বগুড়ার আঞ্চলিক ভাষায় ‘সোনাভান’

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:২৮ পিএম, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

শুরু হচ্ছে নতুন একটি ধারাবাহিক নাটক ‘সোনাভান’। বগুড়ার আঞ্চলিক ভাষায় নির্মিত এই ধারাবাহিক নাটকটি রোববার থেকে প্রচার শুরু হবে এটিএন বাংলার পর্দায়। প্রতি সপ্তাহের রোববার ও সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় প্রচার হবে এটি। ১৯৯০ সালে বগুড়া থিয়েটার মঞ্চে আনে নাটক ‘সোনাভানের পালা’। নাটকটির রচনা ও নির্দেশনায় ছিলেন তৌফিক হাসান ময়না। সাড়া জাগানো সেই গল্পটিকেই ধারাবাহিকে রূপান্তর করে নাম রাখা হয়েছে ‘সোনাভান’।

থিয়েটারকর্মী ও সংগঠক তৌফিক হাসান ময়নার মূল গল্প ভাবনায় নাটকটির কাহিনী বিন্যাস ও সংলাপ তৈরি করেছেন কাজী সুস্মিন আফসানা আর পরিচালনা করেছেন এসএম শাহীন ও শহীদ মিঠু।

sonavan-ineer1.jpg

এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন লুৎফর রহমান জর্জ, আফরোজা বানু, মীর সাব্বির, ফারহানা মিলি, শারমিন জোহা শশী, অবিদ রেহান, সাঈদ বাবু, আহসানুল হক মিনু, কল্লোল চৌধুরী, মাহমুদা মেহেরুন্নবী মাহিন, বিধান কৃষ্ণ রায়, সিজুল ইসলাম, সবুজ চন্দ্র, মাহবুব সোবহানি, ফারুক হোসেন, আবু সাঈদ সিদ্দিকি, মির্জা আহসানুল হক দুলাল, মুনসুর রহমান তানসেন, শাজাহান আলী বাদশা, রফিকুল ইসলাম, হাসনুজ্জামান, রবিউল ইসলাম, সরণ, সামিউল, সহ বগুড়ার বিভিন্ন থিয়েটারের নাট্যকর্মীরা।

নাটকটিতে দেখা যাবে, সোনাভানরা দুই বোন, দুই ভাই। সোনা সবার ছোট। বড় ভাই হাতেম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। ছোট ভাই কাশেম পড়াশুনার প্রতি অনাগ্রহী। বড় বোন তারা এস এস সি পাশ করেছে, সে পড়তে চায় কিন্তু চাচা বিয়ে দেয়ার জন্য পাত্র খুঁজছে। সোনাভানের মা-বাবা বেঁচে নেই। তারা সবাই চাচা সব্দুল এর সাথে থাকে। চাচী আয়েশা তাদের মায়ের আদরেই লালনপালন করছে। চাচা সব্দুল গ্রামের চেয়ারম্যান।

sonavan-ineer1.jpg

মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান হয়। কিন্তু তার বড় ভাইয়ের ছেলে হাতেম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রামে এসে যুবকদের নিয়ে মুক্তি বাহিনীতে যোগ দেয়। অন্যদিকে কাশেমকে চাচা নিজের কাজে লাগায়। গ্রাম রক্ষা কমিটি নামে এক সংগঠন করে কাশেমকে ও তার কয়েক জন বন্ধুকে দায়িত্ব দেয় মিলিটারিদের কথা মত গ্রাম থেকে হিন্দু জনগোষ্ঠী তাড়ানো ও মুক্তি বাহিনীর বিপরীতে কাজ করার। অথচ চাচা সব্দল নিজের কলেজ পড়ুয়া ছেলে তাহেরকে সব কিছু থেকে আলাদা করে রাখে।

তাহের ভালোবাসে সোনাকে। সোনা খুব ছটফটে আদুরে টাইপের মেয়ে। সবার কাছ থেকে আদর কাড়ে। সে গাছে ওঠে, পুকুরে যায়। চাচা-চাচীও চায় সোনা তাদের ছেলের বউ হোক। এদিকে সব্দল যখন জানতে পারে হাতেম মুক্তি বাহিনীতে যোগ দিয়েছে, তখন সে পরিকল্পনা করে কাশেমকে নিজ ভাইয়ের বিপরীতে দাঁড় করিয়ে দেয়। এভাবেই এগিয়ে যাবে সোনাভান নাটকটির গল্প।

এমএ/এমএস

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com

আপনার মতামত লিখুন :