অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ফারাজ করিম

ফিচার ডেস্ক
ফিচার ডেস্ক ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩২ এএম, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

গণমাধ্যমে চোখ রাখলেই যখন নানা রকম অনিয়মের ঘটনা দেখা যায়; ঠিক তখন এসবের বিপরীতে মাটি ও মানুষের জন্য অবিরাম ছুটে চলা এক তরুণ স্বপ্নবাজের নাম ফারাজ করিম চৌধুরী। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের এই এমপিপুত্র তার সব ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এখন গোটা দেশে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করছেন। সম্প্রতি তার সাথে কথা বলে বিস্তারিত জানাচ্ছেন জুনায়েদ হাবীব-

চট্টগ্রামের রাউজানের খান বাহাদুর আব্দুল জব্বার চৌধুরী বংশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য গোটা শহরের এক অনন্য অধ্যায়। ব্রিটিশ শাসকের আমলে আব্দুল জব্বার তখনকার সময়ের এক ঘোষিত খান বাহাদুর নামক বীর উপাধি নিয়ে শহরজুড়ে চষে বেড়াতেন। চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর পিতামহ খান বাহাদুর আব্দুল জব্বার চৌধুরীর মৃত্যুর পর ঐতিহ্যবাহী পরিবারের আধিপত্য ও অসংখ্য মানুষের ভালোবাসার আশ্রয়স্থল যে এখনো কতটা বিদ্যমান, তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ এমপি ফজলে করিম চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ সন্তান ফারাজ করিম চৌধুরী।

২০১৩ সালে কিংস কলেজ লন্ডন থেকে আন্ডার গ্রাজুয়েট শেষ করে ২০১৫ সালে লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার থেকে উচ্চশিক্ষা (মাস্টার্স) অর্জন করে দেশে আসেন এ তরুণ। তখন থেকেই বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে বেশ পরিচিতি পান। বাইরের দেশ থেকে উচ্চডিগ্রি সম্পন্ন করার পর দেশের বহুজাতিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর উচ্চপর্যায়ে চাকরির সুযোগ থাকলেও সে পথে পা বাড়াননি ফারাজ। বর্তমানে ক্লিন ইমেজের তরুণ রাজনীতিবিদ হিসেবে তুমুল জনপ্রিয়তা পেলেও নিজেকে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তার বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে গোটা দেশের অসংখ্য মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় জায়গা করে নেওয়া এ তরুণের গল্প এখনো অনেকেরই অজানা।

jagonews24

বাবার সাথে একই পথে: প্রতাবশালী সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর জ্যেষ্ঠপুত্র ফারাজ করিম চৌধুরী সবারই আদরে বেড়ে উঠেছেন। তার জন্ম ঢাকায় হওয়ায় পড়াশোনার শুরুটাও ছিল সেখান থেকে। তবে শুরুর পরপরই চলে আসেন চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নিজ বাড়িতে। প্রসিদ্ধ পরিবারের ছেলে হিসেবে সব সময় পেতেন বিশেষ সুযোগ-সুবিধা। যার কারণে তিনি তার বাবার পরিচয় আড়ালেই রাখতেন। পড়াশোনার ফাঁকে মাঝেমধ্যেই বাবার সাথে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যেতেন। দেখতেন দেশের জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে নানা রকম প্রচলিত প্রথা। এসব দেখে খানিক বিরক্তও হতেন।

ফারাজ করিম বললেন, ‘আমাদের দেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যখন কোনো বিশিষ্টজনকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ করা হয়; তখন সেই আয়োজনে তাদের বড় বড় ছবি দিয়ে ব্যানার সাঁটিয়ে স্বাগত জানানো, ফুল দিয়ে বরণ করার ব্যাপারগুলো আমার বাবার সাথেও ঘটতো।’ এসব দেখে ফারাজ করিম বিরক্তও হতেন এবং এসবের পরিবর্তন কিভাবে আনা যায় তা নিয়ে চিন্তা করতেন। তিনি বলেন, ‘ছবি দিয়ে পোস্টার নয় বরং কাজের মাধ্যমে মানুষের মনের পোস্টার হয়ে থাকাটাই হলো আসল।’ একদিন রাউজান কলেজের একটি অনুষ্ঠানে তিনি তার বাবার ও নিজের ছবি সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন নামিয়ে ফেলেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যানার-ফেস্টুন লাগিয়ে পড়ালেখার পরিবেশ নষ্ট করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জানা যায়, সেদিনের পর থেকে যেকোনো অনুষ্ঠানে তাদের আমন্ত্রণ করা হলে ব্যানার দিয়ে স্বাগত জানানো, ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছার প্রদানের নিয়ম-রীতির পরিবর্তন রাউজানে স্থায়ী হয়ে যায়।

