করোনা আক্রান্ত শিশুদের শরীরে যে জটিলতা দেখা দেয়

ডা. হিমেল ঘোষ
ডা. হিমেল ঘোষ ডা. হিমেল ঘোষ , চিকিৎসক
প্রকাশিত: ১১:২৭ এএম, ২৫ আগস্ট ২০২০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ কেউই নিস্তার পাচ্ছেন না। প্রাথমিকভাবে ভাইরাসটি মানবসভ্যতার কাছে অজানা হওয়ায় সংক্রমণের গতি-প্রকৃতি, জটিলতা, প্রতিকার প্রভৃতি সম্পর্কে বিশদ ধারণা ছিল না। পরবর্তীতে যেমন কোভিড-১৯ এর নতুন নতুন রূপভেদ, লক্ষণ, জটিলতা ইত্যাদি শনাক্ত হয়েছে; তেমনি এর প্রতিরোধকল্পে সর্বাধিক কার্যকর ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টাও চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। একেবারে শুরুর দিকে ধারণা করা হয়েছিল, সংক্রমণটি প্রধানত বয়স্কদেরই হয়ে থাকে এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রেই বিভিন্ন জটিল রূপ ধারণ করে। কিন্তু পরবর্তীকালে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই করোনাভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে এবং শিশুদের ক্ষেত্রেও সংক্রমণজনিত নানাবিধ জটিলতা তৈরি করতে পারে। মাল্টি সিস্টেম ইনফ্লামেটরি সিন্ড্রোম-সি হলো শিশুদের করোনাভাইরাস সংক্রমণের এমনই একটি দুর্লভ কিন্তু জটিলতর রূপ। তবে সব করোনা সংক্রমিত শিশুরই যে এ ধরনের জটিলতা দেখা দেয়, বিষয়টি কিন্তু এমন নয়। কী কী কারণে কোনো কোনো করোনা সংক্রমিত শিশু মাল্টি সিস্টেম ইনফ্লামেটরি সিন্ড্রোমে আক্রান্ত হচ্ছে, তা নিয়ে এখনো বিস্তর গবেষণা চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, ভাইরাস আক্রমণের পর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা একটু দেরিতে এবং প্রয়োজনের অত্যধিক আকস্মিকভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠার কারণে কোনো কোনো শিশুর শরীরে এ ধরনের বিরল ও বিপজ্জনক জটিলতা দেখা যাচ্ছে। এ জটিলতায় আক্রান্ত মুষ্টিমেয় কিছু শিশুকে নিবিড় পরিচর্যায় রাখারও প্রয়োজন পড়ছে।

