নিউজিল্যান্ডের এক সৈকতে আটকে পড়ে ৬ তিমির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৫২ এএম, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
নিউজিল্যান্ডের এক সৈকতে আটকে পড়ে ৬ তিমির মৃত্যু

নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণ দ্বীপের একটি দুর্গম সৈকতে আটকে পড়ে অন্তত ছয়টি তিমির মৃত্যু হয়েছে। এখনো জীবিত থাকা আরও ১৫টি তিমিকে সমুদ্রে ফিরিয়ে দিতে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন স্বেচ্ছাসেবীরা।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ফেয়ারওয়েল স্পিট এলাকায় মোট ৫৫টি পাইলট তিমি ভেসে আসে। এর মধ্যে বেশিরভাগ তিমি নিজে থেকেই সমুদ্রে ফিরে যেতে সক্ষম হয়।

সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী নিয়ে কাজ করা অলাভজনক সংস্থা প্রজেক্ট জোনাহ প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবীরা তিমিগুলোর শরীর ঠান্ডা রাখতে বালতি দিয়ে পানি ঢালছেন।

প্রজেক্ট জোনাহ-এর প্রতিনিধি লুইসা হকস বলেন, জোয়ার এলে আমাদের খুব দ্রুত কাজ করতে হবে। প্রথমে তিমিগুলোকে একত্রিত করতে হবে, তারপর তাদের গভীর পানির দিকে নিয়ে যেতে হবে।

পাইলট তিমি অত্যন্ত সামাজিক প্রাণী এবং তারা স্বাভাবিকভাবেই একে অপরের সঙ্গে থাকতে চায়।

লুইসা হকস বলেন, স্বেচ্ছাসেবীরা আশা করছেন জীবিত ১৫টি তিমিকে একটি ঘনিষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল দল-এ একত্রিত করা যাবে, যাতে তারা আবার একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে একসঙ্গে সাঁতরে সমুদ্রে ফিরে যেতে পারে।

তিনি বলেন, আজ বিকেলে তিমিগুলোকে ভাসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। তবে সময় খুবই সীমিত। জোয়ার নামার আগেই আমাদের সব কাজ শেষ করতে হবে।

প্রজেক্ট জোনাহ তিমিগুলোকে পুনরায় সমুদ্রে ভাসিয়ে দিতে স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের সংরক্ষণ বিভাগ ফেয়ারওয়েল স্পিট এলাকায় আরও কোনো তিমি ভেসে আসে কি না, তা নজরদারির জন্য রেঞ্জার, একটি নৌকা ও একটি ড্রোন মোতায়েন করেছে।

সংরক্ষণ বিভাগ এলাকাটিকে প্রাকৃতিকভাবে একটি তিমি ফাঁদ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই ফেয়ারওয়েল স্পিটেই ৪০০টির বেশি দীর্ঘ-পাখনাওয়ালা পাইলট তিমি ভেসে এসেছিল, যা ছিল নিউজিল্যান্ডে গত ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় তিমি ভেসে আসার ঘটনা।

সূত্র; বিবিসি

এমএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।