ফারাজ করিম ছোটবেলা থেকেই মানবিক ছিলেন। একদিন নিজের অসংখ্য নতুন কাপড় বাসার ওয়ারড্রবে পড়ে থাকতে দেখে সেসব কাপড় নিয়ে ছিন্নমূল শিশুদের মাঝে বিতরণ করে আসেন। এভাবেই ছোট থেকে দারিদ্র্যের প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসার জন্ম হয়। ছেলের এসব মানবিক কার্যক্রম দেখে বাবাও মুগ্ধ হয়ে ফারাজ করিমকে এসব কাজে আর্থিক জোগান দিতেন। এমপি ফজলে করিমের সাথে একদিন ১৪ বছর বয়সী এ কিশোর বক্তব্য রাখেন দেশের বাইরে আবুধাবির এক অনুষ্ঠানে। ফারাজ করিমের চিন্তাধারা ছিল অনেকটা ব্যতিক্রম। তবুও সুযোগ হয়ে উঠতো না সেসব কাজে লাগানোর। অবশেষে ২০১৫ সালে যুক্তরাজ্য থেকে উচ্চশিক্ষা (মাস্টার্স) সম্পন্ন করার পর দেশে এসে এ তরুণের স্বপ্নের আকাশে উঁকি দেয় সেসব ভাবনা। এরপর নেমে পড়েন বাস্তবায়নে। তার এসব কর্মকাণ্ডে অংশ নেয় ‘সেন্ট্রাল বয়েজ অব রাউজান’ নামের একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন। বৃহত্তর পুরো নগরীকে পরিচ্ছন্ন করতে ‘ক্লিন রাউজান ক্যাম্পেইন’ নামে একটি কর্মসূচির মাধ্যমে শুরু হয় তার কার্যক্রম। এরপর অসংখ্য অসহায়ের জন্য কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া, প্রতিবন্ধীদের সহায়তাসহ সমাজে চলতে থাকা নানা ধরনের অপরাধ ঠেকাতেও সমানতালে পদক্ষেপ গ্রহণ করে সর্বমহলে আলোচনার শীর্ষে আসেন। এসব কার্যক্রমের প্রসঙ্গে ফারাজ করিম বলেন, ‘গত ৪ বছরে আমি অসংখ্য উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করেছি। দেশের মানুষ আমাকে দোয়া করলেও আমি চাই, আল্লাহর অনুগ্রহে আমার নিজের মতো করে কাজ করতে। আমার বাবাও আমাকে সব ভালো কাজগুলোর অংশীদারিত্বে থাকতেন, যার জন্য এসব সম্ভব হয়েছে।

jagonews24

অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ: ঘটনাটি ২০১৮ সালের আগস্টে। রাউজান উপজেলা পরিষদের সামনে বেপরোয়া এক ট্রাক চালকের দুর্ঘটনার শিকার হয়ে নিহত হয় এক স্কুলশিক্ষার্থী। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মুহূর্তেই তোলপাড় হয়ে পড়ে পুরো রাউজানজুড়ে। সেসময়ে সংসদ সদস্য ফজলে করিম ও তার সন্তান ফারাজ করিম অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্কুলশিক্ষার্থীর নিহত হওয়ার ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সেখানকার একটি প্রভাবশালী মহল পাঁয়তারা করছিল। যাতে নিহতের স্বজনদের ২০ হাজার টাকায় জিম্মি করে বিষয়গুলোকে যেন শেষ করা হয়। এ ঘটনার জের নিয়ে আরও উত্তপ্ত হতে থাকে পরিস্থিতি। প্রভাবশালী সেই মহল ঢাকায় অবস্থানরত সংসদ সদস্যকে নয়ছয় বোঝালেও এমপিপুত্র ফারাজ করিমের কানে এসে পৌঁছায় মূল খবর। এসব জেনেই তাৎক্ষণিক ঢাকা থেকে রাউজানে ছুটে এসে দেখতে পান পরিস্থিতি অনেকটা থমথমে। পরে তিনি জানেন, মোটা অঙ্কের লোভ দেখিয়ে নিহতদের আইনি প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত করে সংশ্লিষ্ট থানাকেও দমিয়ে রাখা হয়। তবে ফারাজ করিম সেদিন চ্যালেঞ্জ নিয়েই নিহতের স্বজনদের সাথে থানায় গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের মামলা নিতে বাধ্য করেন। এভাবেই নিহত শিক্ষার্থীর ন্যায় বিচার আদায়ের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

