প্লেগ থেকে করোনা, মহামারীর যত ইতিহাস

ডা. হিমেল ঘোষ
ডা. হিমেল ঘোষ ডা. হিমেল ঘোষ , চিকিৎসক
প্রকাশিত: ০১:৩২ পিএম, ১৫ মার্চ ২০২০

কোনো সংক্রামক রোগ যখন বিশাল একটি জনগোষ্ঠীর মাঝে খুব দ্রুত সংক্রমিত হয়ে পড়ে; তখন বলা হয় রোগটি মহামারী আকার ধারণ করেছে। পৃথিবীতে যুগে যুগে অসংখ্য মহামারীর ঘটনা ঘটেছে এবং এসব মহামারীতে মৃত্যু হয়েছে কোটি কোটি মানুষের। এসব মহামারীতে প্লেগ আর ফ্লুর নামই সবচেয়ে বেশি শোনা যায়। অনেক সময় দেখা যায়, নানা কারণে একটি ছোট অঞ্চলে প্রাদুর্ভাব ঘটা রোগ ছড়িয়ে যায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। তখন এ মহামারী রূপ নেয় প্যান্ডেমিক বা বিশ্বমারীতে।

মহামারীর সংখ্যা: ইতিহাসে অর্ধশতাধিক মহামারীর লিখিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়। মহামারীগুলোতে মানব জাতি বিভিন্ন সময়ে বড় সংকটে পড়েছিল। ২০১৯ সালে এশিয়ার কয়েকটি দেশে এডিস মশা বাহিত রোগ ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ে। ফিলিপাইনে প্রায় ৭২০ জন ডেঙ্গুতে মারা যান। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়ায়ও ছড়িয়ে পড়েছিল ডেঙ্গু। বাংলাদেশেও ভয়াবহ অবস্থা দাঁড়িয়েছিল। ২০২০ সালে এসে করোনাভাইরাস ঘটিত কোভিড-১৯ কে প্যান্ডেমিক ঘোষণা করা হয়েছে।

যুগ-যুগান্তরের বিশ্বসভ্যতার কিছু গুরুত্বপূর্ণ মহামারীর ইতিহাস ঘাটলে আমরা দেখতে পাই—

৪৩০ খ্রিষ্টপূর্ব: এপিডেমিক অব এথেন্স
খ্রিষ্টপূর্ব ৪৩০ অব্দে স্পার্টানদের সাথে গ্রিকদের যুদ্ধ চলছে। যুদ্ধে খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারছিল না গ্রিকরা। তার ওপর ‘মরার ওপর খাড়ার ঘা’ হয়ে আসে ‘দ্য প্লেগ অব এথেন্স’ নামে পরিচিত পৃথিবীর প্রথম প্লেগ মহামারী। এ মহামারীতে হাজার হাজার গ্রিক সৈন্য মারা যায় কয়েক দিনের ব্যবধানে। তবে ইতিহাসবিদদের মাঝে এ প্লেগের ধরন নিয়ে বিস্তর মতপার্থক্য রয়েছে।

cover-(2)

অন্যদিকে এথেন্সের প্লেগ মহামারী নিয়ে খুব বেশি তথ্য যে জানা গেছে- এমনও নয়। তাই এর প্রকৃত ধরন আমরা হয়তো কোনোদিন জানতে পারবো না। আবার এ মহামারীতে ঠিক কতজন মানুষ মারা গিয়েছিল, তা-ও জানা সম্ভব নয়। আক্ষরিক অর্থে, এথেন্সের প্রাচীন মহামারী সম্পর্কে আমরা যা কিছু জানি সবই গ্রিক ইতিহাসবিদ থুসিডাইডসের রচনাংশ ‘হিস্ট্রি অব দ্য পেলোপনেসিয়ান ওয়্যার’ থেকে পাওয়া। অবশ্য থুসিডাইডসের তথ্য নিয়ে খুব একটি সন্দেহ নেই কোনো ইতিহাসবিদের মনে। কারণ থুসিডাইডস এ কুখ্যাত প্লেগ নিজ চোখেই দেখেছেন, যা গ্রামের পর গ্রাম জনমানবহীন করে দিয়েছিল।

আবার আর একদল ইতিহাসবিদের মতে, ৪৩০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে এথেন্সে মহামারী হয়েছিল টাইফয়েড, টাইফাস জ্বর, গুটিবসন্ত কিংবা অ্যানথ্রাক্সে। তবে এ দলের বেশিরভাগ মনে করেন, মহামারী হয়েছিল গুটিবসন্তের জন্য। রোগটি ভেরিওলা ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়। সংক্রামক এ রোগটি একজন মানুষের ত্বকের সাথে আরেকজনের স্পর্শে ছড়ায়। এমনকি বাতাসের মাধ্যমেও এ রোগ ছড়ায় এবং এ কারণে খ্রিষ্টপূর্ব ৪৩০ এ গ্রিসের এথেন্সে ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা যায়, যা ছিল ওই নগরের ২০ শতাংশ মানুষ।

cover-(2)

