করোনাভাইরাস শরীরে আক্রমণ করে যেভাবে

ডা. হিমেল ঘোষ
ডা. হিমেল ঘোষ ডা. হিমেল ঘোষ , চিকিৎসক
প্রকাশিত: ০১:০৫ পিএম, ১১ জুলাই ২০২০

বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত শব্দ ‘করোনাভাইরাস’। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরের একটি বন্যপ্রাণির বাজার থেকে এ ভাইরাস ছড়িয়েছে বলে ধারণা করা হয়। করোনাভাইরাস মূলত পূর্বের সার্স রোগ সৃষ্টিকারী গোত্রেরই একটি ভাইরাস। যার সাথে প্রায় ৮০% মিল রয়েছে। তাই একে সার্স কোভ-২ও বলা হয়। প্রথম সার্স দেখা দিয়েছিল ২০০২ সালে। ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল ছিল বাদুড়ের শরীর। যা পরবর্তীতে মানুষের দেহে ছড়িয়ে যায়। তারপর দেখা দেয় মার্স রোগ ২০১২ সালে। এরও উৎপত্তি বাদুড় থেকে। সবশেষে এলো ২০১৯ সালে কোভিড-১৯, যা চিন্তায় ফেলে দিয়েছে গোটা দুনিয়াকে। এ সবগুলোই কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণজনিত রোগ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার নিয়ে জানতে হলে ‘আরও ফ্যাক্টর’ সম্পর্কে জানতে হবে। ‘আরও’ হলো একজন আক্রান্ত মানুষ থেকে একটি নির্দিষ্ট রোগ কতজন মানুষের মাঝে ছড়াতে পারে। আরও সমান ১ মানে হলো- একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে ওই রোগ সুস্থ একজনের মাঝে ছড়ায়। আরও সমান ৩ মানে হলো- একজন আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে তিন জন সুস্থ ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে যায় ভাইরাস। বিষয়টি এরকম আসলে। হিসাব করে দেখা যায়, করোনাভাইরাসের আরও ফ্যাক্টর ২ থেকে ৩ এর মাঝে রয়েছে। এই আরও এর মান যতদিন ১ থেকে বড় থাকবে, ততদিন করোনাভাইরাসের সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী থাকবে। এ গ্রাফকে নিম্নমুখী করার মাধ্যমে অর্থাৎ আরওকে শূন্য করার মাধ্যমেই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকানো সম্ভব। কোয়ারেন্টাইনে থাকা, নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার করা, সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ইত্যাদিই পারে আরও এর মান কমিয়ে এনে গ্রাফকে নিম্নমুখী করতে।

করোনাভাইরাস হলো একধরনের আবরণবিশিষ্ট পজিটিভ সেন্স একক সূত্রক আরএনএ ভাইরাস। এর আবরণের বাইরে কিছু প্রোটিন দিয়ে তৈরি কাঁটা বা স্পাইক থাকে। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি ও থুথুর মাধ্যমে একজন সুস্থ ব্যক্তির শরীরে নাক ও মুখ দিয়ে করোনাভাইরাস প্রবেশ করে এবং চলে যায় নাসাগলবিলে। তারপর ভাইরাসটি চলে যায় ট্রাকিয়া বা শ্বাসনালীতে। করোনাভাইরাসের লোড বা পরিমাণ যদি বেশি হয়, তবে সেটা ঊর্ধ্ব শ্বাসযন্ত্র বা ট্রাকিয়া থেকে প্রবেশ করে নিম্ন শ্বাসযন্ত্র তথা ফুসফুসে। আর ভাইরাসের লোড যদি কম হয়, তবে তা ঊর্ধ্ব শ্বাসযন্ত্রেই থেকে যায়- এরকম ক্ষেত্রে মৃদু সংক্রমণের লক্ষণগুলো দেখা যায়। ধরে নেওয়া গেল যে, ভাইরাসের লোড অনেক বেশি আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে। ফলে ভাইরাস সোজা চলে গেল ট্রাকিয়া হয়ে ফুসফুসে। ফুসফুসের ভেতরে মিলিয়ন মিলিয়ন এলভিওলাই বা বায়ুথলি আছে। এই বায়ুথলিতে দুই ধরনের কোষ থাকে- টাইপ-১ এবং টাইপ-২ নিউমোসাইট।