এর আগে রাউজানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বখাটেদের উৎপাত বেড়ে যায়। এজন্য কলেজগামী অসংখ্য তরুণীর নিয়মিত বিভিন্ন অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতো। এ বিষয়গুলো ফারাজ করিমের ফেসবুক পেজে এক তরুণী অভিযোগ জানালে তিনি পুরো রাউজানে ভবঘুরে বখাটে ছেলেদের নির্মূলে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় মাঠে নামেন। শুধু তাই নয়, এ ধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ মুহূর্তেই দমন করতে তার একান্ত প্রচেষ্টায় রাউজানে একটি হেল্প ডেস্ক সার্ভিস চালু করে সর্বত্র সহায়তা প্রদানের জন্য নম্বরটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তারপর থেকেই ধর্ষণ, মাদক, চাঁদাবাজি, দখলদারীসহ নারী নির্যাতন কিংবা ভয়ঙ্কর অপরাধের গল্পও উঠে আসতে থাকে সেই হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে। তাই সেইসাথে হেল্প ডেস্কের ব্যাপক চাহিদার তুলনায় এর পরিধিও বাড়ানো হয়। ফারাজ করিমের এ কার্যক্রম রীতিমত দেশের মাঝে আকাশচুম্বী প্রশংসাসূচক আলোচনার মাধ্যম হয়। এসব কার্যক্রম সচল রাখতে গিয়ে কেমন চ্যালেঞ্জ নিতে হয়েছে তা জানতে চাইলে ফারাজ করিম বলেন, ‘দেশের দুর্নীতি-অনিয়ম সব জায়গায় যেমন আছে তা আমার মাটির শহর রাউজানেও ছিল। বাবার যে স্বপ্ন ছিল নিজ এলাকাকে পরিচ্ছন্ন করার, তাতে চেয়েছি আমিও অংশ নিতে। জানি না শতভাগ সফল হতে পারবো কি না। তবুও আমি আল্লাহর ইচ্ছায় কিছু সংখ্যক অপরাধ-অনিয়ম বন্ধ করার জন্য চেষ্টা করেছি। আমাদের সব হেল্প ডেস্ক সার্ভিসের সেবা চালু করার পর অপরাধীদের অনেকটাই লাঘবে আনতে পারছি। এ হেল্প ডেস্কে ২৪ ঘণ্টায় এমন এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে অভিযান করেছি এরমধ্যে অনেকগুলোই মর্মস্পর্শী ছিল। যেমন কিছুদিন আগে এক মাকে তারই সন্তান নির্যাতন করার খবর পেয়ে সেই গ্রামে ছুঁটে গিয়ে নির্যাতনে লোমহর্ষক বর্ণনা শুনে অশ্রুসিক্ত হয়েছিলাম। সাথে সাথে তার সব দায়িত্বও আমরা নিয়েছি। এমন অনেক ঘটনাই উল্লেখ করার মত ছিল।’

