‘সাহস থাকলে’ পারস্যে জাহাজ পাঠান, ট্রাম্পকে ইরানি মুখপাত্রের উসকানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৩৩ এএম, ১৬ মার্চ ২০২৬
এআই

ইরানের নৌ সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দেশটি চুক্তি করতে চায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া এই বিবৃতি মিথ্যা বলে প্রত্যাখান করা হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা উসকানি দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের ‘সাহস থাকলে’ পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারে বলে উপহাস করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাইনি বলেন, হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে বিপ্লবী গার্ড নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এই অঞ্চলে ইরানের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব বজায় আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প তো দাবি করেছেন যে তিনি ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস করেছেন। তাহলে সাহস থাকলে তিনি তার জাহাজ পারস্য উপসাগরে পাঠাতে পারেন।’

নাইনি দাবি করেন, ‘এখন পর্যন্ত ইরান প্রায় ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩ হাজার ৬০০টি ড্রোন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নিক্ষেপ করেছে।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ তখনই শেষ হবে যখন ‘শত্রুপক্ষ’ ইরানের সামরিক শক্তি ও সামাজিক প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বীকার করবে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে জানান, আগ্রাসীদের শাস্তি দিতে ইরান তাদের ‘ভারী ও বিধ্বংসী হামলা’ অব্যাহত রাখবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলে-যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকেই উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এসব হামলায় প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, যার মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আহাতুল্লাহ আলি খামেনিও রয়েছেন।

এর জবাবে ইরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে ইরান। পাশাপাশি মার্চের শুরু থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কেএম 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।