এ ধরনের জটিলতার জন্য সাম্প্রতিক কিংবা চলতি সময়ে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত শিশুর শরীরের দুই বা ততোধিক অঙ্গ যেমন- হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, মস্তিষ্ক, বৃক্ক, চোখ, পরিপাকঅঙ্গ, চামড়া ইত্যাদিতে প্রদাহ দেখা দেয় এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা যেমন- সিআরপি, ইএসআর, ফেরিটিন, প্রোক্যালসিটোনিন, ডি-ডাইমার ইত্যাদির মাধ্যমেও এ প্রদাহের উপস্থিতি প্রমাণ করা যায়। অথবা কোনো শিশু যদি বিগত চার সপ্তাহের মাঝে কোনো সম্ভাব্য কিংবা নিশ্চিত করোনা সংক্রমিত রোগির সংস্পর্শে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করে এবং বিভিন্ন অঙ্গে এ ধরনের প্রদাহের লক্ষণ দেখা যায়, তবে সেই শিশুও মাল্টি সিস্টেম ইনফ্লামেটরি সিন্ড্রোমে আক্রান্ত বলে ধারণা করা যায়। সাধারণত পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু থেকে ষোলো বছর বয়সী টিনএজার পর্যন্ত জটিলতার এ নতুন ধারাটি পরিলক্ষিত করা হয়েছে।

jagonews24

জটিলতার প্রধান উপসর্গ হিসাবে দেখা যায় জ্বর। বিগত ২৪ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় যাবত শিশুর শরীরের তাপমাত্রা ক্রমাগত ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি থাকে। পাশাপাশি শিশু অত্যধিক দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ঘাড়ে ব্যথা, তীব্র পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, বমি, শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি, অচৈতন্য, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভব করা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চামড়ায় লাল লাল ছোপ দেখা যাওয়া, মুখমণ্ডল ও ঠোঁট নীলাভ হয়ে যাওয়া, ঠোঁট শুষ্ক হয়ে ফেটে যাওয়া, ঘাড়ের লসিকাগ্রন্থিগুলো ফুলে ওঠা, শরীর ফুলে যাওয়া, হৃৎপিণ্ড বড় হয়ে যাওয়া ইত্যাদি নানা উপসর্গে আক্রান্ত হতে পারে। আরও একটি উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো, জটিলতায় আক্রান্ত বেশিরভাগ শিশুরই ‘কোভিড লাং’ তথা করোনা জনিত শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা তেমন একটা থাকে না। তবে মাল্টি সিস্টেম ইনফ্লামেটরি সিন্ড্রোম-সি নামক এ জটিলতায় আক্রান্ত সব শিশুরই যে একই উপসর্গ দেখা দেবে তা কিন্তু নয়, আবার একজন শিশুর যে সব উপসর্গই দেখা দেবে এমনটাও নয়। রক্তপরীক্ষায় রক্তে নিউট্রোফিল, ল্যাকটিক এসিড ও এলডিএইচ এনজাইমের পরিমাণ বৃদ্ধি, এলবুমিন নামক প্রোটিন ও লিম্ফোসাইটের পরিমাণ হ্রাস পাওয়া ইত্যাদি বিষয় শনাক্ত করা যায়। আবার এক্স-রে, ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাফি ইত্যাদি পরীক্ষায় হৃৎপিণ্ড বিকলের উপস্থিতিও নিশ্চিত হতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাওয়াসাকি রোগের সাথেও মাল্টি সিস্টেম ইনফ্লামেটরি সিন্ড্রোমের মিল খুঁজে পাওয়া গেছে, যেমন উভয় ক্ষেত্রেই হৃৎপিণ্ডে রক্তসংবহনকারী করোনারি ধমনি প্রদাহজনিত কারণে ফুলে ওঠে। এজন্য এ জটিলতাকে কোনো কোনো বিজ্ঞানী কাওয়াসাকি ডিজিজ শক সিন্ড্রোম নামেও অভিহিত করেছেন।

তবে আশার কথা এই, যেসব শিশু এ জটিলতার শিকার হয়েছে, তাদের বেশিরভাগই চিকিৎসায় সাড়া দিয়েছে এবং তারা সুস্থ হয়ে গেছে। আপনার শিশুর যদি এ ধরনের কোনো উপসর্গ দেখা যায়, তবে দেরি না করে যতদ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক সময় বিভিন্ন জটিল ক্ষেত্রে বাচ্চাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রেও ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে। সময়মত যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা না করতে পারলে শিশুর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এ জটিলতার চিকিৎসায় বিভিন্ন সাপোর্টিভ চিকিৎসা যেমন- শরীরে তরলের ঘাটতি পূরণ ও শিশুর শ্বাসকার্যে সহায়তার পাশাপাশি প্রদাহ কমানোর জন্য ইমিউনোগ্লোবিউলিন ও স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধেরও প্রয়োজন হতে পারে। পাশাপাশি হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনি আক্রান্ত হলে অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ প্রয়োগের প্রয়োজন হয়।

তাই দুশ্চিন্তা না করে সময়মত সঠিক চিকিৎসাই পারে এ জটিলতা থেকে শিশুকে সুস্থ করতে। পাশাপাশি শিশু যেন করোনা সংক্রমিত না হতে পারে সেজন্য কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিন। শিশুকে নিয়ে বাইরে অযথা ঘোরাঘুরি থেকে বিরত থাকুন। শিশুকে কোলে নেওয়ার পূর্বে ভালো করে হাত ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। পরিবারের কেউ করোনা সংক্রমিত হয়ে থাকলে বাড়ির