টাইপ-১ কোষটি কাজ করে গ্যাসীয় আদান-প্রদানে। অর্থাৎ অক্সিজেনের গ্রহণ এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইডের নির্গমনে ভূমিকা পালন করে কোষটি। আর টাইপ-২ কোষের কাজ হলো সারফেকট্যান্ট তৈরি করা। এটি এমন এক জৈব রাসায়নিক পদার্থ, যা বায়ুথলির পৃষ্ঠটান কমিয়ে গ্যাসীয় আদান-প্রদানের সময় বায়ুথলিকে চুপসে যেতে বাধা দেয়। ফলে সহজেই বায়ুথলিতে গ্যাসীয় বিনিময় হতে পারে।

ফুসফুসে প্রবেশ করে করোনাভাইরাস আক্রমণ করে বসে টাইপ-২ নিউমোসাইট কোষকে। এই কোষের ভেতরে একটি রিসেপ্টর বা গ্রাহক প্রোটিন আছে, যার নাম এনজিওটেনসিন কনভার্টিং এনজাইম-২ বা এসিই-২ রিসেপ্টর। এ রিসেপ্টর করোনাভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনগুলোর সাথে খাপে খাপে বসে যায়। ফলে করোনাভাইরাসের বহিরাবরণ গলে গিয়ে ভেতরে থাকা একসূত্রক আরএনএ প্রবেশ করে সোজা টাইপ-২ কোষের সাইটোপ্লাজমে। এরপর এ আরএনএ চলে যায় আক্রান্ত কোষের রাইবোজোমের কাছে। টাইপ-২ কোষের রাইবোজোমের কাছে থাকা তাদের নিজস্ব আরএনএকে সরিয়ে দিয়ে সেখানে বসে যায় করোনাভাইরাসের আরএনএ। রাইবোজোমকে কাজ করিয়ে ট্রান্সলেশনের মাধ্যমে সে তৈরি করে অনেকগুলো পলিপ্রোটিন।

jagonews24

পলিপ্রোটিনের খণ্ডগুলো প্রোটিওলেজ এনজাইমের মাধ্যমে ভেঙে গিয়ে তৈরি করে করোনভাইরাসের জন্য এনজাইম, প্রচুর স্পাইক এবং আবরণ। এদিকে একক সূত্রক আরএনএটি আরএনএ পলিমারেজের মাধ্যমে তার মতোই অনুরূপ অনেকগুলো আরএনএ কপি তৈরি করে ফেলে। এভাবে আবরণ, স্পাইক, এনজাইম, আরএনএ মিলে পূর্বের একটি করোনাভাইরাসের আরএনএ থেকে টাইপ-২ নিউমোসাইট কোষের ভেতরে তৈরি করে ফেলে অসংখ্য করোনাভাইরাসের কপি। আর ফলাফলস্বরূপ টাইপ-২ কোষগুলো নষ্ট হওয়া শুরু হয়। কোষগুলোর কাজ ছিল সারফেকট্যান্ট তৈরি করা, কিন্তু আক্রান্ত হওয়ার পর সেগুলো আর পর্যাপ্ত পরিমাণে সারফেকট্যান্ট তৈরি করতে পারে না। এতে পৃষ্ঠটান বৃদ্ধি পেয়ে বায়ুথলিগুলো অকর্মণ্য হয়ে পড়ার সম্ভাবনা বাড়তে থাকে।