৫৪১ খ্রিষ্টাব্দ: দ্য প্লেগ অব জাস্টিনিয়ান
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী এবং প্রভাবশালী সম্রাট জাস্টিনিয়ান রোমান সাম্রাজ্যের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার জন্য যেসব অভিযান চালিয়েছিলেন, সেগুলোর জন্য ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। কিন্তু সেসব অভিযান ছাপিয়ে তার নাম অধিকবার উচ্চারিত হয় তার শাসনামলে ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ মহামারীর কারণে। ৫৪০-৫৪১ খ্রিষ্টাব্দের দিকে মিশরে এক ভয়ানক প্লেগের উৎপত্তি ঘটে।

এবার এ রোগ বৃহৎ পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করে ইঁদুর। তৎকালীন পৃথিবীতে মিশরই ছিল সমগ্র ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের খাদ্যশস্যের জোগান। ফলে এখানে সৃষ্ট রোগ সহজেই পূর্ব থেকে পশ্চিমে ছড়িয়ে যায়। রোগের প্রথম আক্রমণটা ছিল বাইজান্টাইনের রাজধানী কনস্টান্টিনোপলে (বর্তমান ইস্তাম্বুল)। কোনো কোনো ইতিহাসবিদের মতে, মহামারীর চূড়ান্ত পর্যায়ে সেখানে প্রতিদিন গড়ে ৫ হাজার মানুষ মারা যেত!

প্রায় ৫০ বছর টিকে থাকা এ মহামারী আড়াই কোটি মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। তবে কিছু কিছু উৎসে সংখ্যাটা ১০ কোটিতেও ঠেকেছে। প্রাচীন পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ানক এ মহামারীই ইউরোপে ‘ডার্ক এজ’র সূচনা করেছিল।

১৩৩৪ সাল: দ্য গ্রেট প্লেগ অব লন্ডন
গ্রেট প্লেগ অব লন্ডন হিসেবে স্বীকৃত ১৩৩৪ সালের প্লেগ আসলে ছড়ায় চীন থেকে। এরপর ইতালির ফ্লোরেন্স শহরেই ছয় মাসে প্লেগে মারা যায় ৯০ হাজার মানুষ। পুরো ইউরোপজুড়ে মারা যায় আড়াই কোটি মানুষ।

cover-(2)

১৩৪৬ সাল: দ্য ব্ল্যাক ডেথ
পৃথিবীর ইতিহাসে কিংবা একটু ছোট পরিসরে বললে ইউরোপের ইতিহাসে ব্ল্যাক ডেথের মতো আলোচিত মহামারী আর নেই। এরকম ভয়ানক, সর্বগ্রাসী রোগের প্রাদুর্ভাব সম্ভবত পৃথিবী একবারই দেখেছিল ১৪ শতকে। কৃষ্ণ সাগরের (ব্ল্যাক সি) উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলো থেকে এ রোগ ছড়িয়ে পড়েছিল বিধায় একে ব্ল্যাক ডেথ বলা হয়। সেসময় ইউরোপ ও এশিয়ার বাণিজ্য হতো এ কৃষ্ণ সাগর দিয়েই। আর এখান থেকে খাদ্যদ্রব্যের জাহাজগুলোতে চড়ে বসতো অসংখ্য ইঁদুর, যেগুলো কি-না রোগের প্রধান জীবাণুবাহী।

তবে ব্ল্যাক ডেথের সময় মানুষ কোন রোগটিতে অধিক হারে মৃত্যুবরণ করেছিল, তা নিয়ে ইতিহাসবিদগণ দ্বিধাবিভক্ত। একাংশের মতে, রোগটি ছিল এক প্রকার গ্রন্থিপ্রদাহজনিত প্লেগ। অন্য অংশের দাবি, এ ভয়ানক মহামারী ঘটেছিল ইবোলা ভাইরাসের কারণে।

১৩৪৭-৫১ খ্রিষ্টাব্দ সময়কালই ছিল ব্ল্যাক ডেথের সবচেয়ে বিধ্বংসী সময়। এ সময় ইউরোপের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষের প্রাণবায়ু কেড়ে নেয় এ মহামারী। তবে এ অভিশপ্ত মহামারীর প্রভাব টিকে ছিল অন্তত ২০০ বছর। ইতিহাসবিদদের মতে, এ ২০০ বছরে অন্তত ১০ কোটি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন! এটি এমনই এক মহামারী ছিল যে, এর কারণে সমগ্র ইউরোপের অর্থনৈতিক সার্বিক জীবন কাঠামোই বদলে যায়, প্রভাবিত হয় শিল্প-সাহিত্যও। ব্ল্যাক ডেথের রেখে যাওয়া গভীর ক্ষত বয়ে বেড়াতে হয় পরবর্তী বেশ কয়েক প্রজন্মের।

১৫১৯ সাল: স্মলপক্স এপিডেমিক অব মেক্সিকো
বর্তমান মেক্সিকোতে ১৫১৯ সালে স্মলপক্স ছড়িয়ে পড়লে দুই বছরে মারা যায় প্রায় ৮০ লাখ মানুষ।

১৬৩৩ সাল: স্মলপক্স এপিডেমিক অব আমেরিকা
ফ্রান্স, গ্রেট বৃটেন ও নেদারল্যান্ডসবাসীর মাধ্যমে ১৬৩৩ সালে আমেরিকার ম্যাসাচুসেটসে স্মলপক্স ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রায় ২ কোটি মানুষ মারা যায় বলে দাবি করেন ইতিহাসবিদরা।

