (বৃহস্পতিবার) শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা-২০২১। বিকেল ৩টায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের পরই মেলা উন্মুক্ত হবে সবার জন্য। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে বইমেলা শুরু হলেও মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর বইমেলা হচ্ছে মার্চের ১৮ তারিখ থেকে, চলবে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত।

গতবছর বইমেলা শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হয় মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ। সংক্রমণ কমে আসলেও টানা কয়েকদিন ধরে এই সংক্রমণ বাড়ছে। সব শঙ্কা ছাপিয়ে এবার গতবারের চেয়ে দেড় মাস পিছিয়ে আজ শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা-২০২১। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবার শিক্ষার্থীদের মনে পাঠের খোরাক জোগাবে বইমেলা। তাই মেলা শুরু হওয়ার আগেই দর্শনার্থীর বেশে মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে যাচ্ছেন পাঠকরা। পাঠকের পদচারণায় আনন্দের দোলা দিচ্ছে প্রকাশকের মনে।

বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, রাত ১০টার মধ্যে বইমেলার যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ ছিল বাংলা একাডেমির। শেষ মুহূর্তে ভীষণ ব্যস্ত সময় পার করেন স্টল মালিকরা। স্টল সাজানো কর্মীরা বলেন, ‘আজ মনে হচ্ছে কাল ঈদ আর আজ চাঁদ রাত। কালকের দিনে ভালোভাবে নিজেকে ফুটিয়ে তুলতে এখন আমাদের অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হচ্ছে। কারণ আজ রাতের মধেই সব কাজ সম্পন্ন করতে হবে।’

সাঁকোবাড়ী প্রকাশনের প্রকাশক খাইরুল বাশার বলেন, ‘এবারের বইমেলা নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করছে। মেলা শুরু হওয়ার আগেই মানুষ ভিড় জমাচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাই আসলে মেলার পরিবেশ ভালো থাকবে। সবাই সুস্থ থাকবে।’

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড. হাবিবুল্লাহ সিরাজী বলেন, ‘এবার অকালে বইমেলা হচ্ছে। আমরা ফেব্রুয়ারি মাসে না শীত, না গ্রীষ্ম এ রকম পরিস্থিতিতে বইমেলা করতাম। এবার মার্চ থেকে এপ্রিলে বইমেলা। ঝড়-বৃষ্টির দাপট, পাশাপাশি করোনাভাইরাস মহামারি, এর ভেতর দিয়ে আমাদের সন্তানরা, বয়োবৃদ্ধ বাবারা এবং আমরা তরুণরা যারা বইমেলায় অংশগ্রহণ করব, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধৈর্যের সঙ্গে বইমলোয় আসব, এটাই আমাদের কাম্য।’

পাঠকদের সঙ্গে কথা বলার পর তারা বলেন, এক বছরের অধিক সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। আমরা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারছি না। বইমেলা এখন আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিকল্প সহায়ক। আমরা গতবারের মতো এবারও আনন্দ-উৎসাহ নিয়ে বইমেলায় আসতে পারব। আমাদের বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হবে। একাকীত্ব অনেকটা কাটবে। সবমিলিয়ে এবারের বইমেলা আমাদের জন্য পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের মতো আমাদের এক করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

বিকেল ৩টায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. বদরুল আরেফীন। স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান।

উদ্বোধনে প্রধান আকর্ষণ বঙ্গবন্ধুর বই

এবারের অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ বাংলা একাডেমি প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর লেখা বই ‘আমার দেখা নয়া চীন’-এর ইংরেজি অনুবাদ ‘নিউ চায়না ১৯৫২’ এর আনুষ্ঠানিক প্রকাশনা। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২০ প্রদান করা হবে।

বইমেলার স্টল বিন্যাস

এবারের বইমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় ১৫ লাখ বর্গফুট জায়গায়। একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৭টি প্রতিষ্ঠানকে ১৫৪টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৪৩৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৮০টি স্টল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ এবারের বইমেলায় মোট ৫৪০টি প্রতিষ্ঠানকে ৮৩৪টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মেলায় মোট ৩৩টি প্যাভিলিয়ন থাকবে।

এবার লিটল ম্যাগাজিন চত্বর স্থানান্তর করা হয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মূল মেলাপ্রাঙ্গণে। সেখানে ১৩৫টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দের পাশাপাশি ৫টি উন্মুক্ত স্টলসহ ১৪০টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের স্টলে একক ক্ষুদ্র প্রকাশনা সংস্থা ও ব্যক্তি উদ্যোগে যারা বই প্রকাশ করেছেন তাদের বই বিক্রি বা প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানা গেছে। বইমেলায় বাংলা একাডেমি ও মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করবে।