jagonews24

করোনাকালে যার দৃষ্টান্ত অনন্য: করোনায় স্থবিরতার প্রকোপ দেশে যখন বাড়তে থাকে; তখন সামনে আসে পবিত্র রমজান মাস। এ সময়ে লকডাউনে বন্দি কোটি মানুষের জীবনযাত্রা থেমে যায়; তখন থেকেই ফারাজ করিম করোনায় সম্মুখ সমরে থাকা চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, দায়িত্বরত পুলিশসহ বিভিন্ন সড়কে ঘুরে বেড়ানো অসহায়দের নিয়ে চিন্তা শুরু করেন। কারণ সন্ধ্যার পর সব রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে চাইলেও অসহায়রা টাকা দিয়ে খাবার কিনে খেতে পারতেন না। আর সাহরি তো তাদের স্বপ্নের কথা। তাই বাবার সাথে আলোচনা করে বিভিন্ন মহল থেকে আর্থিক সহায়তা ও নিজের অসীম প্রচেষ্টায় এ তরুণ পুরো রমজান মাসে প্রায় ৬০ হাজার মানুষের খাবার সরবরাহ করেন। মধ্যরাতে তার সেচ্ছাসেবী দল নিয়ে কয়েকভাগে বিভক্ত হয়ে রাউজানসহ পুরো চট্টগ্রাম শহরে এ খাবার সরবরাহ করেছেন। এরইমধ্যে চিকিৎসকদের নিয়ে সমন্বিত সিদ্ধান্তে তিনি চালু করেছেন টেলিমেডিসিন সেবা। মধ্যবিত্তদের ঘরে ঘরে গোপনীয়তা বজায় রেখে ত্রাণ পাঠানোসহ প্রতিদিন নিয়মিত সবজি বাজারের আয়োজনও করেছিলেন। যেখান থেকে গ্রাহকরা ফ্রিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ সবজি গ্রহণ করতেন। এ ছাড়াও তিনি বিশেষ মাস্ক, গগলস, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ প্রয়োজনীয় সুরক্ষাসামগ্রীও বিতরণ করেছেন। করোনায় আক্রান্ত মৃতদের দাফন বা সৎকার নিশ্চিত করতে গড়েছেন একটি টিম। সবশেষ তার উদ্যোগে সাধারণ মানুষের আর্থিক সহায়তা নিয়ে রাউজানে স্থাপন করেছেন করোনা আইসোলেশন সেন্টার। বৈশ্বিক এ ক্রান্তিলগ্নে অদম্য সাহসিকতা নিয়ে এমন অসংখ্য সমসাময়িক পদক্ষেপ নিতে গিয়ে রাত-বিরাতে শহরের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ছুটে গিয়েছেন। এভাবে নিজেকে নিবেদিত করতে গিয়ে করোনারভাইরাসেও আক্রান্ত হতে হয় তাকে।

