রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা, চাপে পড়তে পারে ব্রিটিশ পাউন্ড
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশটির মুদ্রা পাউন্ড স্টার্লিংয়ের ওপর নতুন চাপ তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির শঙ্কায় পাউন্ডের বড় ধরনের দরপতন হয়েছিল। তবে গত এক মাসে ব্রিটিশ মুদ্রা কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছিল।
কিন্তু পুনরুদ্ধারের সময়ও পাউন্ড বারবার ১ দশমিক ৩৬ ডলারের ওপরে শক্ত অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই স্তর এখন রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করছে, যেখানে ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতার সংখ্যা বেশি হয়ে যাচ্ছে।
এখন বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্ব। স্থানীয় নির্বাচনে তার দল লেবার পার্টি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ার পর নেতৃত্ব নিয়ে চ্যালেঞ্জ দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাজারে ধারণা তৈরি হয়েছে, রাজনৈতিক চাপ বাড়লে সরকার আরও বেশি ব্যয় করতে পারে। সেই আশঙ্কাই পাউন্ডের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
বাজার বিশ্লেষণে ব্যবহৃত ইচিমোকু ক্লাউড সূচক অনুযায়ী, পাউন্ড এখন দুর্বল প্রবণতার দিকে যাচ্ছে। এটি চলমান গড়ের ওপর ভিত্তি করে বাজারের প্রবণতা নির্ধারণের একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি।
তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাজ্যের রাজনীতি ও ইরান যুদ্ধ সংক্রান্ত যে কোনো ইতিবাচক পরিস্থিতি পাউন্ডকে আবারও ১ দশমিক ৩৬ ডলারের ওপরে ওঠার সুযোগ করে দিতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএসএম