রুনা লায়লার জন্ম ও মওলানা ভাসানীর প্রয়াণ

ফিচার ডেস্ক
ফিচার ডেস্ক ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৩৬ এএম, ১৭ নভেম্বর ২০২২

মানুষ ইতিহাস আশ্রিত। অতীত হাতড়েই মানুষ এগোয় ভবিষ্যৎ পানে। ইতিহাস আমাদের আধেয়। জীবনের পথপরিক্রমার অর্জন-বিসর্জন, জয়-পরাজয়, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি একসময় রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণ করাতেই জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন আজকের এই দিনে।

১৭ নভেম্বর ২০২২, বৃহস্পতিবার। ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রুনা লায়লা
১৯৫২ সালের ১৭ নভেম্বর সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশে চলচ্চিত্র, পপ ও আধুনিক সংগীতের জন্য বিখ্যাত। বাংলা, উর্দু, পাঞ্জাবি, হিন্দি, সিন্ধি, গুজরাটি, বেলুচি, পশতু, ফার্সি, আরবি, মালয়, নেপালি, জাপানি, স্পেনীয়, ফরাসি, লাতিন ও ইংরেজি ভাষাসহ মোট ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন। পাকিস্তানে তার গান দমাদম মাস্ত কালান্দার অত্যন্ত জনপ্রিয়।

তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে আছে- শিল্পী আমি তোমাদেরই গান শোনাবো, যখন থামবে কোলাহল, গানেরই খাতায় স্বরলিপি, আমার মন পাখিটা যায়রে উড়ে যায়, আমায় ভাসাইলি রে আমায় ডুবাইলি রে, বন্ধু তিন দিন তোর বাড়িত গেলাম, এই বৃষ্টি ভেজা রাতে, বেদের মেয়ে জোসনা, ও মেরা বাবুজি ছ্যাল ছাবীলা। স্বাধীনতা পুরস্কার, ৭বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, নিগার পুরস্কার, দাদা সাহেব ফালকে সম্মাননা, মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা ছাড়াও অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘শিল্পী’ সিনেমায় অভিনয় করেন।

মওলানা ভাসানী
তার পুরো নাম মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া পল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন। বিংশ শতাব্দীর ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলনের নায়ক তিনি। জীবদ্দশায় ১৯৪৭-এ সৃষ্ট পাকিস্তান ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বাংলাদেশের মানুষের কাছে ‘মজলুম জননেতা’ হিসেবে সমধিক পরিচিত। ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক তাকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। ২০০৪ সালে বিবিসি জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি তালিকায় তিনি ছিলেন ৮ম। ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

ঘটনা
১৫২৫- সিন্ধু প্রদেশের মধ্য দিয়ে মুঘল সম্রাট বাবর ভারতে তার পঞ্চম অভিযান পরিচালনা করে ভারত বিজয় করেন।
১৫৫৮- প্রথম এলিজাবেথ ইংল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
১৭৯৬- নেপোলিয়ন অস্ট্রিয়ানদের পরাজিত করেন।
১৮৬৯- প্রথম বাইসাইকেল রেসে জয়ী হন জেমস মুর।
১৯৯৯- ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

জন্ম
১৯২৫- মার্কিন অভিনেতা রক হাডসন।
১৯৩৬- বাঙালি লেখক,কবি ও প্রাবন্ধিক তারাপদ রায়।
১৯৪২- মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক মার্টিন স্কোরসেজি।
১৯৫৩- বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেতা মিজু আহমেদ।

মৃত্যু
১৯৩১- বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
১৯৭১- বাংলা চলচ্চিত্রের শীর্ষ পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা দেবকী কুমার বসু।
১৯৮৮- ভারতীয় বাঙালি কবি ও লেখিকা জ্যোতির্ময়ী দেবী।
২০২০- বাঙালি কবি ও চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত।
২০২০- ভাষাসৈনিক ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ মো. জাহিদ হোসেন মুসা মিয়া।

দিবস
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী দিবস
বিশ্ব দর্শন দিবস

কেএসকে/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।