নিপাহ ভাইরাস

পশ্চিমবঙ্গে এক নার্স ভেন্টিলেশনে, আইসোলেশনে আরেকজন

পশ্চিমবঙ্গ প্রতিনিধি পশ্চিমবঙ্গ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৪:০৭ পিএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ ভাইরাসের খোঁজ/ ফাইল ছবি: পিটিআই, গ্রাফিকস: জাগোনিউজ

পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত দুই নার্সের মধ্যে একজন এখনো ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। আরেকজনকে ভেন্টিলেশন থেকে বের করে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা চলছে।

জানা যায়, ভেন্টিলেশনে রয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার তরুণী নার্স। আর পুরুষ নার্সকে ভেন্টিলেশন থেকে বের করে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

কাটোয়ার বাসিন্দা নার্স সম্প্রতি ছুটি নিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলেন, সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। গত ৩১ ডিসেম্বর তাকে কাটোয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বর্ধমান মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপরও অবস্থার কোনো উন্নতি না হলে সেখান থেকে বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে করে যেখানে কর্মরত ছিলেন, সেই বারাসাতের নারায়ণা হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই ভেন্টিলেশনে রাখা হয়।

আরও পড়ুন>>
পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ ভাইরাসের খোঁজ
ভারতে নিপাহ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় এশিয়ার বিমানবন্দরগুলোতে কড়াকড়ি

ভারতে ছড়িয়ে পড়েছে নিপাহ ভাইরাস, শঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

অন্য পুরুষ নার্সও একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে একই হাসপাতালে ভর্তি হন। তাকেও প্রথমে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। বর্তমানে তাকে ভেন্টিলেশন থেকে বের করে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এই দুই নার্সের রক্তের নমুনা পাঠানো হয়েছিল পুণেতে। রিপোর্টে দুজনের শরীরেই নিপাহ ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তবে এই বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনো কিছু জানায়নি।

কীভাবে ওই দুই নার্স আক্রান্ত হলেন, তার কারণ খোঁজা হচ্ছে। হাসপাতালে কাজ করার সময় কোনো মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে কি না, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে ওই হাসপাতালে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে এক ব্যক্তি ভর্তি হয়েছিলেন। তার চিকিৎসার দায়িত্ব ছিলেন আক্রান্ত এই দুই নার্স। যদিও সেই ঘটনার পর এক মাসের বেশি সময় গড়িয়ে গেছে।

ডিডি/কেএএ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।