বাংলা একাডেমির তিনটি প্যাভিলিয়ন, শিশুকিশোর উপযোগী বইয়ের জন্য একটি এবং সাহিত্য মাসিক উত্তরাধিকারের জন্য একটি স্টল থাকবে। এবারও শিশুচত্বর মেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে থাকবে। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রথমদিকে ‘শিশুপ্রহর’ থাকবে না।

প্রচার সুবিধা

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা থাকবে। অমর একুশে বইমেলা-২০২১-এর প্রচার কার্যক্রমের জন্য একাডেমিতে বর্ধমান ভবনের পশ্চিম বেদিতে একটি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তিনটি তথ্যকেন্দ্র থাকবে। সাংবাদিকদের অবাধ তথ্য আদান-প্রদানের সুবিধার্থে বইমেলায় মিডিয়া সেন্টার থাকবে তথ্যকেন্দ্রের উত্তর পাশে।

বর্তমান সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ধারণার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই কর্তৃপক্ষ বইমেলায় তাদের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন, তথ্যকেন্দ্রের সর্বশেষ খবরাখবর এবং মেলার মূল মঞ্চের সেমিনার প্রচারের ব্যবস্থা করবে। মেলায় ওয়াইফাই সুবিধা থাকবে। মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার।

এছাড়াও মেলাপ্রাঙ্গণ থেকে বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মেলার তথ্যাদি প্রতিদিন সরাসরি সম্প্রচার করবে। এফএম রেডিওগুলোও মেলার তথ্য প্রচার করবে। গ্রন্থমেলার খবর নিয়ে প্রতিদিন বেশ কয়েকটি বুলেটিন প্রকাশিত হবে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম প্রতিদিন মেলার তথ্য প্রচার করবে।

প্রবেশপথ ও নিরাপত্তা

এবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পূর্বপ্রান্তে নতুন একটি প্রবেশপথ করা হয়েছে। প্রকাশকদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল রমনাপ্রান্তে একটি প্রবেশপথ ও পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা। এবার এটা করা সম্ভব হয়েছে। সব মিলিয়ে সোহরাওয়ার্দীতে তিনটি প্রবেশপথ ও তিনটি বাহিরপথ থাকবে। প্রত্যেক প্রবেশপথে সুরক্ষিত ছাউনি থাকবে, যাতে বৃষ্টি ও ঝড়ের মধ্যে মানুষ আশ্রয় নিতে পারেন। বিশেষ দিনগুলোতে লেখক, সাংবাদিক, প্রকাশক, বাংলা একাডেমির ফেলো ও রাষ্ট্রীয় সম্মাননাপ্রাপ্ত নাগরিকদের জন্য প্রবেশের বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে।

বইমেলার প্রবেশ ও বাহিরপথে পর্যাপ্ত সংখ্যক আর্চওয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেলার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাব, আনসার, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থাসমূহ। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার জন্য মেলায় এলাকাজুড়ে তিন শতাধিক ক্লোজসার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বইমেলা সম্পূর্ণ পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত থাকবে। মেলাপ্রাঙ্গণ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় (সমগ্র মেলাপ্রাঙ্গণ ও দোয়েল চত্বর থেকে টিএসসি হয়ে শাহবাগ, মৎস্য ভবন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট হয়ে শাহবাগ পর্যন্ত এবং দোয়েল চত্বর থেকে শহীদ মিনার হয়ে টিএসসি, দোয়েল চত্বর থেকে চানখারপুল, টিএসসি থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত) নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকবে। মেলার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নিয়মিত ধূলিনাশক পানি ছিটানো হবে এবং প্রতিদিন মশক নিধনের সার্বিক ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আলোচনা সভা ও পুরস্কার

১৯ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপন এবং গত এক বছরে প্রয়াত বিশিষ্টজনদের জীবন ও কৃতি নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া মাসব্যাপী প্রতিদিন সন্ধ্যায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিদিনই থাকবে কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ ও আবৃত্তি। অমর একুশে বইমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ২০২০ সালে প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্য থেকে গুণগতমান বিচারে সেরা বইয়ের জন্য প্রকাশককে ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’ এবং ২০২০ বইমেলায় প্রকাশিত বইয়ের মধ্য থেকে শৈল্পিক বিচারে সেরা বই প্রকাশের জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ দেয়া হবে।