এখন টাইপ-২ নিউমোসাইটগুলো নষ্ট হওয়ার কারণে কোষগুলো থেকে কিছু প্রদাহজনিত রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয়। এ রসায়নিকগুলো ডেকে নিয়ে আসে ম্যাক্রোফেজ নামক কোষকে। এ ম্যাক্রোফেজ ফুসফুসের ভেতরে কিছু ফ্যাক্টর নিঃসৃত করে। যেমন- ইন্টারলিউকিন-১ (IL-1) এবং ইন্টারলিউকিন-৬ (IL-6)। এ দুটো ফ্যাক্টর বায়ুথলি থেকে চলে আসে ইন্টারস্টিশিয়াল স্পেস বা ফাঁকা জায়গা ভেদ করে রক্তনালীতে। ফ্যাক্টরগুলো রক্তনালীগুলোকে প্রসারিত করে, একে বলা হয় ভ্যাজোডাইলেশন। এ রক্তনালী প্রসারণের কারণে রক্তের গতিবেগ বাড়ে ও বেশি বেশি রক্ত রক্তনালী দিয়ে যাওয়ার সময় চাপে ফ্লুইড লিকেজ হয়, যেগুলো রক্তনালী থেকে জমা হয় ইন্টারস্টিশিয়াল স্পেসে। এতে বায়ুথলির জন্য ফাঁকা জায়গা কমে যায়। ফলে বাতাস আদান-প্রদানে বাঁধা আসে এবং বায়ুথলির কর্মক্ষমতা আরও হ্রাস পায়। আবার এই আন্তঃকোষীয় ফাঁকা স্থান থেকে ফ্লুইড চলে যেতে পারে বায়ুথলির ভেতরে। এতে বায়ুথলিগুলো বাতাসের বদলে সব পানি দিয়ে ভর্তি হয়ে যাবে এবং বায়ুথলির ইডিমা দেখা দেবে। সারফেকট্যান্ট কমে যাওয়ায় এবং বায়ুথলির ইডিমা দেখা দেওয়ায় বায়ুথলিগুলো তাদের কর্মক্ষমতা হারাবে এবং পর্যাপ্ত গ্যাসীয় আদান-প্রদান হবে না। ফলে রক্তে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেবে। শরীরের অক্সিজেনের ঘাটতিকে ঠিক করার জন্য রোগী তখন বেশি বেশি শ্বাস নেয় ও ত্যাগ করে। কিন্তু বায়ুথলির অক্ষমতার জন্য শ্বাসকার্য চালনা করা কষ্টকর হয়ে পড়ে এবং রোগী শ্বাসকষ্টে ভোগেন।

দেহের এ সামগ্রিক অবস্থায় এগিয়ে আসে আরেক সৈনিক রক্তকণিকা নিউট্রোফিল। সে রক্তনালী হয়ে চলে যায় সরাসরি ফুসফুসে। নিউট্রোফিল বায়ুথলির কাছে এসে প্রোটিয়েজ ক্ষরণ করে যেটা করোনাভাইরাসকে আক্রমণ করে মেরে ফেলে। কিন্তু করোনাভাইরাসকে মারতে গিয়ে সে টাইপ-১ এবং ২- দু’ধরনের প্রয়োজনীয় কোষগুলোকেও মেরে ফেলে। ফলে মৃত কোষ, টাইপ-১ ও ২ নিউমোসাইট, করোনাভাইরাস এবং নিউট্রোফিল একসাথে স্তুপ আকারে জমা হয় বায়ুথলির ভেতরেই, এ অবস্থাকে বলে একত্রীকরণ।

আবার ম্যাক্রোফেজ থেকে নিঃসৃত IL-1 এবং IL-6 রক্তের মাধ্যমে চলে যাবে মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসের কাছে। হাইপোথ্যালামাস উত্তেজনা পেয়ে প্রোস্টাগ্লান্ডিন-২ নামক রাসায়নিক ক্ষরণ করবে। ফলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাবে এবং জ্বর আসবে। তাই করোনাভাইরাসের একটি প্রধান লক্ষণ হিসেবে আমরা জ্বরকেই দেখতে পাই।

অন্যদিকে করোনাভাইরাস বায়ুথলিকে আক্রমণ করে। ফলে আমাদের শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। রক্তে অক্সিজেনের আংশিক চাপ কমে যাওয়ার ফলে আমাদের প্রান্তীয় কেমোরিসেপ্টর উদ্দীপ্ত হয়। যা আবার স্বাতন্ত্র স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করে। ফলে নাড়ির গতি এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজের চাপ বেড়ে যায়। নাড়ির গতি অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার ফলে হৃৎপিণ্ড বিকল হওয়ারও সমূহ সম্ভাবনা দেখা দেয়।

