সিনেমার সুদিন ফেরাতে নতুন সরকারের কাছে যা চাইলেন শাকিব খান

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:২৯ পিএম, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শাকিব খান

দেশীয় চলচ্চিত্রের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে নবনির্বাচিত সরকারের কাছে একগুচ্ছ প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের স্বচ্ছতা, সরকারি অনুদানের সুষ্ঠু বণ্টন এবং আধুনিক প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ, এসব বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রসঙ্গে শাকিব বলেন, এই পুরস্কার ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নানা বিতর্ক রয়েছে। বিচারপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট মানদণ্ড প্রণয়ন এবং বাইরের হস্তক্ষেপ বন্ধে কঠোর নীতিমালা দরকার বলে মত দেন তিনি। তার ভাষায়, পুরস্কার যেন প্রকৃত মেধার স্বীকৃতি হয়, সেটিই নিশ্চিত করা জরুরি।

সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাই নিয়েও কথা বলেন এই তারকা। তার মতে, অনুদান প্রদানের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতের অভিযোগ এড়াতে স্বচ্ছ কমিটি, অনলাইন স্কোরিং পদ্ধতি এবং প্রকাশ্য রিপোর্টিং ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। এতে প্রকৃত নির্মাতারা উৎসাহ পাবেন।

দেশের প্রেক্ষাগৃহ সংকট নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শাকিব। তিনি বলেন, সারা দেশে নতুন প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ, বন্ধ ও জরাজীর্ণ হল সংস্কারে স্বল্পসুদে ঋণ, করছাড় এবং পুনর্গঠন তহবিল গঠন করা প্রয়োজন। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণ এবং যেসব জেলায় হল নেই সেখানে ডিজিটাল মিনি প্রেক্ষাগৃহ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন তিনি।

এ ছাড়া নতুন প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণে ভ্যাট-ট্যাক্স ছাড়, আমদানি করা প্রজেকশন ও সাউন্ড যন্ত্রে শুল্ক কমানো এবং আধুনিক প্রযুক্তি, যেমন ডিজিটাল প্রজেকশন, ডলবি সাউন্ড ও অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই অভিনেতা।

শাকিবের বিশ্বাস, পরিবারবান্ধব কনটেন্ট, দেশীয় চলচ্চিত্রের নির্দিষ্ট প্রদর্শন কোটা এবং উৎসবভিত্তিক বিশেষ প্রদর্শনী চালু হলে দর্শক আবারও হলমুখী হবে। প্রেক্ষাগৃহকে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

তার মতে, সঠিক পরিকল্পনা ও সহায়তা পেলে ঢালিউড আবারও সুদিনে ফিরতে পারে।

 

এলআইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।