মানহীন ক্লিনিক প্রয়োজনে সিলগালা করে দিতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:০২ পিএম, ০৭ জানুয়ারি ২০২১

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে দেশের আনাচে-কানাচে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে গেছে। এখন মায়েদের বাড়িতে ডেলিভারি নিরুৎসাহিত করতে হবে। এ কাজে মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্যোগী হতে হবে। যত্রতত্র ও অস্বাস্থ্যকর ক্লিনিকে মায়েদের ডেলিভারি বন্ধ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেসব ক্লিনিক স্বাস্থ্যসম্মত নয়, সেগুলো প্রয়োজনে সিলগালা করে দিতে হবে। লোকবল আরো প্রয়োজন হলে নিয়োগ দিন। মিডওয়াইফ কর্মীদের কাজে লাগাতে হবে, তাদেরকে নিরাপদ ডেলিভারি করতে উৎসাহিত করতে হবে। যেখানে যে উদ্যোগ প্রয়োজন সেখানে সেভাবেই কাজ করতে হবে, তবুও মাতৃমৃত্যুহার ধীরে ধীরে ৫০-এর নিচে নামিয়ে আনতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সভাকক্ষে মাতৃমৃত্যুহার নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গত ১০ বছরের মাতৃমৃত্যুহারের পরিসংখ্যান তথ্য তুলে ধরে সভায় জানান, ‘দেশে বর্তমানে প্রতি লাখ জীবিত জন্মে মাতৃমৃত্য ১৬৫ জন, যা ২০০৯ সালে ছিল ২৫৯ জন। গত ১০ বছরে মাতৃমৃত্যুহার কমেছে প্রতি লাখে জীবিত জন্মে প্রায় ৯৪ জন। যদিও গত ১০ বছরের পরিসংখ্যানে কিছুটা উন্নতি দেখা যাচ্ছে, কিন্তু মাতৃমৃত্যুহার প্রতি লাখ জীবিত জন্মে ৭০ জনের নিচে নিয়ে আসতে হবে।’

এ বিষয়ে মন্ত্রী সভায় উপস্থিত কর্মকর্তাদের ইমিডেয়েট প্লান, মিডটার্ম ও লং-টার্ম প্লান নিয়ে কাজ করার পরামর্শ দেন।

সভায় স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলী নূর জানান, ‘শহরাঞ্চলে পরিবার পরিকল্পনা সার্ভিস দেয়ার ব্যাপারটি অন্য মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকায় কাজ করা কঠিন। এ বিষয়ে মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদফতরের মহাপরিচালক সিদ্দিকা আক্তার, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন, জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (নিপোর্ট) মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার সাহাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এমইউ/এমএইচআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]