এছাড়া ২০২০ সালে প্রকাশিত শিশুতোষ গ্রন্থের মধ্য থেকে গুণগতমান বিচারে সর্বাধিক গ্রন্থের জন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার’ এবং এ বছরের মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে স্টলের নান্দনিক সাজসজ্জায় শ্রেষ্ঠ বিবেচিত প্রতিষ্ঠানকে ‘কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ প্রদান করা হবে। এবারের বইমেলায় বাংলা একাডেমি প্রকাশ করছে নতুন ও পুনর্মুদ্রিত ১১৫টি বই।

মেলায় নতুন সংযোজন

এবার বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী।’ জাতির পিতার জীবন ও কর্ম অধ্যয়ন এবং স্বাধীনতার মর্মবাণী জাতীয় জীবনে যাতে প্রতিফলিত হয় তার ওপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে এবারের মেলায়। মেলার বিন্যাসেও মৌলিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তিনটি প্রবেশপথ থাকবে। তিনটি প্রবেশপথ বিবেচনায় রেখে স্টল ও প্যাভিলিয়নগুলো এমনভাবে বিন্যাস করা হয়েছে যাতে কোনো এলাকা প্রান্তিক বা অবহেলিত বলে প্রতীয়মান না হয়।

দীর্ঘদিনের দাবির বাস্তবায়ন হয়েছে রমনাপ্রান্তে একটি প্রবেশপথ ও পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে। ঝড়ের আশঙ্কা থাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। বৃষ্টি ও ঝড়ের আশঙ্কা বিবেচনায় রেখে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চারটি জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এবার বৃষ্টির পানি মেলাপ্রাঙ্গণ থেকে দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকবে।

এবার লেখক মঞ্চ ও গ্রন্থ উন্মোচনের স্থান বিশেষভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। নামাজঘর, টয়লেটের ব্যবস্থা সম্প্রসারিত ও উন্নত করা হয়েছে। নারীদের জন্য সম্প্রসারিত নামাজঘর থাকবে। পুলিশের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কাছে একটি ব্রেস্টফিডিং কর্নার থাকবে। প্রতিবছরের মতো এবারও হুইল চেয়ার সেবা থাকবে। তবে গতবারের চেয়ে বেশি সংখ্যায় স্বেচ্ছাসেবী এ কাজে নিয়োজিত থাকবেন। এবার হুইল চেয়ারের সংখ্যা বাড়বে বলে জানানো হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পূর্ব ও পশ্চিমপ্রান্তে দুটি ফুডকোর্ট থাকবে।

বইমেলার সময়সূচি

অমর একুশে বইমেলা ১৯ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ছুটির দিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা চলবে মেলা।

আল সাদী/বিএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২৪,৩৫,৪৭,৫০৩
আক্রান্ত

