বৃদ্ধাশ্রমে অসহায় মায়েদের মুখে হাসি ফোটালেন পূর্ণিমা

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৪৮ পিএম, ২৫ মে ২০১৯

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমাকে অনেক দিন বড় পর্দায় দেখা না গেলেও টিভি পর্দায় তিনি বেশ নিয়মিত। গতকাল শুক্রবার তার দেখা মিলেছে একটি বৃদ্ধা আশ্রমে। রাজধানীর উত্তরার উত্তরখান এলাকার মৈনারটেক জিয়াবাগ বৈকাল স্কুলের পাশে অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রমটির নাম 'আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রম'।

সেখানে বর্তমানে পঞ্চাশেরও বেশি বৃদ্ধ মা ও বেশ কিছু প্রতিবন্ধী রয়েছেন। তাদের সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়েছিলেন পূর্ণিমা। বয়স্ক অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটিয়ে এসেছেন তিনি। তাকে কাছে পেয়ে খুশিতে মন ভরেছে তাদের। পূর্ণিমা বৃদ্ধাশ্রম ঘুরে এসে সেখানকার বেশকিছু ছবি পোস্ট করেছেন নিজের ফেসবুক পেজে। যেনো কথা বলছে সেই ছবিগুলোই।

পূর্ণিমা বললেন, ‘আমি বৃদ্ধাশ্রমের মানুষগুলোর সঙ্গে একবেলা খাবার খেয়েছি, তাদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। সেখানে গিয়ে আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। বৃদ্ধাশ্রমটিতে প্রায় পঞ্চাশ জনের মতো বৃদ্ধ রয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকের বয়সই একশ’র বেশি।

এছাড়া কিছু যুবতি রয়েছে, রয়েছে কিছু প্রতিবন্ধী যারা চোখে দেখতে পায় না। আমার কাছে এটা ভালো লেগেছে যে, তারা একটি নির্ভরযোগ্য স্থানে আছে, যেখানে তারা সঠিক যত্নটা পাচ্ছে।’

পূর্ণিমা আরও বলেন, ‘তাদের সঙ্গে সময়টা কাটিয়ে এবং একবেলা খাওয়াতে পেরে অনেক ভালো লেগেছে। শান্তি অনুভব করছি। আমার মতো করে আপনারা যারা আছেন সবাই আসুন, তাদের সঙ্গে সময় কাটান একবেলা। সবাইকে অনুরোধ করবো তাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর জন্য।’

আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রমটির নির্বাহী প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সৈয়দা সেলিনা শেলী বলেন, ‘আমাদের এই বৃদ্ধাশ্রমে এসেছিলেন সবার প্রিয়মুখ পূর্ণিমা; অসম্ভব ভালো মনের মানুষ তিনি। মায়েদের জন্য খাবার এনেছেন, গল্প করেছেন, গান করেছেন আর অফুরন্ত ভালোবাসা দিয়েছেন। দিনটির কথা আমাদের মা এবং ছোট প্রতিবন্ধী বোনরা কখনোই ভুলবে না। ‘

সৈয়দা সেলিনা শেলী জানান, ২০১০ সালে মাত্র ছয়জন সর্বস্বহারা, আপনজনহারা এবং আশ্রয়হীন বৃদ্ধা নারী নিয়ে শুরু হয় আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রমটির যাত্রা। বিভিন্ন রাস্তা, রেলস্টেশন, লোকাল বাজার থেকে এরকম বৃদ্ধা মা যাদেরকে ন্যূনতম খাবার দেয়ার কেউ নেই তাদের এই আশ্রমে এনে একটুখানি ভালো রাখার চেষ্টায় সেবা করে যাচ্ছেন তারা।

এমএবি/এলএ/জেআইএম

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - [email protected]

আপনার মতামত লিখুন :