করোনার প্রভাব শরীর আরও খারাপ হতে থাকলে; তখন প্রদাহ চলে আসবে রক্তসংবহনে। IL-1 এবং IL-6 চলে আসবে কেন্দ্রীয় ও প্রান্তীয় সংবহনের রক্তনালীগুলোয়। রক্তনালীগুলোকে ফ্যাক্টরগুলো আগের মতোই প্রসারিত করে ফেলবে। ফলে ফ্লুইড লিকেজ বেড়ে যাবে ও আন্তঃকোষীয় স্থানে ফ্লুইড জমা হতে শুরু করবে। প্রচুর ফ্লুইড যদি রক্তনালী থেকে বের হয়ে ফাঁকা জায়গায় জমা হতে শুরু করে, তাহলে রক্তের আয়তন কমে যাবে। ফলে রক্তচাপ কমে গিয়ে দেহের অন্যান্য অঙ্গগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে আর রক্ত সরবরাহ পাবে না। ফলে একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে। যেমন, বৃক্কে রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে বৃক্কের নেফ্রনগুলো আগের মতো কাজ করতে পারবে না ও পর্যাপ্ত মূত্র তৈরি হতে পারবে না। এতে বিষাক্ত ক্রিয়েটিনিন এবং নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্যপদার্থ আর দেহের বাইরেও বের হতে পারবে না। ফলে বৃক্ক বিকল হয়ে পড়বে।

আবার যকৃত যখন পর্যাপ্ত রক্তপ্রবাহ পাবে না, তখন যকৃতও বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে জন্ডিস হতে পারে। করোনার জন্য মাল্টি সিস্টেম ইনফ্লামেটরি সিন্ড্রোমও বেশ দেখা যাচ্ছে, বিশেষ করে শিশুদের মাঝে। এক্ষেত্রে উচ্চ তাপমাত্রা, ডায়রিয়া, চোখ এবং ঠোঁট লাল হয়ে যাওয়া, পা ফুলে যাওয়া, হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী করোনারী রক্তনালীও আক্রান্ত হয়ে ফুলে যাওয়া, হৃৎপিণ্ড বড় হয়ে বিকল হয়ে পড়া, খিঁচুনি ইত্যাদি দেখা যায়। এর পেছনেও দায়ী সেই IL-1 এবং IL-6। এমনকি এসব জৈব রাসায়নিক পদার্থের জন্য মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত স্ট্রোকও দেখা দিতে পারে।

এভাবে করোনাভাইরাস মৃদু থেকে তীব্র সংক্রমণের মাধ্যমে মানবদেহে বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে। যেখানে ফুসফুসের পাশাপাশি বৃক্ক, যকৃত, হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক প্রভৃতি একাধিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আক্রান্ত হতে পারে।