১৭৯৩ সাল: ইয়েলো ফিভার এপিডেমিক অব আমেরিকা
আমেরিকার ফিলাডেলফিয়ায় ১৭৯৩ সালে ইয়েলো ফিভার মহামারী আকার ধারণ করে। এতে নগরের ১০ ভাগের এক ভাগ, প্রায় ৪৫ হাজার মানুষ মারা যায়।

১৮৬০ সাল: দ্য থার্ড প্লেগ প্যানডেমিক
ইতিহাসে সবচেয়ে বিস্তৃত আকারে প্লেগের প্রাদুর্ভাব ঘটে মোটামুটি ৩ বার। তৃতীয়টির উৎপত্তি ১৯ শতকে চীনে, যখন বিশ্ববাণিজ্যে ভালোরকম প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে দেশটি। ইউয়ান নামক একটি ছোট্ট গ্রামে প্রথম এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ক্রমে তা বিস্তার লাভ করতে করতে হংকং আর গুয়াংঝু প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে, যে শহরগুলোর সাথে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরাসরি বাণিজ্য সম্পর্ক ছিল। ফলে প্লেগ ছড়িয়ে যায় ভারত, আফ্রিকা, ইকুয়েডর, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রেও। প্রায় দুই দশক স্থায়ী এ মহামারীতে প্রাণ হারায় ১ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ।

cover-(2)

কোনো কোনো ইতিহাসবিদের বর্ণনায় সংখ্যাটা ছাড়িয়েছে দেড় কোটির কোটা! সেসময়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগতে শুরু করেছিল বেশ ভালোভাবেই। পূর্বের অনেক মরণঘাতি রোগই তখন প্রতিনিয়ত ডাক্তারদের নিরাময় করার সক্ষমতার মধ্যে চলে আসতে শুরু করে। আর এ কারণেই মূলত চতুর্থবার বিস্তীর্ণভাবে প্লেগ মহামারী ঘটেনি। সেবারই বিশ্বজুড়ে চিকিৎসক সমাজের প্রতিকার প্রতিবিধান করে। পরে ১৮৯০ এর দশকে প্লেগের ভ্যাকসিন উদ্ভাবন হয়।

১৯১০ সাল: দ্য প্লেগ এপিডেমিক অব ফার্স্ট ডিকেড
বিশ শতকের সবচেয়ে বড় প্লেগ মহামারী দেখা দেয় ১৯১০ সালে। চীনের মাঞ্চুরিয়ায় দুই বছরে মারা যায় প্রায় ৬০ হাজার মানুষ। এটি চতুর্থবার প্লেগের মহামারী হলেও তা বিস্তীর্ণভাবে ছড়ায়নি।

১৯১৬ সাল: দ্য পোলিও এপিডেমিক অব আমেরিকা
১৯১৬ সালে পোলিও রোগ প্রথম মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে। সেবছর নিউইয়র্কে ৯ হাজার মানুষ পোলিওতে আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে ৬ হাজার মানুষই মৃত্যুবরণ করে! চিকিৎসাবিজ্ঞান তখন যথেষ্টই উন্নত হলেও চিন্তার বিষয় ছিল যে, এ মহামারীতে মৃত্যুর হার আগের যেকোনো মহামারীর চেয়ে বেশি ছিল! নিউইয়র্ক শহর থেকে ক্রমে পোলিওর প্রাদুর্ভাব বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবছর বিশ্বে কত শত মানুষ পোলিওতে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়, তার কোনো সঠিক তথ্যও পাওয়া যায় না। অবশেষে ১৯৫০ সালে জোনাস সাল্ক পোলিও টিকা আবিষ্কার করলে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ কমে যায়।

১৯১৮ সাল: দ্য ইনফ্লুয়েঞ্জা প্যানডেমিক বা দ্য গ্রেট ফ্লু প্যানডেমিক
নানা কারণে আলোচিত বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ ছিল আক্ষরিক অর্থে হত্যা আর প্রাণহানীতে পূর্ণ। ১৯১৮ সালের নভেম্বরে যখন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছে, রক্তস্রোত দেখতে দেখতে ক্লান্ত বিশ্ববাসী যখন পরিত্রাণের আশায় মুক্তির নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে, তখন তাদের নীরবে শুরু হয়ে গিয়েছিল আরেক মৃত্যুর মিছিল। এ মিছিলটি ‘দ্য ইনফ্লুয়েঞ্জা প্যানডেমিক’ নামে পরিচিত। বিশ্বযুদ্ধের শেষ প্রান্তেই এর সূচনা হলেও মহামারী আকারে বিস্তার ঘটে ১৯১৯ সালে। অল্প সময়ের মাঝেই সমগ্র বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ আক্রান্ত হয়ে পড়ে ইনফ্লুয়েঞ্জায়, মৃত্যুর মিছিল বাড়তেই থাকে।

cover-(2)