এসইউ/এএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৪,২৪,৬২,৯৭৯
আক্রান্ত

১১,৪৮,৬৯৮
মৃত

৩,১৪,১৭,৫৩৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৯৬,৪১৩ ৫,৭৬১ ৩,১২,০৬৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৮৭,৪৬,৯৫৩ ২,২৯,২৮৪ ৫৬,৯৮,১৫৭
ভারত ৭৮,১৩,৬৬৮ ১,১৭,৯৯২ ৭০,১৩,৫৬৯
ব্রাজিল ৫৩,৫৫,৬৫০ ১,৫৬,৫২৮ ৪৭,৯৭,৮৭২
রাশিয়া ১৪,৮০,৬৪৬ ২৫,৫২৫ ১১,১৯,২৫১
স্পেন ১১,১০,৩৭২ ৩৪,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
আর্জেন্টিনা ১০,৬৯,৩৬৮ ২৮,৩৩৮ ৮,৬৬,৬৯৫
ফ্রান্স ১০,৪১,০৭৫ ৩৪,৫০৮ ১,০৯,৪৮৬
কলম্বিয়া ৯,৯৮,৯৪২ ২৯,৮০২ ৯,০১,৬৫২
১০ পেরু ৮,৮৩,১১৬ ৩৪,০৩৩ ৮,০০,৪৮০
১১ মেক্সিকো ৮,৭৪,১৭১ ৮৭,৮৯৪ ৬,৩৬,৩৯১
১২ যুক্তরাজ্য ৮,৩০,৯৯৮ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,১২,৪১২ ১৮,৮৯১ ৬,৪৩,৫২৩
১৪ ইরান ৫,৫৬,৮৯১ ৩১,৯৮৫ ৪,৪৬,৬৮৫
১৫ চিলি ৪,৯৮,৯০৬ ১৩,৮৪৪ ৪,৭১,৩৪৩
১৬ ইতালি ৪,৮৪,৮৬৯ ৩৭,০৫৯ ২,৬১,৮০৮
১৭ ইরাক ৪,৪৫,৯৪৯ ১০,৫১৩ ৩,৭৫,১৮৮
১৮ জার্মানি ৪,১৭,৩৫০ ১০,০৯০ ৩,১০,২০০
১৯ ইন্দোনেশিয়া ৩,৮১,৯১০ ১৩,০৭৭ ৩,০৫,১০০
২০ ফিলিপাইন ৩,৬৫,৭৯৯ ৬,৯১৫ ৩,১২,৬৯১
২১ তুরস্ক ৩,৫৭,৬৯৩ ৯,৬৫৮ ৩,১১,৫২০
২২ সৌদি আরব ৩,৪৪,১৫৭ ৫,২৬৪ ৩,৩০,৫৭৮
২৩ ইউক্রেন ৩,৩০,৩৯৬ ৬,১৬৪ ১,৩৭,৫৭৮
২৪ পাকিস্তান ৩,২৬,২১৬ ৬,৭১৫ ৩,০৯,৬৪৬
২৫ ইসরায়েল ৩,০৮,৮৪০ ২,৩২৯ ২,৯০,১৩০
২৬ নেদারল্যান্ডস ২,৭২,৪০১ ৬,৯৬৪ ২৫০
২৭ বেলজিয়াম ২,৭০,১৩২ ১০,৫৮৮ ২২,২১৩
২৮ চেক প্রজাতন্ত্র ২,৩৮,৩২৩ ১,৯৭১ ৯১,৬৫১
২৯ পোল্যান্ড ২,২৮,৩১৮ ৪,১৭২ ১,০৫,০৯২
৩০ কানাডা ২,১১,৭৩২ ৯,৮৮৮ ১,৭৭,৮৭৯
৩১ রোমানিয়া ২,০১,০৩২ ৬,২৪৫ ১,৪৪,৪২৯
৩২ মরক্কো ১,৯০,৪১৬ ৩,২০৫ ১,৫৭,১৭৫
৩৩ ইকুয়েডর ১,৫৮,২৭০ ১২,৫২৮ ১,৩৪,১৮৭
৩৪ নেপাল ১,৫৩,০০৮ ৮২৯ ১,০৫,৪৮৮
৩৫ বলিভিয়া ১,৪০,৪৪৫ ৮,৫৮৪ ১,০৬,৯৫০
৩৬ কাতার ১,৩০,৭১১ ২২৯ ১,২৭,৫৯৯
৩৭ পানামা ১,২৭,৮৬৬ ২,৬২২ ১,০৩,৯৮৫
৩৮ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,২২,৮৭৩ ২,২১২ ১,০০,৯২০
৩৯ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,২২,২৭৩ ৪৭৫ ১,১৫,০৬৮
৪০ কুয়েত ১,২০,২৩২ ৭৪০ ১,১১,৪৪০
৪১ পর্তুগাল ১,১২,৪৪০ ২,২৭৬ ৬৫,৮৮০
৪২ ওমান ১,১১,৮৩৭ ১,১৪৭ ৯৭,৯৪৯
৪৩ সুইডেন ১,১০,৫৯৪ ৫,৯৩৩ ৪,৯৭১