এসইউ/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৩,১৮,৫০,০৩৬
আক্রান্ত

৯,৭৬,৫৫৯
মৃত

২,৩৪,৪৯,৯০৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৫৩,৮৪৪ ৫,০৪৪ ২,৬২,৯৫৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭০,৯৮,৬৭৪ ২,০৫,৫০৩ ৪৩,৪৭,৪৯৪
ভারত ৫৬,৬৪,৫২৭ ৯০,২১০ ৪৬,০৩,৪২৪
ব্রাজিল ৪৫,৯৫,৩৩৫ ১,৩৮,১৫৯ ৩৯,৪৫,৬২৭
রাশিয়া ১১,২২,২৪১ ১৯,৭৯৯ ৯,২৩,৬৯৯
কলম্বিয়া ৭,৭৭,৫৩৭ ২৪,৫৭০ ৬,৫০,৮০১
পেরু ৭,৭৬,৫৪৬ ৩১,৫৮৬ ৬,২৯,০৯৪
মেক্সিকো ৭,০৫,২৬৩ ৭৪,৩৪৮ ৫,০৬,৭৩২
স্পেন ৬,৮২,২৬৭ ৩০,৯০৪ ১,৯৬,৯৫৮
১০ দক্ষিণ আফ্রিকা ৬,৬৩,২৮২ ১৬,১১৮ ৫,৯২,৯০৪
১১ আর্জেন্টিনা ৬,৫২,১৭৪ ১৩,৯৫২ ৫,১৭,২২৮
১২ ফ্রান্স ৪,৬৮,০৬৯ ৩১,৪১৬ ৯৩,৫৩৮
১৩ চিলি ৪,৪৮,৫২৩ ১২,৩২১ ৪,২৩,১৭৬
১৪ ইরান ৪,৩২,৭৯৮ ২৪,৮৪০ ৩,৬৫,৮৪৬
১৫ যুক্তরাজ্য ৪,০৩,৫৫১ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৬ সৌদি আরব ৩,৩০,৭৯৮ ৪,৫৪২ ৩,১২,৬৮৪
১৭ ইরাক ৩,২৭,৫৮০ ৮,৬৮২ ২,৬১,৭৫৭
১৮ পাকিস্তান ৩,০৭,৪১৮ ৬,৪৩২ ২,৯৩,৯১৬
১৯ তুরস্ক ৩,০৬,৩০২ ৭,৬৩৯ ২,৬৯,৬৯৬
২০ ইতালি ৩,০০,৮৯৭ ৩৫,৭৩৮ ২,১৯,৬৭০
২১ ফিলিপাইন ২,৯৪,৫৯১ ৫,০৯১ ২,৩১,৩৭৩
২২ জার্মানি ২,৭৭,৬২২ ৯,৪৯৬ ২,৪৭,৯০০
২৩ ইন্দোনেশিয়া ২,৫৭,৩৮৮ ৯,৯৭৭ ১,৮৭,৯৫৮
২৪ ইসরায়েল ২,০০,০৪১ ১,৩১৬ ১,৪৪,৪০১
২৫ ইউক্রেন ১,৮৪,৭৩৪ ৩,৭০৫ ৮১,৬৭০
২৬ কানাডা ১,৪৬,৬৬৩ ৯,২৩৪ ১,২৬,৯০৪
২৭ বলিভিয়া ১,৩১,৪৫৩ ৭,৬৯৩ ৯০,৮৫৩
২৮ ইকুয়েডর ১,২৭,৬৪৩ ১১,১২৬ ১,০২,৮৫২
২৯ কাতার ১,২৪,১৭৫ ২১২ ১,২১,০০৬
৩০ রোমানিয়া ১,১৬,৪১৫ ৪,৫৫০ ৯৩,৫৫৮
৩১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,০৯,২৬৯ ২,০৬৪ ৮২,৭৪১
৩২ কাজাখস্তান ১,০৭,৪৫০ ১,৬৯৯ ১,০২,০৬৪
৩৩ পানামা ১,০৭,২৮৪ ২,২৮৫ ৮৩,৩১৮
৩৪ মরক্কো ১,০৫,৩৪৬ ১,৮৮৯ ৮৫,৮৮৩
৩৫ বেলজিয়াম ১,০৫,২২৬ ৯,৯৯৬ ১৯,০৩৯
৩৬ মিসর ১,০২,২৫৪ ৫,৮০৬ ৯১,১৪৩
৩৭ কুয়েত ১,০১,২৯৯ ৫৯০ ৯২,৩৪১
৩৮ নেদারল্যান্ডস ১,০০,৫৯৭ ৬,২৯৬ ২৫০
৩৯ ওমান ৯৫,৩৩৯ ৮৭৫ ৮৬,৪৮২
৪০ সুইডেন ৮৯,৭৫৬ ৫,৮৭৬ ৪,৯৭১
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৮৭,৫৩০ ৪০৬ ৭৬,৯৯৫
৪২ গুয়াতেমালা ৮৬,৬২৩ ৩,১৩৭ ৭৫,৮৬৯
৪৩ চীন ৮৫,৩০৭ ৪,৬৩৪ ৮০,৫০৫
৪৪ পোল্যান্ড ৮১,৬৭৩ ২,৩৪৪ ৬৫,৫৬১