৪ বছরের অধিক কাল বিস্তৃত প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যেখানে ২ কোটির মতো মানুষ প্রাণ হারায়, সেখানে মাত্র এক বছরেই ইনফ্লুয়েঞ্জা প্যানডেমিক কেড়ে নেয় ১ কোটির বেশি মানুষের প্রাণ! দেশে দেশে সরকার সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরিধানের জন্য আইন পাস করে, দীর্ঘদিনের জন্য বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়, খাদ্যদ্রব্যের বাজারগুলোতে লোক সমাগম নিয়ন্ত্রণ করা হতো কঠোরভাবে। ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা মানুষের শবদেহ কাটাছেঁড়া করে ডাক্তাররাও বিচলিত হয়ে উঠতেন। দেখা যেতো, তাদের ফুসফুস নীল এবং স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে থাকতো। মনে হতো যেন তারা পানিতে ডুবে মারা গিয়েছেন।

১৯৭০ সাল: স্মলপক্স এপিডেমিক অব ইন্ডিয়া
গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কার হয়েছিল ১৮ শতকের শেষভাগে (১৭৯৬ সালে)। এডওয়ার্ড জেনার এ টিকা আবিষ্কার করেন। এটিই ছিল চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম সফল টিকা। অথচ টিকা আবিষ্কারের প্রায় ২০০ বছর পরও এ রোগে আক্রান্ত হয়ে হাজার হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে!

১৯৭০ সালে ভারতে হঠাৎ মহামারী আকারে ছড়িয়ে যায় গুটি বসন্ত। ১ লক্ষাধিক মানুষ রাতারাতি এ রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এক বছরেই মৃত্যুবরণ করে ২০ হাজারের বেশি মানুষ। যদিও এ তালিকার অন্যান্য মহামারীর তুলনায় এ মৃত্যুর সংখ্যাটা বেশ কম, তথাপি চিকিৎসাবিজ্ঞানের আধুনিক সময়ে, যখন বিশ্ব প্রায় গুটি বসন্ত মুক্ত হয়ে গেছে, তখন ভারতের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশে এরূপ মহামারী ছিল বেশ হতাশাজনক। পরবর্তী কয়েকবছরে ভারত সরকার এবং জাতিসংঘের সহায়তায় গঠিত একটি স্বাস্থ্য বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ১৯৭৫ সালেই ভারতকে গুটি বসন্ত মুক্ত ঘোষণা করা সম্ভব হয়।

১৯৮৪ সাল: এইচআইভি ভাইরাস
প্রথম এইচআইভি ভাইরাস শনাক্ত হয় ১৯৮৪ সালে। এ ভাইরাসের কারণে এইডস রোগে সে বছরই আমেরিকায় মারা যায় ৫,৫০০ জন। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৩৫ মিলিয়ন মানুষ এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত। আর এ পর্যন্ত এইডসে মারা গেছে আড়াই কোটির বেশি মানুষ।

২০০৩ সাল: সার্স এপিডেমিক
‘সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম’ তথা সার্স নামটি মহামারীর তালিকায় নতুন এবং আমাদের কাছে খুব পরিচিত। হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বায়ুবাহিত এ রোগের জীবাণু সহজেই ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম বলে জনমনে সংক্রমণের আশঙ্কাটা ছিল বেশি। এশিয়ার সামান্য কিছু অংশসহ ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ায় সার্স ছড়িয়ে পড়ে। সার্সের জীবাণু দেহে প্রবেশ করলে প্রাথমিকভাবে মাথাব্যথা, জ্বর থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে শুষ্ক কাশি শুরু হয়, যা একসময় নিউমোনিয়ায় পরিণত হয়। সার্সের কোনো নিজস্ব চিকিৎসা নেই। তাই ডাক্তাররা এর প্রতিকার থেকে প্রতিরোধে বেশি গুরুত্ব দেন, যে কারণে ২০০৩ সালে সার্সের প্রাদুর্ভাবের সময় সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। সমগ্র উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়ার কয়েকটি দেশে কয়েক লক্ষাধিক মানুষ সার্স দ্বারা আক্রান্ত হয়। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞান দ্রুত কাজ শুরু করলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারেনি। মাত্র ৬ মাসের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী সার্স নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এসময় এ রোগে মৃত্যু হয় ৭৩৭ জনের।

in-(1)

২০০৯ সাল: সোয়াইন ফ্লু এপিডেমিক
বিশ্বজুড়ে ২০০৯ সালে সোয়াইন ফ্লু বা এইচ ওয়ান এন ওয়ান ফ্লুতে ১৮,৫০০ জন মারা গেছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। তবে এ রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৫ লাখ ৭৫ হাজার বলেও ধারণা করা হয়।

২০১০ সাল: কলেরা এপিডেমিক অব হাইতি
হাইতিতে ২০১০ সালে ভয়ঙ্কর এক ভূমিকম্পের পর কলেরা মহামারী রূপ নিলে ১০ হাজার মানুষ মারা যায়।

২০১২ সাল: হাম
বিশ্বজুড়ে ২০১২ সালে ভাইরাসজনিত রোগ হামে মারা যায় ১ লাখ ২২ হাজার মানুষ। সে বছর পুরো বিশ্বে ব্যাকটেরিয়া সংক্রামক রোগ টিউবারকিউলোসিসে মারা যায় ১.৩ মিলিয়ন মানুষ। এছাড়া প্রতিবছর টাইফয়েড জ্বরে মারা যাচ্ছে ২ লাখ ১৬ হাজার মানুষ।

২০১৪ সাল: ইবোলা এপিডেমিক
পশ্চিম আফ্রিকায় ২০১৪ সালে ইবোলা জ্বরে মারা যায় অন্তত ১১,৩০০ জন।