৪৪ কাজাখস্তান ১,১০,০৮৬ ১,৭৯৬ ১,০৫,৪৯৩
৪৫ মিসর ১,০৬,২৩০ ৬,১৭৬ ৯৮,৭১৩
৪৬ গুয়াতেমালা ১,০৩,৯০২ ৩,৫৯৪ ৯৩,৩৪১
৪৭ সুইজারল্যান্ড ১,০৩,৬৫৩ ২,১৪৫ ৫৫,৮০০
৪৮ কোস্টারিকা ১,০১,৮২৬ ১,২৬৫ ৬১,৬৬২
৪৯ জাপান ৯৫,১৩৮ ১,৬৯৪ ৮৮,২৪৫
৫০ ইথিওপিয়া ৯২,২২৯ ১,৪০০ ৪৬,১১৮
৫১ হন্ডুরাস ৯১,৫০৯ ২,৬০৪ ৩৭,১৩২
৫২ বেলারুশ ৯১,১৬৭ ৯৪৫ ৮২,১৩৬
৫৩ ভেনেজুয়েলা ৮৮,৪১৬ ৭৫৯ ৮২,২৮৪
৫৪ চীন ৮৫,৭৪৭ ৪,৬৩৪ ৮০,৮৬৫
৫৫ বাহরাইন ৭৯,৫৭৪ ৩১১ ৭৬,১৪৩
৫৬ অস্ট্রিয়া ৭৪,৪১৫ ৯৫৪ ৫৫,১৯৫
৫৭ আর্মেনিয়া ৭৩,৩১০ ১,১৪৫ ৫০,২৭৬
৫৮ মলদোভা ৭০,২৫৬ ১,৬৫৪ ৫১,১০২
৫৯ লেবানন ৬৮,৪৭৯ ৫৫৯ ৩২,৪১২
৬০ উজবেকিস্তান ৬৪,৭২৪ ৫৪২ ৬১,৯৫৭
৬১ নাইজেরিয়া ৬১,৮৮২ ১,১২৯ ৫৭,১৯০
৬২ প্যারাগুয়ে ৫৮,২৫৯ ১,২৭৮ ৩৮,৭৯৭
৬৩ সিঙ্গাপুর ৫৭,৯৫১ ২৮ ৫৭,৮৩২
৬৪ আলজেরিয়া ৫৫,৬৩০ ১,৮৯৭ ৩৮,৭৮৮
৬৫ আয়ারল্যান্ড ৫৫,২৬১ ১,৮৭৮ ২৩,৩৬৪
৬৬ কিরগিজস্তান ৫৪,৫৮৮ ১,৪৯৮ ৪৭,০৫০
৬৭ হাঙ্গেরি ৫৪,২৭৮ ১,৩৫২ ১৫,৬৫৫
৬৮ লিবিয়া ৫৩,৩৮৪ ৭৭৪ ২৯,৬১৯
৬৯ ফিলিস্তিন ৪৯,৫৭৯ ৪৩৯ ৪২,৮৫০
৭০ জর্ডান ৪৮,৯৩০ ৫০৮ ৭,৪৪৯
৭১ আজারবাইজান ৪৮,২২১ ৬৫৬ ৪০,৮৩১
৭২ কেনিয়া ৪৭,৮৪৩ ৮৮৪ ৩৩,৪২১
৭৩ ঘানা ৪৭,৬০১ ৩১৪ ৪৬,৮২৪
৭৪ তিউনিশিয়া ৪৭,২১৪ ৭৮৪ ৫,০৩২
৭৫ মায়ানমার ৪২,৩৬৫ ১,০৩৮ ২২,৪৪৫
৭৬ আফগানিস্তান ৪০,৬৮৭ ১,৫০৭ ৩৪,০১০
৭৭ ডেনমার্ক ৩৮,৬২২ ৬৯৭ ৩১,২৯৫
৭৮ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩৮,৪৯৩ ১,০৬৫ ২৬,২৬০
৭৯ সার্বিয়া ৩৮,১১৫ ৭৮৬ ৩১,৫৩৬
৮০ স্লোভাকিয়া ৩৭,৯১১ ১৩৪ ৮,৮৫৯
৮১ বুলগেরিয়া ৩৬,৫১৯ ১,০৭৭ ১৮,১০২
৮২ এল সালভাদর ৩২,৪২১ ৯৪০ ২৮,১২৭
৮৩ ক্রোয়েশিয়া ৩১,৭১৭ ৪১৩ ২২,৯১০
৮৪ গ্রীস ২৯,০৫৭ ৫৫৯ ৯,৯৮৯
৮৫ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৪৮৪ ৯০৫ ২৫,১৬৯
৮৬ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৫,৯৯১ ৮৮৩ ১৮,২৪৭
৮৭ দক্ষিণ কোরিয়া ২৫,৬৯৮ ৪৫৫ ২৩,৭১৭
৮৮ জর্জিয়া ২৪,৫৬২ ১৮৩ ৯,৭৫১
৮৯ মালয়েশিয়া ২৪,৫১৪ ২১৪ ১৫,৮৮৪
৯০ ক্যামেরুন ২১,৫৭০ ৪২৫ ২০,১১৭
৯১ আইভরি কোস্ট ২০,৪০৫ ১২১ ২০,১০০
৯২ স্লোভেনিয়া ১৯,৩০৭ ২১৪ ৭,৬৫৯
৯৩ আলবেনিয়া ১৮,৫৫৬ ৪৬৯ ১০,৪৬৬
৯৪ নরওয়ে ১৭,৫৩২ ২৭৯ ১১,৮৬৩
৯৫ মাদাগাস্কার ১৬,৮১০ ২৩৮ ১৬,২১৫
৯৬ মন্টিনিগ্রো ১৬,৪৩৬ ২৫৫ ১২,৩৭৮
৯৭ জাম্বিয়া ১৬,০৯৫ ৩৪৬ ১৫,১৭৯
৯৮ সেনেগাল ১৫,৫২৫ ৩২১ ১৪,০৮২
