তেল উৎপাদন ও ভোক্তা হিসেবে তালিকায় শীর্ষে আছে যেসব দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:২৫ পিএম, ০৫ মে ২০২৬
ছবি: আইইএ

সম্প্রতি ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথবাহিনীর হামলার জেরে বৈশ্বিক তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের কারণে সভ্যতার চালিকাশক্তি এই তেল নিয়ে রাজনৈতিক মহড়া দিচ্ছে পরাশক্তিগুলো। বিভিন্ন দেশ তেল উৎপাদন করলেও এর মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব। এরপর তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া ও ইরাক।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে শীর্ষ এই চার দেশের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তেল উৎপাদনের দিক থেকে দীর্ঘ সময় পর প্রথম সারিতে জায়গা করে নিয়েছে ইরাক।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরাক স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে দৈনিক চার মিলিয়নেরও বেশি ব্যারেল তেল উৎপাদন করে, যা দেশটিকে বিশ্বের অন্যতম বড় তেল সরবরাহকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আইইএ আরও জানায়, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে দৈনিক তেলের ব্যবহার প্রায় ১০০ থেকে ১০৫ মিলিয়ন ব্যারেলের মধ্যে স্থিতিশীল রয়েছে। তবে ২০২৫ সালে ব্যবহার বেড়ে ১০৫ মিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি হয়েছিল।

এর পাশাপাশি ২০২৬ সালেও চাহিদা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। তবে বিশ্ব অর্থনীতি নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ধীরে ধীরে ঝুঁকতে থাকায় তেলের চাহিদা বাড়লেও তা তা ধীরগতিতে হবে।
প্রধান ভোক্তা দেশ

উৎপাদনের সঙ্গে মিল রেখে বিশ্বে তেলের সবচেয়ে বড় ভোক্তা দেশও যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে দৈনিক তেলের ব্যবহার প্রায় ২০ দশমিক ৩ মিলিয়ন ব্যারেল। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে গণচীন(প্রায় ১৬.১ মিলিয়ন ব্যারেল) এবং তৃতীয় স্থানে ভারত (প্রায় ৫.২ মিলিয়ন ব্যারেল)।

এর পাশাপাশি রাশিয়া, সৌদি আরব এবং ব্রাজিল প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ব্যবহার করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মতো বড় উৎপাদক দেশ ছাড়া ওপেক সদস্য দেশগুলো থেকে বৈশ্বিক তেল উৎপাদনের বড় অংশ আসে। ফলে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, যুদ্ধ বা সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটলে বিশ্বের তেল বাজারে দ্রুত অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

কেএম 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।