২০২০ সাল: কোভিড-১৯ প্যানডেমিক
এখনো পর্যন্ত চলমান এ প্যানডেমিকে প্রায় ৪ হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন। ১৫০টির কাছাকাছি দেশে ছড়িয়ে পরা করোনাভাইরাস ঘটিত এ রোগের উৎপত্তি ছিল চীন এবং ইউরোপের এপিসেন্টার ইতালি।

এসইউ/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,৪৮,২২,৯৩৫
আক্রান্ত

১৪,৯৮,৩৬৩
মৃত

৪,৪৯,২৬,৬০৫
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪,৬৯,৪২৩ ৬,৭১৩ ৩,৮৫,৭৮৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,৪৩,১৩,৯৪১ ২,৭৯,৮৬৫ ৮৪,৬২,৩৪৭
ভারত ৯৫,৩৩,৪৭১ ১,৩৮,৬৫৭ ৮৯,৭০,১০৪
ব্রাজিল ৬৪,৩৬,৬৫০ ১,৭৪,৫৩১ ৫৬,৯৮,৩৫৩
রাশিয়া ২৩,৪৭,৪০১ ৪১,০৫৩ ১৮,৩০,৩৪৯
ফ্রান্স ২২,৪৪,৬৩৫ ৫৩,৮১৬ ১,৬৫,৫৬৩
স্পেন ১৬,৮২,৫৩৩ ৪৫,৭৮৪ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ১৬,৫৯,২৫৬ ৫৯,৬৯৯ ৩৪৪
ইতালি ১৬,৪১,৬১০ ৫৭,০৪৫ ৮,২৩,৩৩৫
১০ আর্জেন্টিনা ১৪,৪০,১০৩ ৩৯,১৫৬ ১২,৬৮,৩৫৮
১১ কলম্বিয়া ১৩,৩৪,০৮৯ ৩৭,১১৭ ১২,২৫,৬৩৫
১২ মেক্সিকো ১১,২২,৩৬২ ১,০৬,৭৬৫ ৮,২৯,৮১৭
১৩ জার্মানি ১১,০৫,৮৩২ ১৭,৮১২ ৭,৭৯,৫০০
১৪ পোল্যান্ড ১০,১৩,৭৪৭ ১৮,২০৮ ৬,২২,৯৮০
১৫ ইরান ৯,৮৯,৫৭২ ৪৮,৯৯০ ৬,৮৮,০৫৪
১৬ পেরু ৯,৬৭,০৭৫ ৩৬,০৭৬ ৮,৯৯,২১৩
১৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,৯৬,৪৭২ ২১,৭০৯ ৭,৩৪,৩০৫
১৮ ইউক্রেন ৭,৫৮,২৬৪ ১২,৭১৭ ৩,৬৯,০৫৪
১৯ তুরস্ক ৭,০০,৮৮০ ১৪,১২৯ ৪,১৪,১৪১
২০ বেলজিয়াম ৫,৭৯,২১২ ১৬,৭৮৬ ৩৭,৯২৪
২১ ইরাক ৫,৫৬,৭২৮ ১২,৩৪০ ৪,৮৬,৩১৩
২২ চিলি ৫,৫৩,৮৯৮ ১৫,৪৩৮ ৫,২৯,৫০১
২৩ ইন্দোনেশিয়া ৫,৪৯,৫০৮ ১৭,১৯৯ ৪,৫৮,৮৮০
২৪ চেক প্রজাতন্ত্র ৫,৩৩,০৪২ ৮,৫১৫ ৪,৬১,৫৯৯
২৫ নেদারল্যান্ডস ৫,৩২,৪৪৪ ৯,৫০৪ ২৫০
২৬ রোমানিয়া ৪,৮৪,৫৫০ ১১,৬৬৫ ৩,৭১,২৩১
২৭ ফিলিপাইন ৪,৩৪,৩৫৭ ৮,৪৩৬ ৩,৯৯,০০৫
২৮ পাকিস্তান ৪,০৩,৩১১ ৮,১৬৬ ৩,৪৫,৩৬৫
২৯ কানাডা ৩,৮৯,৭৭৫ ১২,৩২৫ ৩,০৯,৮৮৬
৩০ মরক্কো ৩,৬৪,১৯০ ৫,৯৮৫ ৩,১৪,২৩৭
৩১ সৌদি আরব ৩,৫৭,৮৭২ ৫,৯১৯ ৩,৪৭,৫১৩
৩২ ইসরায়েল ৩,৩৯,৬১৯ ২,৮৮৩ ৩,২৫,২৬০
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৩,৩৫,৬৬০ ৫,০৪৫ ২,৫৭,৬০০
৩৪ পর্তুগাল ৩,০৩,৮৪৬ ৪,৬৪৫ ২,২৩,৪৪৬
৩৫ অস্ট্রিয়া ২,৮৯,৪৬১ ৩,৪৪৬ ২,৩৩,৬৫৭
৩৬ সুইডেন ২,৬৬,১৫৮ ৬,৯৭২ ৪,৯৭১
৩৭ নেপাল ২,৩৬,২৪৬ ১,৫৩৮ ২,১৮,১৬১
৩৮ জর্ডান ২,২৭,২০৮ ২,৮৫৪ ১,৬৮,৪২৯
৩৯ হাঙ্গেরি ২,২৫,২০৯ ৫,১৪২ ৬৫,৮৮৮
৪০ ইকুয়েডর ১,৯৪,৮৭৬ ১৩,৫৬২ ১,৬৯,৮০৪
৪১ সার্বিয়া ১,৯১,৩৫৬ ১,৭০৪ ৩১,৫৩৬