৪৯,৪৯,৬৯৭
মৃত

২২,০৬,৬১,৯৬৫
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৫,৬৬,৯০৭ ২৭,৮০১ ১৫,৩০,০৮৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪,৬১,৮৩,৬৯৩ ৭,৫৩,৮৭৫ ৩,৫৯,০০,৫২৫
ভারত ৩,৪১,৫৭,৬০৮ ৪,৫৩,৭২৩ ৩,৩৫,২২,০৪৩
ব্রাজিল ২,১৬,৯৭,৩৪১ ৬,০৪,৭৬৪ ২,০৮,৭৫,৯৯৯
যুক্তরাজ্য ৮৬,৮৯,৯৪৯ ১,৩৯,৩২৬ ৭০,৮৬,০৯৬
রাশিয়া ৮১,৬৮,৩০৫ ২,২৮,৪৫৩ ৭১,১৭,০৬০
তুরস্ক ৭৭,৭২,৬০৪ ৬৮,৪৭২ ৭২,০১,৬২০
ফ্রান্স ৭১,০৮,২০৬ ১,১৭,৪১১ ৬৯,০০,৯৯১
ইরান ৫৮,৪৪,৫৮৯ ১,২৪,৯২৮ ৫৩,৮৮,৪৯৬
১০ আর্জেন্টিনা ৫২,৭৭,৫২৫ ১,১৫,৭৯৬ ৫১,৪৩,০৭০
১১ স্পেন ৪৯,৯৫,১৭৬ ৮৭,১০২ ৪৮,৪৬,৪৫৬
১২ কলম্বিয়া ৪৯,৮৬,২৪৯ ১,২৬,৯৫৯ ৪৮,৩০,৭৪৬
১৩ ইতালি ৪৭,৩৩,৫৫৭ ১,৩১,৭৬৩ ৪৫,২৮,০৬৫
১৪ জার্মানি ৪৪,৫৫,৪০০ ৯৫,৭৯৪ ৪১,৯২,০০০
১৫ ইন্দোনেশিয়া ৪২,৩৮,৫৯৪ ১,৪৩,১৫৩ ৪০,৮০,৩৫১
১৬ মেক্সিকো ৩৭,৭২,৫৫৬ ২,৮৫,৬৬৯ ৩১,৩৩,২৬৭
১৭ পোল্যান্ড ২৯,৬১,৯২৩ ৭৬,৩৫৯ ২৬,৮১,৫৯১
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৯,১৮,৩৬৬ ৮৮,৮৩৫ ২৮,১০,৩১৬
১৯ ফিলিপাইন ২৭,৪৫,৮৮৯ ৪১,৫২০ ২৬,৩৭,৫৩১
২০ ইউক্রেন ২৭,২৫,৩৮৫ ৬৩,০০৩ ২৩,৬১,৩৬৫
২১ মালয়েশিয়া ২৪,২০,২২২ ২৮,৩১২ ২৩,১১,২১৩
২২ পেরু ২১,৯২,২০৫ ১,৯৯,৯৪৫ ১৭,২০,৬৬৫
২৩ নেদারল্যান্ডস ২০,৭০,৫৯৭ ১৮,২৯০ ১৯,৭১,৫২৫
২৪ ইরাক ২০,৪৩,৯৬৩ ২২,৯০১ ১৯,৮২,২৩২
২৫ থাইল্যান্ড ১৮,৩১,৩৮৯ ১৮,৬২৫ ১৭,১০,৪৪৭
২৬ চেক প্রজাতন্ত্র ১৭,২২,৪৪৬ ৩০,৫৯৩ ১৬,৬৫,০০০
২৭ জাপান ১৭,১৬,০৮৮ ১৮,১৭৩ ১৬,৯১,৬৮৮
২৮ কানাডা ১৬,৯৪,০৯৫ ২৮,৬৮৭ ১৬,৩৬,২৪৫
২৯ চিলি ১৬,৭৮,০২৩ ৩৭,৬৫১ ১৬,২৭,৪১১
৩০ রোমানিয়া ১৫,৩৪,৯৪২ ৪৩,৮৪৪ ১৩,০০,৩৬৮
৩১ ইসরায়েল ১৩,২১,৮৯৪ ৮,০৩৯ ১২,৯৯,৮৩৫
৩২ বেলজিয়াম ১৩,০৫,৬৭৮ ২৫,৮৩৫ ১১,৯৯,০৬৯
৩৩ পাকিস্তান ১২,৬৭,৩৯৩ ২৮,৩৪৪ ১২,১৪,৬৬৩
৩৪ সুইডেন ১১,৬৫,৯৯৬ ১৪,৯৫৬ ১১,৩৩,৬২১
৩৫ সার্বিয়া ১০,৮৫,৭২৮ ৯,৩৮৮ ৯,৫১,৬৭৫
৩৬ পর্তুগাল ১০,৮৩,৬৫১ ১৮,১২৫ ১০,৩৪,৭২১
৩৭ মরক্কো ৯,৪৩,৬৫২ ১৪,৬০০ ৯,২৩,৬০৯
৩৮ কিউবা ৯,৪৩,০৩৮ ৮,১৫৩ ৯,২৮,৭৯০
৩৯ কাজাখস্তান ৯,২৪,৮০২ ১১,৮৭৯ ৮,৬৭,৯৬১