শিশুকে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে পৃথক রাখুন। কোনো প্রয়োজনে বাইরে বের হতে হলে বারো বছরের বেশি বয়সী শিশুদের অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করুন। সম্ভব হলে বারো বছরের নিচের শিশুদের ‘বেবি মাস্ক’ ব্যবহার করতে উৎসাহিত করুন। নির্দিষ্ট সময় পরপর সাবান-পানি দিয়ে শিশুর হাত পরিষ্কার করে ধুয়ে দিন। বাসায় যেসব জিনিস বারবার ধরা হয়, যেমন- দরজার হাতল, সুইচ, লিফটের বাটন, সিঁড়ির রেলিং, চেয়ারের হাতল প্রভৃতি প্রতিদিন জীবাণুনাশক স্প্রে ব্যবহার করে জীবাণুমুক্ত করুন। শিশুদের খেলার সামগ্রীও এ জীবাণুমুক্তকরণের আওতায় আসবে।

jagonews24

সর্বোপরি নিজে এবং শিশুসহ পরিবারের সবাইকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উৎসাহিত করুন। তাহলেই শিশুদের করোনাসহ এ মাল্টি সিস্টেম ইনফ্লামেটরি সিন্ড্রোম-সি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। সুস্থ থাকুন, করোনামুক্ত থাকুন।

> আরও পড়ুন-
প্রতিমুহূর্তে জীবাণুনাশক কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
করোনা: শিশুর প্রতি খেয়াল রাখবেন যেভাবে
বাইরে যাওয়ার আগে ভয়ঙ্কর তথ্যগুলো জেনে নিন
করোনা আক্রান্ত হলে কী করবেন?
কোনো উপসর্গ নেই, তবু করোনা হতে পারে?
করোনা: সুস্থ হওয়ার পরও আক্রান্ত হতে পারেন

এসইউ/এএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৩,৮৮,১৩,৫০৫
আক্রান্ত

২৯,৮৪,৭০১
মৃত

১১,১৫,৯৮,৭৫৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৭,০৩,১৭০ ৯,৯৮৭ ৫,৯১,২৯৯
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,২১,৪৭,৫৫১ ৫,৭৮,০১৪ ২,৪৬,৯৫,০৫৪
ভারত ১,৪০,৭০,৮৯০ ১,৭৩,১৫২ ১,২৪,২৬,১৪৬
ব্রাজিল ১,৩৬,৭৭,৫৬৪ ৩,৬২,১৮০ ১,২১,৭০,৭৭১
ফ্রান্স ৫১,৪৯,৮৩৪ ৯৯,৭৭৭ ৩,১৫,১৫২
রাশিয়া ৪৬,৬৬,২০৯ ১,০৪,০০০ ৪২,৯১,২২৩
যুক্তরাজ্য ৪৩,৭৮,৩০৫ ১,২৭,১৬১ ৪০,০০,৭৭৭
তুরস্ক ৪০,২৫,৫৫৭ ৩৪,৭৩৪ ৩৪,৮০,১৪৬
ইতালি ৩৮,০৯,১৯৩ ১,১৫,৫৫৭ ৩১,৭৮,৯৭৬
১০ স্পেন ৩৩,৮৭,০২২ ৭৬,৭৫৬ ৩১,১৮,৪৩৭
১১ জার্মানি ৩০,৬৪,৩৮২ ৭৯,৮১৩ ২৭,১৮,৭০০
১২ পোল্যান্ড ২৬,২১,১১৬ ৫৯,৯৩০ ২২,২৯,৮০১
১৩ আর্জেন্টিনা ২৬,০৪,১৫৭ ৫৮,৫৪২ ২২,৭৮,৪৮৬
১৪ কলম্বিয়া ২৫,৮৫,৮০১ ৬৬,৮১৯ ২৪,১৯,২৬৫
১৫ মেক্সিকো ২২,৮৬,১৩৩ ২,১০,২৯৪ ১৮,১৫,২৩৭