৯৯ ফিনল্যাণ্ড ১৪,৪৭৪ ৩৫৫ ৯,৮০০
১০০ সুদান ১৩,৭২৪ ৮৩৬ ৬,৭৬৪
১০১ লুক্সেমবার্গ ১২,৮৫১ ১৪১ ৯,০৮৫
১০২ নামিবিয়া ১২,৫০১ ১৩৩ ১০,৭৪৮
১০৩ মোজাম্বিক ১১,৭৪৮ ৮২ ৯,২৩৪
১০৪ গিনি ১১,৬৩৫ ৭১ ১০,৪৭৪
১০৫ মালদ্বীপ ১১,৩৯১ ৩৭ ১০,৪২৮
১০৬ উগান্ডা ১১,১৬৩ ৯৯ ৭,২৬৯
১০৭ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১১,১২২ ৩০৪ ১০,৩৭৯
১০৮ তাজিকিস্তান ১০,৬৯৫ ৮১ ৯,৭৮২
১০৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১০,৩৫১ ৬৯ ৯,৯৯৫
১১০ লিথুনিয়া ৯,১০৪ ১২৬ ৩,৯৭৮
১১১ হাইতি ৯,০১৫ ২৩১ ৭,৩৬১
১১২ গ্যাবন ৮,৯১৯ ৫৪ ৮,৫১২
১১৩ অ্যাঙ্গোলা ৮,৮২৯ ২৬৫ ৩,৩৮৪
১১৪ জ্যামাইকা ৮,৬৩৮ ১৮২ ৪,১৫৬
১১৫ জিম্বাবুয়ে ৮,২৫৭ ২৩৬ ৭,৭৭১
১১৬ কেপ ভার্দে ৮,১৯৮ ৯৪ ৭,০৩৪
১১৭ মৌরিতানিয়া ৭,৬৬২ ১৬৩ ৭,৩৭৪
১১৮ গুয়াদেলৌপ ৭,৩২৯ ১১৫ ২,১৯৯
১১৯ শ্রীলংকা ৭,১৫৩ ১৪ ৩,৬৪৪
১২০ কিউবা ৬,৪৭৯ ১২৮ ৫,৮৯৯
১২১ বাহামা ৬,২৬৮ ১৩০ ৩,৭৯৫
১২২ বতসোয়ানা ৫,৯২৩ ২১ ৯২৭
১২৩ মালাউই ৫,৮৮৫ ১৮৩ ৫,২৮৭
১২৪ ইসওয়াতিনি ৫,৮৩১ ১১৬ ৫,৪৮৫
১২৫ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৫,৭৯৭ ২০ ৩,৬২৩
১২৬ জিবুতি ৫,৫২৮ ৬১ ৫,৩৯৩
১২৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫,৪৮৭ ১০৪ ৩,৯৪৫
১২৮ নিকারাগুয়া ৫,৪৩৪ ১৫৫ ৪,২২৫
১২৯ সিরিয়া ৫,৩১৯ ২৬৪ ১,৬৯২
১৩০ হংকং ৫,২৮৫ ১০৫ ৫,০২৯
১৩১ মালটা ৫,২৫৮ ৪৯ ৩,৪৩৯
১৩২ কঙ্গো ৫,১৫৬ ১১৪ ৩,৮৮৭
১৩৩ সুরিনাম ৫,১৫৫ ১০৯ ৫,০১০
১৩৪ রিইউনিয়ন ৫,১৪৯ ২০ ৪,৬৩০
১৩৫ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০৭৪ ৮৩ ৪,৯৬১
১৩৬ রুয়ান্ডা ৫,০৫২ ৩৪ ৪,৮০৬
১৩৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮৬২ ৬২ ১,৯২৪
১৩৮ আরুবা ৪,৪০১ ৩৬ ৪,১৬০
১৩৯ আইসল্যান্ড ৪,৩০৮ ১১ ৩,১৮৭
১৪০ এস্তোনিয়া ৪,৩০০ ৭৩ ৩,৪১৮
১৪১ লাটভিয়া ৪,২০৮ ৫০ ১,৩৫৭
১৪২ মায়োত্তে ৪,২০৩ ৪৪ ২,৯৬৪
১৪৩ এনডোরা ৪,০৩৮ ৬৯ ২,৭২৯
১৪৪ গায়ানা ৩,৯৬০ ১১৭ ২,৯২৩
১৪৫ সোমালিয়া ৩,৮৯৭ ১০২ ৩,১৬৬
১৪৬ থাইল্যান্ড ৩,৭২৭ ৫৯ ৩,৫১৮
১৪৭ গাম্বিয়া ৩,৬৫৯ ১১৯ ২,৬৬০
১৪৮ মালি ৩,৪৪৪ ১৩২ ২,৬২০
১৪৯ সাইপ্রাস ৩,৩১৪ ২৫ ১,৪৪৪
১৫০ বেলিজ ২,৯৯৫ ৪৬ ১,৮২৬
১৫১ দক্ষিণ সুদান ২,৮৭৬ ৫৬ ১,২৯০
১৫২ উরুগুয়ে ২,৭৫৯ ৫৩ ২,২৪১
১৫৩ বেনিন ২,৫৫৭ ৪১ ২,৩৩০