৪০ ভিয়েতনাম ৮,৮১,৫২২ ২১,৫৪৩ ৮,০৩,৩২৬
৪১ সুইজারল্যান্ড ৮,৬২,৪০৮ ১১,১৯৩ ৮,১৯,০৮৭
৪২ জর্ডান ৮,৪৯,০০০ ১০,৯৩০ ৮,২০,৯০২
৪৩ হাঙ্গেরি ৮,৪৩,৮২৫ ৩০,৪৯২ ৭,৯৩,৮৪২
৪৪ নেপাল ৮,০৮,০৯৬ ১১,৩৩৭ ৭,৮৫,৮১৩
৪৫ অস্ট্রিয়া ৭,৯১,২২৬ ১১,২৩৩ ৭,৫১,৯৯৪
৪৬ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৭,৩৯,১০৬ ২,১২৮ ৭,৩৩,০০৮
৪৭ তিউনিশিয়া ৭,১১,৩৯৭ ২৫,১৩২ ৬,৮৪,৯৬৮
৪৮ গ্রীস ৭,১১,১২৮ ১৫,৫৫৫ ৬,৬১,২৮০
৪৯ জর্জিয়া ৬,৮৪,৩৩৭ ৯,৬৫৭ ৬,২৪,৬৮৮
৫০ লেবানন ৬,৩৬,১৪৭ ৮,৪৪১ ৬,১০,১৪২
৫১ গুয়াতেমালা ৫,৯১,৭৬৭ ১৪,৫৬৬ ৫,৬৭,৪৮৫
৫২ বেলারুশ ৫,৮২,১১১ ৪,৪৮২ ৫,৫৪,৪৪৯
৫৩ বুলগেরিয়া ৫,৫৯,৮৯৩ ২২,৮৩৯ ৪,৬৫,০৩২
৫৪ কোস্টারিকা ৫,৫৪,৬০৪ ৬,৮৯৫ ৪,৮০,৭২০
৫৫ সৌদি আরব ৫,৪৮,১৬২ ৮,৭৭৪ ৫,৩৭,২০৮
৫৬ শ্রীলংকা ৫,৩৪,৯৭৫ ১৩,৫৭৪ ৫,০২,৭৪০
৫৭ ইকুয়েডর ৫,১৪,০৮৭ ৩২,৯৩৭ ৪,৪৩,৮৮০
৫৮ আজারবাইজান ৫,১১,৯৭৪ ৬,৮৪৭ ৪,৮২,৫৭৮
৫৯ বলিভিয়া ৫,০৮,৭০২ ১৮,৮৯১ ৪,৭১,১৮৯
৬০ মায়ানমার ৪,৯২,৫০৯ ১৮,৪৯১ ৪,৪৫,৭৪৮
৬১ পানামা ৪,৭১,০৬০ ৭,৩০৩ ৪,৬১,৪৪১
৬২ প্যারাগুয়ে ৪,৬০,৬৪৬ ১৬,২২৯ ৪,৪৪,১২৮
৬৩ স্লোভাকিয়া ৪,৪৯,৭৭৫ ১২,৮৮৬ ৪,০৯,৭৩১
৬৪ ক্রোয়েশিয়া ৪,৩৯,৪৪৭ ৮,৯৮৫ ৪,১৫,১৬২
৬৫ আয়ারল্যান্ড ৪,২৩,২৬০ ৫,৩৬৯ ৩,৭২,৫৬৮
৬৬ ফিলিস্তিন ৪,২০,১৫৪ ৪,৩৪৩ ৪,০৪,৭৯৪
৬৭ কুয়েত ৪,১২,৪৪৯ ২,৪৫৯ ৪,০৯,৪৯০
৬৮ ভেনেজুয়েলা ৩,৯৬,৪৭৭ ৪,৭৬৩ ৩,৭৬,৮৭৭
৬৯ উরুগুয়ে ৩,৯১,৭০০ ৬,০৬৯ ৩,৮৩,৯৬৭
৭০ লিথুনিয়া ৩,৮২,৪৫৪ ৫,৫৭১ ৩,৩৯,৫৯৪
৭১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩,৭৪,৭২২ ৪,১০০ ৩,৬৪,২০৩
৭২ হন্ডুরাস ৩,৭৩,৮৩৮ ১০,১৮২ ১,১৫,০২২
৭৩ ডেনমার্ক ৩,৭৩,৮০৩ ২,৬৯৬ ৩,৬০,১১৯
৭৪ ইথিওপিয়া ৩,৬১,০২৭ ৬,৩১৬ ৩,৩১,২৬৭
৭৫ লিবিয়া ৩,৫২,৮৮১ ৪,৯৮২ ২,৮৬,৪৪০
৭৬ দক্ষিণ কোরিয়া ৩,৪৮,৯৬৯ ২,৭২৫ ৩,২০,৩১৭
৭৭ মঙ্গোলিয়া ৩,৪৬,৪৫৫ ১,৬২৬ ৩,১৩,২৫৬
৭৮ মলদোভা ৩,২৩,৪৬৯ ৭,৩৮৬ ৩,০২,১৪৭
৭৯ মিসর ৩,২১,৯৬৭ ১৮,১৫১ ২,৭১,৭৯২
৮০ স্লোভেনিয়া ৩,১৬,১৩৮ ৪,৬৬৯ ২,৯৫,৪২০
৮১ ওমান ৩,০৪,১১৬ ৪,১০৭ ২,৯৯,৪৯২
৮২ আর্মেনিয়া ২,৯১,০৫২ ৫,৯৪৪ ২,৫৮,৪৮৬
