রবি চৌধুরী একদিনেই গেলেন তিন মন্ত্রীর অফিসে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আগে বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রচারণায় অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন জনপ্রিয় গায়ক রবি চৌধুরী। অনেকেই প্রশ্ন তুলেন, একসময় আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে কাজ করা গায়ক কীভাবে বিএনপি ও দলটির প্রধানের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন?
রবি চৌধুরী এসব প্রশ্নবানে মোটেও বিচলিত হননি। ঠান্ডা মাথায় তিনি ফেস করেছেন সেই বিতর্ক। জবাবে বলেছেন, তিনি আওয়ামী লীগের দোসর ছিলেন না। কেবলমাত্র একজন গায়ক হিসেবে টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগের শাসনামলে নানা নেতার প্রচারে যেতেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে তিনি গেল ১০ ফেব্রুয়ারি বলেন, ‘আমাকে দালাল বানাবেন না, আমি দালাল না। আমি কি কাজ করি, আমার এলাকায় গিয়ে দেখেন। গায়িকা মমতাজ আমাকে দাওয়াত দিয়েছিল। সে আমার সহশিল্পী। তার অনুরোধে তার মার্কার জন্য আমি ভোট চেয়েছি। এখানে আমি কারও দালালি করিনি। আমি গান গাইতে গিয়েছি। যেখানে টাকা দেবে, সেখানেই গান গাইব, সেটা যেই হোক।’
তার সেই কথার রেশ ধরে এখন প্রশ্ন উঠছে, তবে এবারও তিনি একজন গায়ক হিসেবেই টাকার বিনিময়ে বিএনপির প্রচারে অংশ নিয়েছেন কি? সেই উত্তর অবশ্য জানা যায়নি। বরং রবি চৌধুরী নিজেকে বিএনপির একজন কর্মী বা এই দলটির মতাদর্শর মানুষ হিসেবে প্রমাণ করতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। নির্বাচনে বিএনপির বিশাল জয়ে দলটিকে জানিয়েছেন শুভেচ্ছা।
এবার গায়ককে দেখা গেল সচিবালয়ের প্রাঙ্গণে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) তিনি তিন তিনজন মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সেসময় ফুল দিয়ে মন্ত্রীদের শুভেচ্ছাও জানান ‘প্রেম দাও নয় জ্বালা দাও’ গানের গায়ক রবি চৌধুরী। তাদের মধ্যে দুজন ছিলেন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী।
তারা হলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
তিন মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বেশ ফুরফুরে ও প্রাণবন্ত দেখা যায় রবি চৌধুরীকে।
এলআইএ