৪৫ জাপান ৭৯,৪৩৮ ১,৫০৮ ৭১,৬৪৮
৪৬ বেলারুশ ৭৬,৩৫৭ ৭৯৬ ৭৩,৫৬৪
৪৭ হন্ডুরাস ৭২,৩০৬ ২,২০৬ ২৩,২৩০
৪৮ ইথিওপিয়া ৭০,৪২২ ১,১২৭ ২৮,৯৯১
৪৯ পর্তুগাল ৬৯,৬৬৩ ১,৯২৫ ৪৫,৯৭৪
৫০ ভেনেজুয়েলা ৬৮,৪৫৩ ৫৬৪ ৫৭,৭৭৪
৫১ নেপাল ৬৭,৮০৪ ৪৩৬ ৪৯,৯৫৪
৫২ কোস্টারিকা ৬৬,৬৮৯ ৭৬০ ২৫,৭০৬
৫৩ বাহরাইন ৬৬,৪০২ ২২৯ ৫৯,৩৬৭
৫৪ সিঙ্গাপুর ৫৭,৬৩৯ ২৭ ৫৭,২৬২
৫৫ নাইজেরিয়া ৫৭,৬১৩ ১,১০০ ৪৮,৮৩৬
৫৬ উজবেকিস্তান ৫৩,২৭৫ ৪৪৪ ৪৯,৬৪৯
৫৭ চেক প্রজাতন্ত্র ৫৩,১৫৮ ৫৩১ ২৬,১৫১
৫৮ সুইজারল্যান্ড ৫১,১০১ ২,০৬০ ৪২,১০০
৫৯ আলজেরিয়া ৫০,২১৪ ১,৬৮৯ ৩৫,৩০৭
৬০ আর্মেনিয়া ৪৭,৮৭৭ ৯৪২ ৪৩,০২৬
৬১ মলদোভা ৪৭,৪৪৬ ১,২৩০ ৩৫,৫৪২
৬২ ঘানা ৪৬,১১৬ ২৯৭ ৪৫,২৯০
৬৩ কিরগিজস্তান ৪৫,৬৩০ ১,৪৯৮ ৪১,৯০৪
৬৪ অস্ট্রিয়া ৩৯,৯৮৪ ৭৭৭ ৩০,৯৪৯
৬৫ আজারবাইজান ৩৯,৩৭৮ ৫৭৮ ৩৬,৯৪৯
৬৬ আফগানিস্তান ৩৯,১৪৫ ১,৪৪৬ ৩২,৬১০
৬৭ কেনিয়া ৩৭,২১৮ ৬৫৯ ২৪,১৪৭
৬৮ ফিলিস্তিন ৩৭,০৮৩ ২৭২ ২৬,২৮৮
৬৯ প্যারাগুয়ে ৩৪,৮২৮ ৭০৫ ১৯,২৫৭
৭০ আয়ারল্যান্ড ৩৩,৪৪৪ ১,৭৯২ ২৩,৩৬৪
৭১ সার্বিয়া ৩২,৯৯৯ ৭৪৩ ৩১,৫৩৬
৭২ লেবানন ৩০,৮৫২ ৩১৫ ১২,৮৭৮
৭৩ লিবিয়া ৩০,০৯৭ ৪৬৯ ১৬,৪৩০
৭৪ এল সালভাদর ২৭,৯৫৪ ৮১৯ ২২,১১৩
৭৫ অস্ট্রেলিয়া ২৬,৯৭৪ ৮৫৯ ২৪,৪১৬
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২৬,০৮১ ৭৯০ ১৮,৬৩৪
৭৭ ডেনমার্ক ২৪,৩৫৭ ৬৪৩ ১৮,৩৫৯
৭৮ দক্ষিণ কোরিয়া ২৩,২১৬ ৩৮৮ ২০,৬৫০
৭৯ ক্যামেরুন ২০,৫৯৮ ৪১৬ ১৯,১২৪
৮০ হাঙ্গেরি ২০,৪৫০ ৭০২ ৪,৬৪৪
৮১ আইভরি কোস্ট ১৯,৩৪৩ ১২০ ১৮,৬৮২
৮২ বুলগেরিয়া ১৯,১২৩ ৭৬৭ ১৩,৭৪৮
৮৩ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১৬,৮৬৭ ৭০৫ ১৪,০৮৪
৮৪ মাদাগাস্কার ১৬,১৬৭ ২২৬ ১৪,৭৮৮
৮৫ গ্রীস ১৫,৯২৮ ৩৫২ ৯,৯৮৯
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ১৫,৩৪০ ২৫৭ ১৩,৮১৫
৮৭ সেনেগাল ১৪,৭৯৫ ৩০৩ ১১,৭১৮
৮৮ জাম্বিয়া ১৪,৩৮৯ ৩৩১ ১৩,৬২৯
৮৯ সুদান ১৩,৫৭৮ ৮৩৬ ৬,৭৬০
৯০ নরওয়ে ১৩,১৫৩ ২৬৭ ১০,৩৭১
৯১ আলবেনিয়া ১২,৬৬৬ ৩৬৭ ৭,০৪২
৯২ তিউনিশিয়া ১২,৪৭৯ ১৭৪ ২,৩৮৬
৯৩ নামিবিয়া ১০,৬০৭ ১১৬ ৮,৩৫৯
৯৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১০,৫৩৭ ২৭১ ১০,০৪১
৯৫ মালয়েশিয়া ১০,৫০৫ ১৩৩ ৯,৬০২
৯৬ গিনি ১০,৩৮৭ ৬৫ ৯,৭৮০
৯৭ মালদ্বীপ ৯,৮১৮ ৩৪ ৮,৪৩৮