১৬ ইরান ২১,৪৩,৭৯৪ ৬৫,৩৫৯ ১৭,৩৯,০০২
১৭ ইউক্রেন ১৮,৮৭,৩৩৮ ৩৮,২২৫ ১৪,৪২,৬১৮
১৮ পেরু ১৬,৬৭,৭৩৭ ৫৫,৮১২ ১৫,৯২,৯৩৭
১৯ চেক প্রজাতন্ত্র ১৫,৯০,১২৪ ২৮,১২৪ ১৪,৮০,৮৮২
২০ ইন্দোনেশিয়া ১৫,৮৩,১৮২ ৪২,৯০৬ ১৪,৩১,৮৯২
২১ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫,৬১,৫৫৯ ৫৩,৪৯৮ ১৪,৮৬,৮৭৩
২২ নেদারল্যান্ডস ১৩,৬৯,৪১১ ১৬,৮৪৮ ২৫০
২৩ চিলি ১০,৯৪,২৬৭ ২৪,৫৪৮ ১০,২৬,৯৩৪
২৪ কানাডা ১০,৮৭,১৫২ ২৩,৪৪৫ ৯,৮৩,৫০৬
২৫ রোমানিয়া ১০,১৬,৪৪৯ ২৫,৬০৫ ৯,২০,৬৫৩
২৬ ইরাক ৯,৪৯,০৫০ ১৪,৮৩৬ ৮,৩১,৫১৯
২৭ বেলজিয়াম ৯,৩০,৬০৩ ২৩,৫৬৬ ৫৯,৯৬৪
২৮ ফিলিপাইন ৮,৯২,৮৮০ ১৫,৪৪৭ ৭,০৪,৩৮৬
২৯ সুইডেন ৮,৮৫,৩৮৫ ১৩,৭২০ ৪,৯৭১
৩০ ইসরায়েল ৮,৩৬,৫০৪ ৬,৩১২ ৮,২৭,১৮৪
৩১ পর্তুগাল ৮,২৮,৮৫৭ ১৬,৯৩১ ৭,৮৬,৪৬৯
৩২ পাকিস্তান ৭,৩৪,৪২৩ ১৫,৭৫৪ ৬,৪১,৯১২
৩৩ হাঙ্গেরি ৭,৩১,৬৭৫ ২৪,২৬৫ ৪,৩৫,৩৪৪
৩৪ জর্ডান ৬,৭৬,১৭৫ ৭,৯৮৭ ৬,১৭,০৯৬
৩৫ সার্বিয়া ৬,৫১,৮৯৯ ৫,৮৪৬ ৫,৭১,৩১২
৩৬ সুইজারল্যান্ড ৬,২৭,৯৬৮ ১০,৪৮৮ ৫,৬৩,৪৩৮
৩৭ অস্ট্রিয়া ৫,৮৪,২০৫ ৯,৭৭৯ ৫,৪৪,৯৮৯
৩৮ জাপান ৫,১২,১৬৯ ৯,৪৬৯ ৪,৭১,০০৭
৩৯ মরক্কো ৫,০৩,৬৬৪ ৮,৯২০ ৪,৮৯,৯২৮
৪০ লেবানন ৫,০২,২৯৯ ৬,৭৭৮ ৪,১৩,১৭৫
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪,৮৯,৪৯৫ ১,৫৪১ ৪,৭৩,৩৯৮
৪২ সৌদি আরব ৪,০১,১৫৭ ৬,৭৮১ ৩,৮৫,৪৪১
৪৩ বুলগেরিয়া ৩,৮০,৫৭৬ ১৪,৮৭১ ২,৯৬,৯৯৮
৪৪ স্লোভাকিয়া ৩,৭৩,১০৭ ১০,৭৯৮ ২,৫৫,৩০০
৪৫ মালয়েশিয়া ৩,৬৫,৮২৯ ১,৩৫৩ ৩,৪৭,৭৮০
৪৬ পানামা ৩,৫৯,৫১৬ ৬,১৭৭ ৩,৪৯,৩১৮
৪৭ ইকুয়েডর ৩,৫০,৫৩৯ ১৭,৪০০ ২,৯৮,৬০৪
৪৮ বেলারুশ ৩,৩৮,৮০১ ২,৩৮৩ ৩,২৯,১৩৫
৪৯ গ্রীস ৩,০৪,১৮৪ ৯,১৩৫ ২,৬১,১৭৬
৫০ ক্রোয়েশিয়া ২,৯৭,৯৭৩ ৬,৩৯৯ ২,৭৭,৬৯৪
৫১ আজারবাইজান ২,৯১,৮৯৪ ৪,০০৯ ২,৫৫,৮৩৩
৫২ জর্জিয়া ২,৯১,২১৪ ৩,৯০১ ২,৭৮,৬৮৩
৫৩ বলিভিয়া ২,৮৪,১৮৩ ১২,৪৯৬ ২,৩৩,৬৪৬
৫৪ নেপাল ২,৮১,৫৬৪ ৩,০৬১ ২,৭৪,৪৪৭
৫৫ তিউনিশিয়া ২,৭৬,৭২৭ ৯,৪৮০ ২,২৯,৭৫৪
৫৬ কাজাখস্তান ২,৭৬,০৫৪ ৩,২৮৬ ২,৩৭,৪৪৬
৫৭ ফিলিস্তিন ২,৭৪,৬৯০ ২,৯২৩ ২,৩৯,২৯১
৫৮ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,৫৯,২৬০ ৩,৪০২ ২,১৭,২৮৬
৫৯ কুয়েত ২,৫১,৬৭৫ ১,৪২৩ ২,৩৫,০৫৩
৬০ মলদোভা ২,৪৩,৩৬৫ ৫,৪৬৬ ২,২৬,৩২৫
৬১ আয়ারল্যান্ড ২,৪২,১০৫ ৪,৮১২ ২৩,৩৬৪
৬২ প্যারাগুয়ে ২,৪০,১৪১ ৪,৯৭৮ ১,৯৬,৭১৮
