অতিথি হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনন্ত-বর্ষা
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্তৃক পরিচালিত একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের ইনোভেশন আড্ডায় অতিথি হয়ে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল এবং চিত্রনায়িকা বর্ষা।
ইউএনডিপি ও ইউএসএইড সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বাস্তবায়নাধীন এটুআই প্রোগ্রাম প্রতিমাসে বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ এবং এটুআই প্রোগ্রামের কর্মকর্তাদের নিয়ে ইনোভেশন আড্ডার আয়োজন করে থাকে। সর্বশেষ গত ৭ মে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বসে এই আড্ডা।
দেশব্যাপী নতুন নতুন সেবার প্রচলন, উদ্ভাবন এবং ই-সেবাকার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এটুআই প্রকল্পের কর্মকর্তাদের উৎসাহ প্রদান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে নতুন নতুন উদ্ভাবনী প্রয়াসমূহ চিহ্নিত করার পাশাপাশি এ সকল উদ্ভাবনসমূহকে কীভাবে এটুআই প্রকল্পের কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত করা যায় সে বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়ে থাকে। এ ছাড়া আমন্ত্রিত অতিথিদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে এটুআই প্রকল্পের কর্মকর্তাদের মাঝে সৃজনশীলতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা হয়।
এটুআই প্রোগ্রামের জনপ্রক্ষিত বিশেষজ্ঞ জনাব নাইমুজ্জামান মুক্তা বলেন, প্রতি মাসে আয়োজিত ইনোভেশন আড্ডায় বিভিন্ন সময় নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিরা উপস্থিত হয়ে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। অনন্ত জলিল শুধুমাত্র একজন সফল চিত্রনায়ক ও প্রযোজক নন, তিনি একাধারে একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি (সিআইপি) এবং সমাজসেবক। তিনি বর্তমান প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাম। ইনোভেশন আড্ডায় তার উপস্থিতি এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আমরা আনন্দিত।
এ প্রসঙ্গে অনন্ত জলিল বলেন, এটুআই টিম অনেক সংগঠিত একটা টিম যারা আমাদের বাংলাদেশের উন্নয়নে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপ দেওয়ার পেছনে এটুআই- এর অবদান অনস্বীকার্য। আমি এটুআই প্রোগ্রামের ইনোভেশন আড্ডায় আমন্ত্রিত হয়ে অত্যন্ত আনন্দিত।
ইনোভেশন আড্ডায় অনন্ত জলিলের উপস্থিতি সকলকে অনুপ্রাণিত করে। অনন্ত জলিল ও বর্ষা সবার উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন এবং অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং এটুআই প্রকল্পের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।
এলএ