হাসপাতালে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানের শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৪৫ পিএম, ০৯ মে ২০১৯

ভারতের প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় গুরুতর অসুস্থ। ২ মে হঠাৎ করেই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। দ্রুত তাকে কলকাতার সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে তাকে এসএসকেএম (পিজি) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

চিকিৎসকদের মতে, তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তবে বিপদ কাটেনি এখনো। ৭৭ বছর বয়সি এই শিল্পী বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন। প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের অসুস্থতা নিয়ে তার স্ত্রী সর্বাণী মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘২ মে মাঝরাতে একটা হার্ট অ্যাটাক হয় উনার। এরপর সকালে ক্যালকাটা হার্ট ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এখন কিছুটা ভালো আছেন।’

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, এবার পয়লা বৈশাখে একাধিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। অসুস্থ হওয়ার দুদিন আগেও একটি সাহিত্য পত্রিকার অনুষ্ঠানে গেয়েছেন। সেখানে গান গেয়েছেন।

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের খুব জনপ্রিয় হওয়া গানের মধ্যে অন্যতম ‘আমি বাংলায় গান গাই’। যেকোনো অনুষ্ঠানে গাওয়া হয় গানটি। এ ছাড়া তার ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে’ গানটিও বাঙালির মনে গেঁথে গেছে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন গণ-আন্দোলনে প্রতুল মুখোপাধ্যায় অনেক দিন থেকেই অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করেছেন।

বাংলা চলচ্চিত্র ‘গোঁসাইবাগানের ভূত’-এ প্লেব্যাক করেছেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। তাঁর অ্যালবামগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘পাথরে পাথরে নাচে আগুন’ (১৯৮৮), ‘যেতে হবে’ (১৯৯৪), ‘ওঠো হে’ (১৯৯৪), ‘কুট্টুস কাট্টুস’ (১৯৯৭), ‘স্বপ্নের ফেরিওয়ালা’ (২০০০), ‘তোমাকে দেখেছিলাম’ (২০০০), ‘স্বপনপুরে’ (২০০২), ‘অনেক নতুন বন্ধু হোক’ (২০০৪), ‘হযবরল’ (২০০৪), ‘দুই কানুর উপাখ্যান’ (২০০৫), ‘আঁধার নামে’ (২০০৭)। বাংলাদেশে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন থেকে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের একটি অ্যালবাম প্রকাশিত হয় ২০১১ সালের মার্চে। অ্যালবামটির নাম ‘আমি বাংলায় গান গাই’।

এমএবি/এলএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]