৬৩ ডেনমার্ক ২,৩৯,৫৩২ ২,৪৪৭ ২,২৮,৬৮৫
৬৪ ইথিওপিয়া ২,৩৪,৪০৫ ৩,২৫২ ১,৭৪,৫৯১
৬৫ লিথুনিয়া ২,২৯,২৬০ ৩,৭১৮ ২,০৮,১২৩
৬৬ স্লোভেনিয়া ২,২৯,০৭৬ ৪,১৩৫ ২,১১,৪৮৫
৬৭ কোস্টারিকা ২,২৫,৩৪৩ ৩,০৪৪ ১,৯৬,০৬০
৬৮ মিসর ২,১২,৯৬১ ১২,৫৭০ ১,৬১,০৩১
৬৯ গুয়াতেমালা ২,০৭,১২৭ ৭,০৮৯ ১,৮৭,৮৯৪
৭০ আর্মেনিয়া ২,০৫,১২৮ ৩,৭৯৪ ১,৮৪,২৪৩
৭১ হন্ডুরাস ১,৯৬,৭০৪ ৪,৮৭৩ ৭৬,০৮১
৭২ কাতার ১,৯২,৯৬৩ ৩৪৮ ১,৭১,৩৮৮
৭৩ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১,৮৬,৩৭২ ৭,৬৪২ ১,৪৩,৯৪৪
৭৪ ভেনেজুয়েলা ১,৭৬,৯৭২ ১,৮১৫ ১,৫৯,৫৪৭
৭৫ ওমান ১,৭৫,৬৩৩ ১,৮০৭ ১,৫৫,৬৪৫
৭৬ লিবিয়া ১,৭০,০৪৫ ২,৮৩৪ ১,৫৫,১১৭
৭৭ নাইজেরিয়া ১,৬৪,০০০ ২,০৬১ ১,৫৪,২৭০
৭৮ বাহরাইন ১,৫৯,৯৬৪ ৫৬৯ ১,৪৮,০৯৩
৭৯ উরুগুয়ে ১,৪৯,৪৩০ ১,৫৯৫ ১,১৬,৫৩৩
৮০ কেনিয়া ১,৪৮,১২৮ ২,৪২০ ৯৯,৫৮০
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৪৪,১১১ ৪,৩২২ ১,১৯,৬৮৩
৮২ মায়ানমার ১,৪২,৬০৫ ৩,২০৬ ১,৩১,৮৭৪
৮৩ আলবেনিয়া ১,২৮,৯৫৯ ২,৩৩১ ৯৯,৪৪১
৮৪ আলজেরিয়া ১,১৮,৯৭৫ ৩,১৪১ ৮২,৯২৯
৮৫ এস্তোনিয়া ১,১৫,৬২৯ ১,০৫৭ ৯৭,৮৮৯
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ১,১১,৪১৯ ১,৭৮২ ১,০১,৯৮৩
৮৭ লাটভিয়া ১,০৯,০৮৮ ২,০১৯ ৯৯,৮৪০
৮৮ নরওয়ে ১,০৫,৬০৭ ৭০৬ ৮৮,৯৫২
৮৯ শ্রীলংকা ৯৫,৭১৯ ৬০২ ৯২,১৫১
৯০ মন্টিনিগ্রো ৯৪,৮৫৯ ১,৪০৫ ৮৯,৬১৫
৯১ ঘানা ৯১,৪৭৭ ৭৬৩ ৮৯,৩০১
৯২ কিরগিজস্তান ৯০,৮৩৯ ১,৫৩৪ ৮৬,৩১৩
৯৩ চীন ৯০,৪৪৭ ৪,৬৩৬ ৮৫,৫১৩
৯৪ জাম্বিয়া ৯০,৩৮৯ ১,২২৯ ৮৮,২৪১
৯৫ কিউবা ৮৯,৪০৪ ৪৮৭ ৮৪,১১৪
৯৬ উজবেকিস্তান ৮৫,৫০৩ ৬৩৪ ৮৩,২৬৪
৯৭ ফিনল্যাণ্ড ৮২,৯৬৪ ৮৮১ ৪৬,০০০
৯৮ মোজাম্বিক ৬৮,৯২৭ ৭৯৪ ৫৯,৯৭২
৯৯ এল সালভাদর ৬৬,৮১৬ ২,০৫৭ ৬৩,১৯৬
১০০ লুক্সেমবার্গ ৬৪,৩৩৪ ৭৮৪ ৬০,২০৩
১০১ ক্যামেরুন ৬১,৭৩১ ৯১৯ ৫৬,৯২৬
১০২ সিঙ্গাপুর ৬০,৭১৯ ৩০ ৬০,৩৯২
১০৩ আফগানিস্তান ৫৭,৫৩৪ ২,৫৩৩ ৫২,০২২
১০৪ সাইপ্রাস ৫৩,২৫৪ ২৭৭ ৩৯,০৬১
১০৫ নামিবিয়া ৪৬,০৫১ ৫৯২ ৪৪,১৬২
১০৬ আইভরি কোস্ট ৪৫,৩৮৮ ২৭১ ৪৪,৮৩৩
১০৭ বতসোয়ানা ৪৩,৪৪৪ ৬৬৩ ৩৮,৯২৩
১০৮ জ্যামাইকা ৪৩,০৫৪ ৬৯২ ১৯,২৪৮
১০৯ উগান্ডা ৪১,২৩৭ ৩৩৮ ৪০,৭৭৯
১১০ সেনেগাল ৩৯,৫৬০ ১,০৮৪ ৩৮,২৯০
১১১ জিম্বাবুয়ে ৩৭,৩৬৯ ১,৫৪৮ ৩৪,৯৪৬
১১২ থাইল্যান্ড ৩৫,৯১০ ৯৭ ২৮,৩২২
১১৩ মালাউই ৩৩,৮৯১ ১,১৩৪ ৩১,৬৭৫
