যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের আলোচনায় অগ্রগতি, বিশ্ববাজারে কমলো তেল ও সোনার দাম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে বলে মন্তব্য করার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও সোনার দাম কমেছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে। তার এই বক্তব্যের পরই বাজারে মূল্যহ্রাস দেখা যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুড অয়েলের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ৬২ দশমিক ২৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা আগের তুলনায় প্রায় ১ শতাংশ কম। অন্যদিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৬৭ দশমিক ২২ ডলারে নেমেছে।
সোনার বাজারেও বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক স্পট গোল্ডের দাম কমে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৮৮৩ দশমিক ৮৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা প্রায় ২ দশমিক ২ শতাংশ কম। পাশাপাশি এপ্রিল মাসের ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সোনার দাম কমেছে প্রায় ২ দশমিক ৯ শতাংশ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান বিশ্বের অন্যতম বড় অপরিশোধিত তেল উৎপাদক দেশ। একই সঙ্গে দেশটি ধীরে ধীরে সোনা উৎপাদনেও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করছে। বর্তমানে ইরানে ১৫টি সক্রিয় সোনারখনি রয়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক উন্নয়নের সম্ভাবনা তৈরি হলে জ্বালানি সরবরাহ বাড়তে পারে।
এ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তার দেশ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যাচাই-বাছাইয়ে প্রস্তুত এবং কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না।
তিনি বলেন, আমরা একেবারেই পারমাণবিক অস্ত্র চাই না। যদি কেউ এটি যাচাই করতে চায়, তাহলে সে ধরনের যাচাইয়ের জন্য আমরা প্রস্তুত।
সূত্র: আল-জাজিরা
এমএসএম