৪২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,৭১,৪৩৪ ৫৮০ ১,৫৬,৩৮০
৪৩ পানামা ১,৬৯,৩৩৯ ৩,১১৪ ১,৪৬,৫৭৬
৪৪ বুলগেরিয়া ১,৫১,৯১৩ ৪,৩৪৭ ৫৫,২০৬
৪৫ জাপান ১,৫০,৩৮৬ ২,১৭২ ১,২৭,৩০৪
৪৬ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৪৫,১৯৭ ২,৩৩৪ ১,১৫,৬১১
৪৭ বলিভিয়া ১,৪৪,৮১০ ৮,৯৬৩ ১,২২,৪৯৫
৪৮ জর্জিয়া ১,৪৩,৩৭৬ ১,৩৪২ ১,২১,৬২১
৪৯ কুয়েত ১,৪৩,২৬০ ৮৮২ ১,৩৮,১৩৪
৫০ কোস্টারিকা ১,৪১,৩৪০ ১,৭৩৯ ৮৮,২২৬
৫১ বেলারুশ ১,৩৯,৯০৮ ১,১৭৪ ১,১৭,১৯৫
৫২ কাতার ১,৩৯,২৫৬ ২৩৯ ১,৩৬,৫১৩
৫৩ আর্মেনিয়া ১,৩৭,২৩১ ২,২২৮ ১,১১,৭৯৫
৫৪ ক্রোয়েশিয়া ১,৩৪,৮৮১ ১,৯১৬ ১,১০,৩৫৫
৫৫ কাজাখস্তান ১,৩৩,১১৮ ১,৯৯০ ১,১৭,৩৬২
৫৬ লেবানন ১,৩১,২৯৭ ১,০৫৫ ৮৩,০৩৪
৫৭ আজারবাইজান ১,২৯,৫৪৪ ১,৪৭০ ৭৯,১৬২
৫৮ ওমান ১,২৪,১৪৫ ১,৪৩০ ১,১৫,৬১৩
৫৯ গুয়াতেমালা ১,২৩,৪৬০ ৪,১৯১ ১,১২,১৮১
৬০ মিসর ১,১৬,৭২৪ ৬,৬৯৪ ১,০২,৯৪৯
৬১ ইথিওপিয়া ১,১০,৯৮৪ ১,৭১৫ ৭৬,০৬৭
৬২ মলদোভা ১,১০,৫৮০ ২,৩৪৩ ৯৬,৭১১
৬৩ গ্রীস ১,০৯,৬৫৫ ২,৬০৬ ৯,৯৮৯
৬৪ স্লোভাকিয়া ১,০৯,২২৬ ৮৯৮ ৭১,৭৩৮
৬৫ হন্ডুরাস ১,০৮,৬৪১ ২,৯২৭ ৪৮,৫৫৬
৬৬ ভেনেজুয়েলা ১,০২,৬২১ ৯০১ ৯৭,৫৬২
৬৭ তিউনিশিয়া ৯৯,২৮০ ৩,৩৫৯ ৭৩,৬০৭
৬৮ মায়ানমার ৯৩,৬০০ ১,৯৯৮ ৭২,৬০১
৬৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৯০,৩৭৮ ২,৭৭৩ ৫৪,৯৬৭
৭০ ফিলিস্তিন ৯০,১৯২ ৭৬৩ ৬৬,৯৮৯
৭১ বাহরাইন ৮৭,২৭০ ৩৪১ ৮৫,৪৬৩
৭২ চীন ৮৬,৫৫১ ৪,৬৩৪ ৮১,৬৪৯
৭৩ কেনিয়া ৮৫,১৩০ ১,৪৮৪ ৫৬,৪৬৪
৭৪ আলজেরিয়া ৮৫,০৮৪ ২,৪৬৪ ৫৪,৯৯০
৭৫ প্যারাগুয়ে ৮৪,৪৮২ ১,৭৮৩ ৫৯,৪৬৫
৭৬ লিবিয়া ৮৪,০৮৭ ১,২০০ ৫৪,৭১২
৭৭ ডেনমার্ক ৮৩,৫৩৫ ৮৫২ ৬৬,০৮৬
৭৮ স্লোভেনিয়া ৭৯,৫৬৬ ১,৫৪৭ ৫৭,৪৪৭
৭৯ কিরগিজস্তান ৭৩,৫১৩ ১,৪৯৮ ৬৫,১৮৯
৮০ উজবেকিস্তান ৭৩,৩৩৫ ৬১১ ৭০,৫৩৪
৮১ আয়ারল্যান্ড ৭৩,০৬৬ ২,০৭৪ ২৩,৩৬৪
৮২ মালয়েশিয়া ৬৮,০২০ ৩৬৫ ৫৬,৯৬৯
৮৩ নাইজেরিয়া ৬৭,৯৬০ ১,১৭৭ ৬৩,৮৩৯
৮৪ লিথুনিয়া ৬৪,৬২১ ৫৪৭ ২৫,২৭৮
৮৫ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬৩,৮৯০ ১,৮২৫ ৪০,৯৭৭
৮৬ সিঙ্গাপুর ৫৮,২৩০ ২৯ ৫৮,১৪৪
৮৭ ঘানা ৫১,৬৬৭ ৩২৩ ৫০,৫৪৭
৮৮ আফগানিস্তান ৪৬,৯৮০ ১,৮২২ ৩৭,০২৬
৮৯ আলবেনিয়া ৩৯,৭১৯ ৮৩৯ ১৯,৯১২
৯০ এল সালভাদর ৩৯,১৩০ ১,১২৯ ৩৫,৮৩৯
৯১ নরওয়ে ৩৬,৯৬৯ ৩৫১ ২৭,৪১৪
৯২ মন্টিনিগ্রো ৩৬,৩৫১ ৫১০ ২৫,৪০৯
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৩৫,৮০২ ৩৩৪ ২৬,৪৯৭
৯৪ দক্ষিণ কোরিয়া ৩৫,১৬৩ ৫২৬ ২৮,০৬৫
৯৫ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৯২৩ ৯০৮ ২৫,৬১২
৯৬ ফিনল্যাণ্ড ২৫,৮৮২ ৪০৮ ১৮,১০০
