দ্বিতীয় দফায় ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গে সহিংসতা

পশ্চিমবঙ্গ প্রতিনিধি পশ্চিমবঙ্গ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৮:০২ পিএম, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
শুভেন্দু অধিকারী এবং মমতা ব্যানার্জী

রাত পোহালেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শুরু হবে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণের আগে নির্বাচন কর্মীদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকেই ইভিএম ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারগুলো থেকে কর্মীরা ইভিএম মেশিন ও ভোট পরিচালনা সংক্রান্ত সরঞ্জাম নিয়ে নিজ নিজ বুথে রওনা দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী নিরাপত্তায়। তবে দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণের আগে বেশ কয়েক জায়গায় সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে।

শেষ দফায় রাজ্যের সাতটি জেলার মোট ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভাগ্যনির্ধারণ হবে প্রার্থীদের। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এবার আটঘাট বেঁধে ময়দানে নেমেছে। ভোটের দিন অশান্তি এড়াতে নজিরবিহীন তৎপরতা দেখাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, প্রতিটি বুথ এবং স্পর্শকাতর এলাকায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

এই পর্বে রাজ্যটির ৭ জেলার ১৪২টি আসনে ভোট নেওয়া হবে। এগুলি হলো- নদিয়া (১৭), উত্তর ২৪ পরগনা (৩৩), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৩১), কলকাতা (১১), হাওড়া (১৬), হুগলি (১৮), পূর্ব বর্ধমান (১৬)।

শেষ দফায় প্রার্থী সংখ্যার ১ হাজার ৪৪৮। নারী প্রার্থীর সংখ্যা ২২০ জন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীসহ শাসক দলের একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক সেলিব্রেটি প্রার্থীরা যেমন আছেন, তেমনি প্রধান বিরোধী দল বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীসহ গেরুয়া শিবিরের একাধিক বিধায়ক, ও সমাজের বিভিন্ন পেশাপশির ব্যক্তিরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

৩ কোটি ২১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৩৭ জন ভোটার এই দফায় তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ৬৪ লক্ষ ৩৫ হাজার ৬২৭ জন। নারী ভোটারের সংখ্যা ১ কোটি ৫৭ লক্ষ ৩৭ হাজার এর কিছু বেশি। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যা ৭৯২ জন।

নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির জাতীয় নির্বাচন কমিশন।প্রতিটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে মোতায়েন থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

পর্যবেক্ষক ও ব্যাপক নিরাপত্তা বাহিনী রাজ্য পুলিশের সদস্য থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগেই বেশ কয়েকটি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। জগদ্দল বিধানসভার অন্তর্গত জগদ্দল থানার সামনে রোববার রাতে বিজেপি এবং তৃণমূলের দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে, তাতে বেশ কয়েকজন আহত হয়।

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যার অংশ হিসেবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করে দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচনে গত ২৩শে এপ্রিল রেকর্ড ৯৩ দশমিক এক নয় শতাংশ ভোট পড়ে।২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট।গননা আগামী ৪ মে।

ডিডি/এমএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।