৯৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৯,৭৩৮ ৬৫ ৯,৪০০
৯৯ তাজিকিস্তান ৯,৪৭৫ ৭৪ ৮,২৪৪
১০০ ফিনল্যাণ্ড ৯,২৮৮ ৩৪৩ ৭,৮৫০
১০১ মন্টিনিগ্রো ৯,১৩৮ ১৪৬ ৫,৫৪৪
১০২ গ্যাবন ৮,৭০৪ ৫৪ ৭,৮৭৫
১০৩ হাইতি ৮,৬৩৩ ২২৩ ৬,৪৮২
১০৪ লুক্সেমবার্গ ৮,০১৬ ১২৪ ৭,১৪০
১০৫ জিম্বাবুয়ে ৭,৭১১ ২২৬ ৫,৯৭৯
১০৬ মৌরিতানিয়া ৭,৪০৩ ১৬১ ৭,০১১
১০৭ স্লোভাকিয়া ৭,২৬৯ ৪১ ৩,৮৮৮
১০৮ মায়ানমার ৭,১৭৭ ১২৯ ১,৯৫১
১০৯ মোজাম্বিক ৭,১১৪ ৪৫ ৪,০৬৪
১১০ উগান্ডা ৬,৮৭৯ ৬৯ ২,৯৬১
১১১ মালাউই ৫,৭৩৯ ১৭৯ ৪,০৬৫
১১২ জর্ডান ৫,৬৭৯ ৩৩ ৩,৭০৭
১১৩ জিবুতি ৫,৪০৭ ৬১ ৫,৩৩৮
১১৪ কেপ ভার্দে ৫,৩৩৭ ৫২ ৪,৭৪২
১১৫ ইসওয়াতিনি ৫,৩০৭ ১০৬ ৪,৬৭২
১১৬ জ্যামাইকা ৫,২৭০ ৭৫ ১,৪৪৪
১১৭ কিউবা ৫,২২২ ১১৭ ৪,৫০৬
১১৮ নিকারাগুয়া ৫,০৭৩ ১৪৯ ২,৯১৩
১১৯ হংকং ৫,০৫০ ১০৩ ৪,৭৪৯
১২০ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০১৮ ৮৩ ৪,৫০৯
১২১ কঙ্গো ৫,০০২ ১১৪ ৩,৮৮৭
১২২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮০২ ৬২ ১,৮৩০
১২৩ সুরিনাম ৪,৭৫৯ ১০০ ৪,৫৪১
১২৪ রুয়ান্ডা ৪,৭৩৮ ২৭ ২,৯৯১
১২৫ স্লোভেনিয়া ৪,৬৯৪ ১৪৩ ৩,১৬৮
১২৬ গুয়াদেলৌপ ৪,৪৮৭ ৪২ ২,১৯৯
১২৭ অ্যাঙ্গোলা ৪,২৩৬ ১৫৫ ১,৪৬২
১২৮ জর্জিয়া ৪,১৪০ ২৫ ১,৬৪৩
১২৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৪,০২৬ ৬৫ ১,৮৭১
১৩০ লিথুনিয়া ৩,৯৩২ ৮৭ ২,২৪৬
১৩১ সিরিয়া ৩,৮৭৭ ১৭৮ ৯৮৩
১৩২ আরুবা ৩,৬৬৫ ২৫ ২,৪২৬
১৩৩ মায়োত্তে ৩,৫৪১ ৪০ ২,৯৬৪
১৩৪ গাম্বিয়া ৩,৫৪০ ১১০ ২,০০২
১৩৫ থাইল্যান্ড ৩,৫১৪ ৫৯ ৩,৩৪৫
১৩৬ বাহামা ৩,৪৬৭ ৭৭ ১,৮৭১
১৩৭ সোমালিয়া ৩,৪৬৫ ৯৮ ২,৮৭৭
১৩৮ রিইউনিয়ন ৩,৪১৫ ১৫ ২,৪৮২
১৩৯ শ্রীলংকা ৩,৩১৫ ১৩ ৩,১২৯
১৪০ এস্তোনিয়া ৩,০৩৩ ৬৯ ২,৩৮৭
১৪১ মালি ৩,০৩০ ১২৯ ২,৩৮০
১৪২ মালটা ২,৮৫৬ ২৫ ২,১৭৩
১৪৩ দক্ষিণ সুদান ২,৬৬০ ৪৯ ১,২৯০
১৪৪ বতসোয়ানা ২,৫৬৭ ১৩ ৬২৪
১৪৫ আইসল্যান্ড ২,৪৭৬ ১০ ২,১৪২
১৪৬ গায়ানা ২,৪৩৭ ৬৭ ১,৩৬১
১৪৭ গিনি বিসাউ ২,৩২৪ ৩৯ ১,৫৪৯
১৪৮ বেনিন ২,২৯৪ ৪০ ১,৯৫৪
১৪৯ সিয়েরা লিওন ২,১৭৪ ৭২ ১,৬৫২
১৫০ ইয়েমেন ২,০২৮ ৫৮৬ ১,২৪০
১৫১ উরুগুয়ে ১,৯৩৪ ৪৬ ১,৬৪৫
১৫২ বুর্কিনা ফাঁসো ১,৯০৭ ৫৬ ১,২৫২
১৫৩ নিউজিল্যান্ড ১,৮২৪ ২৫ ১,৭৩৭
১৫৪ টোগো ১,৬৮৩ ৪১ ১,২৯০
১৫৫ এনডোরা ১,৬৮১ ৫৩ ১,১৯৯