৯৭ শ্রীলংকা ২৫,৪১০ ১২৪ ১৮,৩০৪
৯৮ ক্যামেরুন ২৪,৪৮৭ ৪৪১ ২২,১৭৭
৯৯ উগান্ডা ২১,৪০৯ ২০৬ ৯,০৪৪
১০০ আইভরি কোস্ট ২১,৩৬১ ১৩২ ২১,০১০
১০১ লাটভিয়া ১৮,৩৭৭ ২২৪ ১,৮২৩
১০২ সুদান ১৮,২৫৪ ১,২৬৫ ১০,৪৯৩
১০৩ জাম্বিয়া ১৭,৭০০ ৩৫৭ ১৭,০৮৬
১০৪ মাদাগাস্কার ১৭,৩৪১ ২৫১ ১৬,৬৫৭
১০৫ সেনেগাল ১৬,১৭৩ ৩৩৪ ১৫,৬৫৭
১০৬ মোজাম্বিক ১৫,৮৬৬ ১৩২ ১৪,০১৪
১০৭ অ্যাঙ্গোলা ১৫,৩১৯ ৩৫১ ৮,১৩৯
১০৮ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৪,৭১৬ ৭৭ ৪,৮৪২
১০৯ নামিবিয়া ১৪,৪৭৭ ১৫১ ১৩,৬৯৭
১১০ গিনি ১৩,১৪৩ ৭৬ ১২,১৫৪
১১১ মালদ্বীপ ১৩,০৭০ ৪৭ ১২,০০১
১১২ এস্তোনিয়া ১৩,০১৯ ১২২ ৭,৬০৮
১১৩ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১২,৯৮৭ ৩৩৬ ১১,৬৯৪
১১৪ তাজিকিস্তান ১২,২৬৯ ৮৭ ১১,৬৭৭
১১৫ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১১,২৮৩ ৭০ ৯,৯৯৫
১১৬ সাইপ্রাস ১১,১৭৫ ৫২ ২,০৫৭
১১৭ কেপ ভার্দে ১০,৮৬৭ ১০৬ ১০,৪২২
১১৮ জ্যামাইকা ১০,৮৬৪ ২৫৮ ৬,৫০০
১১৯ বতসোয়ানা ১০,৭৪২ ৩৪ ৭,৯১২
১২০ জিম্বাবুয়ে ১০,১২৯ ২৭৭ ৮,৬৪৩
১২১ মালটা ১০,১০১ ১৪৬ ৭,৮৮৭
১২২ হাইতি ৯,৩১৩ ২৩৩ ৮,০৯১
১২৩ গ্যাবন ৯,২৩৯ ৬০ ৯,০৮৯
১২৪ মৌরিতানিয়া ৮,৮৬৩ ১৭৯ ৭,৭৮০
১২৫ কিউবা ৮,৪৫৬ ১৩৬ ৭,৭১৪
১২৬ গুয়াদেলৌপ ৮,৪২৭ ১৪৯ ২,২৪২
১২৭ রিইউনিয়ন ৮,১০২ ৪০ ৭,১৭২
১২৮ সিরিয়া ৮,০৫৯ ৪২৬ ৩,৬৮৯
১২৯ বাহামা ৭,৫৪৩ ১৬৩ ৫,৯৩৪
১৩০ এনডোরা ৬,৮৪২ ৭৬ ৫,৯৮৮
১৩১ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৬,৭০৪ ১২১ ৫,৮৪৩
১৩২ হংকং ৬,৫০০ ১১০ ৫,৩৯৪
১৩৩ ইসওয়াতিনি ৬,৪৫৫ ১২২ ৬,০৩২
১৩৪ উরুগুয়ে ৬,২২৫ ৮০ ৪,৫৮৪
১৩৫ মালাউই ৬,০৪০ ১৮৫ ৫,৪৭১
১৩৬ রুয়ান্ডা ৫,৯৯৪ ৫০ ৫,৫৭৫
১৩৭ বেলিজ ৫,৮৫৪ ১৪৮ ৩,১৫১
১৩৮ নিকারাগুয়া ৫,৮৩৮ ১৬১ ৪,২২৫
১৩৯ কঙ্গো ৫,৭৭৪ ১১৪ ৪,৯৮৮
১৪০ জিবুতি ৫,৬৮২ ৬১ ৫,৫৮৭
১৪১ মার্টিনিক ৫,৫২০ ৪১ ৯৮
১৪২ গায়ানা ৫,৪৪৯ ১৫১ ৪,৫৩০
১৪৩ আইসল্যান্ড ৫,৪১৩ ২৭ ৫,১৮৭
১৪৪ সুরিনাম ৫,৩২০ ১১৭ ৫,২০০
১৪৫ মায়োত্তে ৫,১৮১ ৪৯ ২,৯৬৪
১৪৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,১৫৬ ৮৫ ৫,০০৯
১৪৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯১৮ ৬৩ ১,৯২৪
১৪৮ আরুবা ৪,৯০২ ৪৫ ৪,৭১৮
১৪৯ মালি ৪,৮৩৭ ১৬১ ৩,২৬৩
১৫০ সোমালিয়া ৪,৫২৫ ১২১ ৩,৪৮০
১৫১ থাইল্যান্ড ৪,০২৬ ৬০ ৩,৮২২
১৫২ গাম্বিয়া ৩,৭৬৫ ১২৩ ৩,৬০৯
১৫৩ দক্ষিণ সুদান ৩,১১৮ ৬১ ২,৯৬৬
১৫৪ বেনিন ৩,০৫৫ ৪৪ ২,৮৩৯
১৫৫ টোগো ৩,০১৪ ৬৫ ২,৫৪৩
১৫৬ বুর্কিনা ফাঁসো ৩,০১০ ৬৮ ২,৬৬৭
১৫৭ কিউরাসাও ২,৬৫৮ ১,২১৮
