নৃত্যাঞ্চলের রজতজয়ন্তী, পিঠা ও পোস্টারে সাজবে পৌষমেলা
রাজধানীতে বসছে পৌষমেলা। সেখানে থাকবে শীতের নানান রকম পিঠা আর নৃত্যাঞ্চলের ২৫ বছরের পোস্টার। পথচলার রজতজয়ন্তীতে এই সাংস্কৃতিক মেলার আয়োজন করেছে নাচের সংগঠন ও স্কুল নৃত্যাঞ্চল।
আজ থেকে ২৫ বছর আগে যাত্রা শুরু করে নৃত্যাঞ্চল। কান্ডারিরা ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর, তারকা নৃত্যশিল্পী শামীম আরা নীপা ও শিবলী মহম্মদ। স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে তুলে ধরবে এ রকম নৃত্য প্রযোজনা করবে তারা, আর তৈরি করবে নাচের শিল্পী। স্বপ্ন সফল হয়েছে তাদের। পঁচিশ বছরে জমেছে স্বার্থকতার বহু ছবি। সেসবের প্রদর্শনী করতে যাচ্ছে নৃত্যাঞ্চল।
আসছে ৩১ জানুয়ারি শনিবার বিকেল ৩টা থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের রাজধানী স্কুলের মাঠে বসছে এই পৌষমেলা। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কোনো নাচের অনুষ্ঠান নয়, থাকবে শিক্ষার্থী, শিল্পী ও নির্বাচিত অতিথিদের নিয়ে মিলনমেলা। আগত অতিথিদের শীতের পিঠায় আপ্যায়ন করা হবে, দেখানো হবে নৃত্যাঞ্চলের পথচলার গল্প।
স্কুলটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা শিবলী মহম্মদ জাগো নিউজকে বলেন, আমরা এবার ব্যতিক্রম আয়োজন করছি। নাচের স্কুল বলে যে প্রতিবছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নাচের অনুষ্ঠান করতে হবে, আমরা সেই পথে হাঁটিনি। আমরা এবার পিঠা উৎসব করছি। ছোট পরিসরে একটা রালি হবে স্কুলের ভেতরেই। সামনে আমাদের অনেক কাজ রয়েছে। সেসব নিয়ে মঞ্চে হাজির হবে আমাদের শিক্ষার্থীরা।
২০০০ সালে সাংবাদিক ও সংগঠক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরকে নিয়ে শামীম আরা নীপা ও শিবলী মহম্মদ গড়ে তোলেন নৃত্যাঞ্চল। ক্রমে এটি দেশের স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে প্রসার লাভ করে। ২০১৯ সালে প্রয়াত হন সংগঠক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর। ২০২২ সাল থেকে তার নামে সম্মাননা চালু করে সংগঠনটি। দ্বিবার্ষিক এ সম্মাননার রয়েছে অর্থমূল্যও। নিভৃতে লোকসংস্কৃতির চর্চা করে যাচ্ছেন এ রকম একজন সাধক শিল্পীকে এ সম্মাননায় সম্মানিত করা হয়।
আরএমডি