১৫৪ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৪৩৩ ৬৫ ১,৯৯৬
১৫৫ গিনি বিসাউ ২,৪০৩ ৪১ ১,৮১৮
১৫৬ সিয়েরা লিওন ২,৩৪৩ ৭৪ ১,৭৮২
১৫৭ মার্টিনিক ২,২৫৭ ২৪ ৯৮
১৫৮ টোগো ২,১৬২ ৫২ ১,৫৮৬
১৫৯ ইয়েমেন ২,০৬০ ৫৯৯ ১,৩৫৪
১৬০ লেসোথো ১,৯৩৪ ৪৩ ৯৬১
১৬১ নিউজিল্যান্ড ১,৯২৩ ২৫ ১,৮৩২
১৬২ চাদ ১,৪২৩ ৯৬ ১,২৩৪
১৬৩ লাইবেরিয়া ১,৩৯৩ ৮২ ১,২৭৮
১৬৪ নাইজার ১,২১৫ ৬৯ ১,১২৮
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,১৪৮ ৩৫ ১,০৪৯
১৬৬ সান ম্যারিনো ৮১৯ ৪৫ ৭১৬
১৬৭ কিউরাসাও ৮১৮ ৫৩৪
১৬৮ চ্যানেল আইল্যান্ড ৭৯৫ ৪৮ ৬৫৯
১৬৯ সিন্ট মার্টেন ৭৭৬ ২২ ৭০২
১৭০ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৯৯ ৬৮৯
১৭২ জিব্রাল্টার ৬৪১ ৫০০
১৭৩ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৮৩ ৫৪৫
১৭৪ বুরুন্ডি ৫৫৩ ৪৯৭
১৭৫ তাইওয়ান ৫৪৮ ৪৯৭
১৭৬ সেন্ট মার্টিন ৫৩৮ ৪২২
১৭৭ কমোরস ৫১৭ ৪৯৪
১৭৮ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৯ ফারে আইল্যান্ড ৪৯০ ৪৭৩
১৮০ ইরিত্রিয়া ৪৬১ ৪০৫
১৮১ মরিশাস ৪৩৫ ১০ ৩৮৬
১৮২ আইল অফ ম্যান ৩৪৮ ২৪ ৩২১
১৮৩ ভুটান ৩৩৬ ৩০৬
১৮৪ মঙ্গোলিয়া ৩২৮ ৩১২
১৮৫ লিচেনস্টেইন ৩২৪ ১৭০
১৮৬ মোনাকো ২৯৫ ২৪১
১৮৭ কম্বোডিয়া ২৮৬ ২৮০
১৮৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২৩৯ ২১৫
১৮৯ বার্বাডোস ২২৬ ২০৭
১৯০ বারমুডা ১৯০ ১৭৫
১৯১ সিসিলি ১৫৩ ১৪৯
১৯২ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৫০ ১২১
১৯৩ ব্রুনাই ১৪৮ ১৪৩
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১২২ ১০৭
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৭৭ ৬৬
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৭৩ ৬৪
১৯৭ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ৪৮ ২৭
১৯৯ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০০ ডোমিনিকা ৩৭ ২৯
২০১ ফিজি ৩৩ ৩০
২০২ পূর্ব তিমুর ২৯ ৩১
২০৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৭
২০৪ গ্রেনাডা ২৭ ২৪
২০৫ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৬ লাওস ২৪ ২২
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৭ ১৬
২০৯ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১০ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]