৮৩ বাহরাইন ২,৭৬,৩৯৫ ১,৩৯২ ২,৭৪,৩৫৪
৮৪ কেনিয়া ২,৫২,৩৭৫ ৫,২৩৮ ২,৪৫,৮৮২
৮৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪৭,৯৫৮ ১১,৩২২ ১,৯২,২১৮
৮৬ কাতার ২,৩৮,৩৫৯ ৬০৮ ২,৩৬,৭৭৬
৮৭ নাইজেরিয়া ২,০৯,৯৬০ ২,৮৫০ ১,৯৮,০২৬
৮৮ জাম্বিয়া ২,০৯,৬১০ ৩,৬৫৮ ২,০৫,৭৬৮
৮৯ আলজেরিয়া ২,০৫,৫৯৯ ৫,৮৮১ ১,৪১,০১৭
৯০ নরওয়ে ১,৯৯,১৯৫ ৮৯৪ ৮৮,৯৫২
৯১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৯৮,৬৪৬ ৭,০১২ ১,৮৫,৬৬০
৯২ লাটভিয়া ১,৯৭,৩৮৯ ২,৯৯২ ১,৬৩,৭৭০
৯৩ বতসোয়ানা ১,৮৪,৯১৯ ২,৩৯৬ ১,৮১,১৮৭
৯৪ উজবেকিস্তান ১,৮২,৮১৯ ১,৩০০ ১,৭৮,৬৯৫
৯৫ আলবেনিয়া ১,৮০,৬২৩ ২,৮৬৩ ১,৭১,০৩৪
৯৬ কিরগিজস্তান ১,৮০,৩৪৮ ২,৬৪৭ ১,৭৪,৯৩৪
৯৭ এস্তোনিয়া ১,৭৮,৬১০ ১,৪৪৯ ১,৫৬,৬৩৭
৯৮ সিঙ্গাপুর ১,৬২,০২৬ ২৮০ ১,৩২,৮৯২
৯৯ আফগানিস্তান ১,৫৫,৯৩১ ৭,২৫২ ১,২৭,৪৬০
১০০ অস্ট্রেলিয়া ১,৫৪,৪৮৯ ১,৬১১ ১,১৯,২৯৫
১০১ ফিনল্যাণ্ড ১,৫৩,১৫৬ ১,১৩৯ ৪৬,০০০
১০২ মোজাম্বিক ১,৫১,১৭৪ ১,৯২৭ ১,৪৮,৬১১
১০৩ মন্টিনিগ্রো ১,৩৯,৯৬৩ ২,০৫৭ ১,৩৩,২৩৩
১০৪ জিম্বাবুয়ে ১,৩২,৫৪০ ৪,৬৬২ ১,২৬,৭৭৬
১০৫ ঘানা ১,২৯,৫৯২ ১,১৬৯ ১,২৬,০৮৫
১০৬ নামিবিয়া ১,২৮,৪১৪ ৩,৫৪৪ ১,২৪,০০০
১০৭ উগান্ডা ১,২৫,৫৩৭ ৩,১৯৪ ৯৬,৪৬৯
১০৮ সাইপ্রাস ১,২১,২৭৪ ৫৬৭ ৯০,৭৫৫
১০৯ কম্বোডিয়া ১,১৭,৫০০ ২,৭১৫ ১,১২,৩৮৩
১১০ এল সালভাদর ১,১২,২৯০ ৩,৫৪৪ ৯৪,০৬৯
১১১ ক্যামেরুন ১,০০,২৮৯ ১,৬০০ ৮০,৪৩৩
১১২ রুয়ান্ডা ৯৯,২৮৮ ১,৩১৬ ৪৫,৫১০
১১৩ চীন ৯৬,৬৬৫ ৪,৬৩৬ ৯১,৫১১
১১৪ জ্যামাইকা ৮৭,৭৯৭ ২,১৩৩ ৫৬,১০৬
১১৫ মালদ্বীপ ৮৬,৫৫০ ২৪০ ৮৪,৯১৮
১১৬ লুক্সেমবার্গ ৮০,৬০৩ ৮৪২ ৭৮,১৭৩
১১৭ সেনেগাল ৭৩,৮৮০ ১,৮৭৬ ৭১,৯৮৭
১১৮ অ্যাঙ্গোলা ৬৩,৫৬৭ ১,৬৮৫ ৫২,৩৯০
১১৯ মালাউই ৬১,৭৪৫ ২,২৯৬ ৫৭,০৫১
১২০ আইভরি কোস্ট ৬১,১৩৯ ৬৮৯ ৫৯,৬৬৬
১২১ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৫৭,৪০২ ১,০৯১ ৫০,৯৩০
১২২ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫৪,৮৮১ ১,৬২৯ ৪৮,৮৯২
১২৩ রিইউনিয়ন ৫৪,৪৩৮ ৩৭২ ৫৩,৬৯৬
১২৪ গুয়াদেলৌপ ৫৪,৩৫০ ৭৩৬ ২,২৫০
১২৫ ফিজি ৫১,৯৭৭ ৬৭৩ ৪৮,৯১৫