১১৪ সুদান ৩১,৭৯০ ২,২০৮ ২৫,৫৩৯
১১৫ মালটা ২৯,৭৭৮ ৪০৩ ২৮,৭৯৭
১১৬ অস্ট্রেলিয়া ২৯,৪৪২ ৯১০ ২৬,৩৮০
১১৭ মাদাগাস্কার ২৯,৩৪৮ ৫২০ ২৪,৬৯৫
১১৮ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২৮,৭১৪ ৭৪৫ ২৫,৮৪১
১১৯ মালদ্বীপ ২৫,৮৪৪ ৬৭ ২৩,১৪১
১২০ অ্যাঙ্গোলা ২৩,৮৪১ ৫৫৭ ২২,১৪৪
১২১ রুয়ান্ডা ২৩,৬৭২ ৩১৭ ২১,৫৯৪
১২২ গ্যাবন ২১,৫৬৬ ১৩২ ১৮,২১৯
১২৩ গিনি ২১,২৯৯ ১৩৬ ১৮,৮১৫
১২৪ সিরিয়া ২০,৫৫৫ ১,৪০২ ১৪,৩৩৫
১২৫ মায়োত্তে ১৯,৭৫৭ ১৬৮ ২,৯৬৪
১২৬ কেপ ভার্দে ১৯,৫২৫ ১৮৮ ১৭,৬৪৫
১২৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৮,৬৭৮ ১৪১ ৪,৮৪২
১২৮ রিইউনিয়ন ১৮,৪২৫ ১৩৫ ১৬,৭৯৪
১২৯ ইসওয়াতিনি ১৮,৪০৭ ৬৭০ ১৭,৬৮২
১৩০ মৌরিতানিয়া ১৮,০৬৬ ৪৫২ ১৭,৪২৮
১৩১ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১৭,৮৮৩ ৯৫ ৯,৯৯৫
১৩২ মঙ্গোলিয়া ১৭,৮২৩ ২৯ ১০,২৫৩
১৩৩ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৩৪ বুর্কিনা ফাঁসো ১৩,০৫০ ১৫৪ ১২,৬৮৯
১৩৫ হাইতি ১২,৮৫৫ ২৫১ ১১,৫১৩
১৩৬ সোমালিয়া ১২,৮৩৭ ৬৫৬ ৫,৩৪৬
১৩৭ গুয়াদেলৌপ ১২,৭১৭ ১৭৬ ২,২৪২
১৩৮ এনডোরা ১২,৬৪১ ১২১ ১১,৯৮৯
১৩৯ বেলিজ ১২,৫১৩ ৩১৮ ১২,১৩৭
১৪০ মালি ১২,৪৬৭ ৪১৯ ৭,২৩৮
১৪১ টোগো ১২,২১৪ ১১৭ ৯,৫৪৩
১৪২ হংকং ১১,৬১৩ ২০৯ ১১,২৩৭
১৪৩ কিউরাসাও ১১,৪৩০ ৭৪ ৭,১৮৯
১৪৪ গায়ানা ১১,২৭৭ ২৫৮ ৯,৭৯৬
১৪৫ লেসোথো ১০,৭০৯ ৩১৫ ৫,০২৮
১৪৬ দক্ষিণ সুদান ১০,৪০৩ ১১৪ ১০,১৪৮
১৪৭ জিবুতি ১০,২০২ ১০৬ ৮,৫৯১
১৪৮ আরুবা ১০,১২২ ৯২ ৯,৫১৫
১৪৯ কঙ্গো ১০,০৮৪ ১৩৭ ৮,২০৮
১৫০ মার্টিনিক ৯,৮৯০ ৬৪ ৯৮
১৫১ বাহামা ৯,৫০৫ ১৯০ ৮,৯৬৫
১৫২ সুরিনাম ৯,৪১৭ ১৮৪ ৮,৭২৫
১৫৩ পাপুয়া নিউ গিনি ৮,৯৮৪ ৭১ ৮৪৬
১৫৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৮,৫৯৬ ১৪৮ ৭,৮১৮
১৫৫ বেনিন ৭,৬১১ ৯৫ ৬,৭২৮
১৫৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৭,২৫৯ ১০৬ ৬,৮৮৫
১৫৭ নিকারাগুয়া ৬,৭৭৮ ১৮০ ৪,২২৫
১৫৮ আইসল্যান্ড ৬,২৭৫ ২৯ ৬,১৬৩
১৫৯ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৫,৬৮২ ৭৫ ৫,১১২
১৬০ গাম্বিয়া ৫,৬৮২ ১৭০ ৫,১৬৫
১৬১ ইয়েমেন ৫,৫৮২ ১,০৮৩ ২,১২৮
১৬২ নাইজার ৫,০৮১ ১৮৯ ৪,৭৬০
১৬৩ সান ম্যারিনো ৫,০০৪ ৮৬ ৪,৬২৫
১৬৪ কম্বোডিয়া ৪,৮৭৪ ৩৫ ২,২৯০
১৬৫ চাদ ৪,৬৬২ ১৬৭ ৪,৩১২
১৬৬ সিসিলি ৪,৬৩৩ ২৫ ৪,৩১০