১৫৮ গিনি বিসাউ ২,৪৪১ ৪৪ ২,৩২৭
১৫৯ সিয়েরা লিওন ২,৪১৬ ৭৪ ১,৮৩৮
১৬০ ইয়েমেন ২,২১৭ ৬২১ ১,৫১৮
১৬১ লেসোথো ২,১৪২ ৪৪ ১,২৭৮
১৬২ নিউজিল্যান্ড ২,০৬০ ২৫ ১,৯৬৩
১৬৩ চাদ ১,৭০৫ ১০২ ১,৫৩৯
১৬৪ সান ম্যারিনো ১,৬৮৭ ৪৬ ১,৩৪০
১৬৫ নাইজার ১,৬৪০ ৭৬ ১,২২৭
১৬৬ লাইবেরিয়া ১,৫৯৫ ৮৩ ১,৩৪৩
১৬৭ চ্যানেল আইল্যান্ড ১,৩৯৭ ৪৮ ১,০১২
১৬৮ ভিয়েতনাম ১,৩৫৮ ৩৫ ১,২০১
১৬৯ লিচেনস্টেইন ১,৩১৮ ১৬ ১,১৪৯
১৭০ সিন্ট মার্টেন ১,০৭২ ২৫ ৯৭৩
১৭১ জিব্রাল্টার ১,০৩৫ ৯৫৪
১৭২ মঙ্গোলিয়া ৮১২ ৩৫৮
১৭৩ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭৫০ ৭২০
১৭৪ সেন্ট মার্টিন ৭১৭ ১২ ৬৪১
১৭৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭৬ বুরুন্ডি ৬৮৯ ৫৭৫
১৭৭ তাইওয়ান ৬৮৫ ৫৭০
১৭৮ পাপুয়া নিউ গিনি ৬৬৯ ৫৯৭
১৭৯ মোনাকো ৬২১ ৫৬৩
১৮০ কমোরস ৬১৩ ৫৮৬
১৮১ ইরিত্রিয়া ৫৭৭ ৪৯৮
১৮২ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৮৩ মরিশাস ৫০৮ ১০ ৪৬৫
১৮৪ ফারে আইল্যান্ড ৫০৩ ৫০০
১৮৫ ভুটান ৪১৪ ৩৮৬
১৮৬ আইল অফ ম্যান ৩৬৯ ২৫ ৩৪৪
১৮৭ কম্বোডিয়া ৩২৯ ৩০৪
১৮৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২৮৫ ২৫৬
১৮৯ বার্বাডোস ২৭৯ ২৫৫
১৯০ বারমুডা ২৬৭ ২১৫
১৯১ সেন্ট লুসিয়া ২৬১ ১৪১
১৯২ সিসিলি ১৮৩ ১৬২
১৯৩ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৬২ ১৫৭
১৯৪ ব্রুনাই ১৫১ ১৪৫
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ১৪৭ ১০৫
১৯৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৪৪ ১৩৩
১৯৭ ডোমিনিকা ৮৫ ৬৩
১৯৮ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৮৫ ৮০
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭২ ৭১
২০০ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০১ ফিজি ৪২ ৩৩
২০২ গ্রেনাডা ৪১ ৩০
২০৩ লাওস ৩৯ ২৬
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৩৩ ৩২
২০৫ পূর্ব তিমুর ৩১ ৩১
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২২ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৮ ১৮
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৭ ১৫
২১০ সলোমান আইল্যান্ড ১৭
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১৪
২১২ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৩ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৪ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৭ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]