১২৬ সুরিনাম ৪৭,৬৭৭ ১,০৪৮ ২৯,৪০৯
১২৭ ইসওয়াতিনি ৪৬,৩৮০ ১,২৩৮ ৪৪,৯৯৮
১২৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৩,৯৩৮ ২৯৮ ৯,৯৯৫
১২৯ মাদাগাস্কার ৪২,৮৯৮ ৯৫৮ ৪২,৫৪৫
১৩০ মার্টিনিক ৪২,৬৩৪ ৬৭০ ১০৪
১৩১ সিরিয়া ৪০,৬৩০ ২,৪৬৭ ২৫,৩৯০
১৩২ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪০,১৭৮ ৬৩৫ ৩৩,৫০০
১৩৩ সুদান ৩৯,৫৫০ ৩,০৩৮ ৩২,৮৭২
১৩৪ কেপ ভার্দে ৩৮,০৯৮ ৩৪৭ ৩৭,৩৮০
১৩৫ মালটা ৩৭,৫৩৩ ৪৫৯ ৩৬,৪২৯
১৩৬ মৌরিতানিয়া ৩৬,৮২০ ৭৯১ ৩৫,৫৮৬
১৩৭ গায়ানা ৩৪,৮০০ ৮৮৭ ৩০,৩৭২
১৩৮ লাওস ৩৪,৫১৮ ৪৯ ৬,৫৫৮
১৩৯ গ্যাবন ৩৪,২৮১ ২১৯ ২৮,১৭৯
১৪০ গিনি ৩০,৬০৫ ৩৮৫ ২৯,২৯৮
১৪১ পাপুয়া নিউ গিনি ২৬,৭৩১ ৩২৯ ২৩,৪১৩
১৪২ তানজানিয়া ২৬,০৩৪ ৭২৪ ১৮৩
১৪৩ টোগো ২৫,৯৫০ ২৪০ ২৫,৪২৩
১৪৪ বেলিজ ২৫,২৪৪ ৪৭৩ ২২,০০০
১৪৫ বেনিন ২৪,৫৬০ ১৬১ ২৩,৯৭১
১৪৬ হাইতি ২৩,৪০৬ ৬৫৮ ২০,১৪৯
১৪৭ বাহামা ২২,১৫৪ ৬৩০ ২০,১৫৩
১৪৮ সিসিলি ২১,৯০৩ ১১৯ ২১,৫৬৭
১৪৯ লেসোথো ২১,৫৭৫ ৬৫৬ ১২,১৬৪
১৫০ সোমালিয়া ২১,২৬৯ ১,১৮০ ৯,৯২৭
১৫১ মায়োত্তে ২০,৪৬৪ ১৮২ ২,৯৬৪
১৫২ বুরুন্ডি ১৯,৮৬৭ ৩৮ ৭৭৩
১৫৩ পূর্ব তিমুর ১৯,৭৫৯ ১২০ ১৯,৫৭২
১৫৪ তাজিকিস্তান ১৭,০৮৬ ১২৪ ১৬,৯৬০
১৫৫ কিউরাসাও ১৬,৯৮৪ ১৭২ ১৬,৬১৭
১৫৬ মরিশাস ১৬,৯৫১ ১৪৫ ১,৮৫৪
১৫৭ কঙ্গো ১৬,৪০৮ ২৩৯ ১২,৪২১
১৫৮ তাইওয়ান ১৬,৩৫৭ ৮৪৬ ১৫,৩৯৮
১৫৯ নিকারাগুয়া ১৬,২৪১ ২০৭ ৪,২২৫
১৬০ আরুবা ১৫,৭৭৯ ১৭১ ১৫,৪৫২
১৬১ মালি ১৫,৭৪১ ৫৫৮ ১৪,৫২৪
১৬২ এনডোরা ১৫,৩৮২ ১৩০ ১৫,১৬৮
১৬৩ বুর্কিনা ফাঁসো ১৪,৭৯৩ ২১৪ ১৪,২৮৭
১৬৪ বার্বাডোস ১৪,৩২৬ ১২৪ ৯,৯১৯
১৬৫ জিবুতি ১৩,৪২৩ ১৮১ ১৩,১৬১
১৬৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৩,০৯৭ ১৬৩ ১২,৫০৬
১৬৭ আইসল্যান্ড ১২,৮২৭ ৩৩ ১২,১৭৯
১৬৮ চ্যানেল আইল্যান্ড ১২,৫৩১ ৯৯ ১১,৮৩৮
১৬৯ সেন্ট লুসিয়া ১২,৩৩১ ২৩৮ ১১,৬৭৭
১৭০ হংকং ১২,৩১৪ ২১৩ ১২,০১২
১৭১ দক্ষিণ সুদান ১২,২৭৯ ১৩৩ ১১,৮৮৯
১৭২ ব্রুনাই ১১,৬৭২ ৭৯ ৯,০৯১
১৭৩ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১১,৪৭৮ ১০০ ৬,৮৫৯
১৭৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১০,৩৮৮ ২৫২ ৫৮