১৫৬ বেলিজ ১,৬৩৫ ২১ ৯৬৭
১৫৭ সাইপ্রাস ১,৬১৮ ২২ ১,৩৬৯
১৫৮ লাটভিয়া ১,৫৭২ ৩৬ ১,২৪৮
১৫৯ লেসোথো ১,৪২৪ ৩৩ ৭৫৪
১৬০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১,৩৯৪ ১,১৭০
১৬১ লাইবেরিয়া ১,৩৩৬ ৮২ ১,২১৮
১৬২ মার্টিনিক ১,২৯০ ২০ ৯৮
১৬৩ নাইজার ১,১৯৩ ৬৯ ১,১০৪
১৬৪ চাদ ১,১৫৫ ৮১ ৯৬৭
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,০৬৯ ৩৫ ৯৯১
১৬৬ সান ম্যারিনো ৭৩৫ ৪৫ ৬৬৯
১৬৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৭২ ৫৮১
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬৫২ ৪৮ ৫৭৫
১৭০ সিন্ট মার্টেন ৫৯৪ ২০ ৫১২
১৭১ পাপুয়া নিউ গিনি ৫২৭ ২৩২
১৭২ তাইওয়ান ৫০৯ ৪৮০
১৭৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৪ বুরুন্ডি ৪৭৪ ৪৬২
১৭৫ কমোরস ৪৭০ ৪৫৩
১৭৬ ফারে আইল্যান্ড ৪৫১ ৪১৬
১৭৭ মরিশাস ৩৬৭ ১০ ৩৩৯
১৭৮ ইরিত্রিয়া ৩৬৪ ৩০৯
১৭৯ জিব্রাল্টার ৩৫৭ ৩২৪
১৮০ আইল অফ ম্যান ৩৪০ ২৪ ৩১২
১৮১ সেন্ট মার্টিন ৩৩০ ২০৬
১৮২ মঙ্গোলিয়া ৩১৩ ৩০২
১৮৩ কিউরাসাও ২৯১ ১০৩
১৮৪ কম্বোডিয়া ২৭৫ ২৭৪
১৮৫ ভুটান ২৬১ ১৯৫
১৮৬ কেম্যান আইল্যান্ড ২১০ ২০৫
১৮৭ মোনাকো ১৯৭ ১৬৩
১৮৮ বার্বাডোস ১৮৯ ১৭৩
১৮৯ বারমুডা ১৮০ ১৬৬
১৯০ ব্রুনাই ১৪৫ ১৪২
১৯১ সিসিলি ১৪৩ ১৩৬
১৯২ লিচেনস্টেইন ১১৬ ১১০
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯৬ ৯২
১৯৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৬৯ ৪৮
১৯৫ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৬৯ ২১
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৪ ৬৪
১৯৭ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৮ ফিজি ৩২ ২৮
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ২৭ ২৬
২০০ পূর্ব তিমুর ২৭ ২৭
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৬ ২৬
২০২ ডোমিনিকা ২৪ ১৮
২০৩ গ্রেনাডা ২৪ ২৪
২০৪ লাওস ২৩ ২২
২০৫ সেন্ট বারথেলিমি ২৩ ১৬
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৭
২০৭ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৮ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১১
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]