১৬৭ সেন্ট লুসিয়া ৪,৩৫৫ ৬৪ ৪,১৭৯
১৬৮ জিব্রাল্টার ৪,২৯০ ৯৪ ৪,১৮১
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ৪,০৫৩ ৮৬ ৩,৯৬৫
১৭০ সিয়েরা লিওন ৪,০১৩ ৭৯ ২,৮৩২
১৭১ কমোরস ৩,৮০৩ ১৪৬ ৩,৫৮২
১৭২ বার্বাডোস ৩,৭৪০ ৪৪ ৩,৬২৩
১৭৩ গিনি বিসাউ ৩,৬৯৪ ৬৬ ৩,০৯৩
১৭৪ ইরিত্রিয়া ৩,৪৭৯ ১০ ৩,২৭৩
১৭৫ বুরুন্ডি ৩,৩৩৩ ৭৭৩
১৭৬ লিচেনস্টেইন ২,৭৭০ ৫৬ ২,৬৪৬
১৭৭ ভিয়েতনাম ২,৭৩৩ ৩৫ ২,৪৪৫
১৭৮ নিউজিল্যান্ড ২,৫৮৯ ২৬ ২,৪৬২
১৭৯ মোনাকো ২,৩৮৪ ৩১ ২,২৬৬
১৮০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৩৬০ ১৭ ২,২৮৫
১৮১ সিন্ট মার্টেন ২,১৯৬ ২৭ ২,১৩৩
১৮২ লাইবেরিয়া ২,০৪২ ৮৫ ১,৮৯৯
১৮৩ বারমুডা ১,৯৩৫ ১৬ ১,০৫১
১৮৪ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১,৮০৬ ১০ ১,৬৬৫
১৮৫ সেন্ট মার্টিন ১,৬৯৩ ১২ ১,৩৯৯
১৮৬ আইল অফ ম্যান ১,৫৭৫ ২৯ ১,৪৪৫
১৮৭ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১,৫২৬ ১৪ ৬,৪৪৫
১৮৮ মরিশাস ১,২০১ ১৫ ৮৪১
১৮৯ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১,২০১ ৩১ ৯৪৭
১৯০ পূর্ব তিমুর ১,১০৩ ৫৬৪
১৯১ তাইওয়ান ১,০৬৭ ১১ ১,০২৯
১৯২ ভুটান ৯২৯ ৮৭৬
১৯৩ সেন্ট বারথেলিমি ৯০৭ ৪৬২
১৯৪ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৯৫ ফারে আইল্যান্ড ৬৬২ ৬৬০
১৯৬ কেম্যান আইল্যান্ড ৫২৩ ৪৯৮
১৯৭ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯৮ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৩৭ ৪৪
১৯৯ ব্রুনাই ২১৯ ২০৬
২০০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ১৭৮ ১৫৯
২০১ ডোমিনিকা ১৬৫ ১৫৯
২০২ গ্রেনাডা ১৫৫ ১৫২
২০৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২১ ৫৮
২০৪ ফিজি ৬৮ ৬৪
২০৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬০ ৫৪
২০৬ লাওস ৫৩ ৪৯
২০৭ ম্যাকাও ৪৯ ৪৮
২০৮ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৪৪ ৪৪
২০৯ গ্রীনল্যাণ্ড ৩১ ৩১
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১১ এ্যাঙ্গুইলা ২৫ ২২
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৪ ২৪
২১৩ মন্টসেরাট ২০ ১৯
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ১৯ ১৮
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]