১৭৫ গাম্বিয়া ৯,৯৪৬ ৩৩৯ ৯,৬০০
১৭৬ ইয়েমেন ৯,৬৩৫ ১,৮৩১ ৬,১৪৩
১৭৭ আইল অফ ম্যান ৯,০৪০ ৫৭ ৮,১৫৬
১৭৮ ইরিত্রিয়া ৬,৭৮৮ ৪৫ ৬,৭০৩
১৭৯ সিয়েরা লিওন ৬,৩৯৬ ১২১ ৪,৩৯৩
১৮০ নাইজার ৬,২২৭ ২০৬ ৫,৯০২
১৮১ গিনি বিসাউ ৬,১৩১ ১৪১ ৫,৪০৭
১৮২ লাইবেরিয়া ৫,৯১৫ ২৮৭ ৫,৪৫৮
১৮৩ জিব্রাল্টার ৫,৮৪২ ৯৮ ৫,৫৫৭
১৮৪ গ্রেনাডা ৫,৭৯৫ ১৯৪ ৫,৪৬৯
১৮৫ বারমুডা ৫,৫৯৩ ৯৫ ৫,২৪০
১৮৬ সান ম্যারিনো ৫,৪৭৫ ৯১ ৫,৩৬৭
১৮৭ নিউজিল্যান্ড ৫,৪৪৯ ২৮ ৪,৪০২
১৮৮ চাদ ৫,০৬৭ ১৭৪ ৪,৮৭৪
১৮৯ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৪,৭৮৬ ৫৬ ২,৯৭৪
১৯০ সিন্ট মার্টেন ৪,৪৬৮ ৭৫ ৪,৩৪৭
১৯১ ডোমিনিকা ৪,৪৬৫ ৩০ ৪,০৭০
১৯২ কমোরস ৪,২০০ ১৪৭ ৪,০৩৪
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৩,৯৯৪ ৯৭ ৩,৩৫২
১৯৪ সেন্ট মার্টিন ৩,৮৫০ ৫৫ ১,৩৯৯
১৯৫ লিচেনস্টেইন ৩,৫২১ ৬০ ৩,৪১৫
১৯৬ মোনাকো ৩,৩৮৭ ৩৪ ৩,৩০০
১৯৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৯৪৮ ২৩ ২,৮৬৬
১৯৮ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২,৭২৫ ৩৭ ২,৬৪৯
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২,৬১৯ ২১ ২,২১৪
২০০ ভুটান ২,৬১৭ ২,৬০৫
২০১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ২,৩৭৩ ১৯ ৬,৪৪৫
২০২ সেন্ট বারথেলিমি ১,৫৮৯ ৪৬২
২০৩ ফারে আইল্যান্ড ১,৪১০ ১,২৯৭
২০৪ কেম্যান আইল্যান্ড ১,১৬৫ ৯০৫
২০৫ এ্যাঙ্গুইলা ৭৪৩ ৬৫৫
২০৬ গ্রীনল্যাণ্ড ৭৩১ ৬৯১
২০৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২০৮ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০৯ ম্যাকাও ৭৭ ৬৬
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৮ ৬৭
২১১ মন্টসেরাট ৪১ ৩১
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৩২ ৩২
২১৩ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ পালাও
২১৮ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৯ ভানুয়াতু
২২০ সামোয়া
২২১ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]