সোনিয়া-রাহুলের ভাবনা সর্বদা এক নয় : দিগ্বিজয়


প্রকাশিত: ১২:২১ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

ভারতের কংগ্রেস দলের সভাপতি সোনিয়া গান্ধী ও তাঁর ছেলে রাহুল গান্ধীর মধ্যে চমৎকার বন্ধন রয়েছে। কিন্তু প্রজন্মগত ব্যবধানের কারণে তাঁরা সব সময় একই পথে চলেন না।  কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা ও সোনিয়া গান্ধীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত দিগ্বিজয় সিং এমন মন্তব্য করেছেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।

বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভারতীয় পার্লামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ বাজেট অধিবেশনের মধ্যে রাহুল ছুটিতে গেছেন। এ নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে সমালোচনা চলছে। এমন প্রেক্ষাপটে সোনিয়া-রুহুলকে নিয়ে দিগ্বিজয়ের কাছ থেকে ওই মন্তব্য এল।

দিগ্বিজয় দাবি করেন, দলকে গণতান্ত্রিক করার লক্ষ্যে তাঁর উদ্যোগ কংগ্রেসের ভেতরের লোকজনই বাধাগ্রস্ত করছে। কিছু লোক বিশ্বাস করেন, দলে গণতন্ত্র চালু হলে তাঁরা তাঁদের বর্তমান ক্ষমতা হারাবেন। যেসব নেতা দিল্লিতে ক্ষমতাশালী, কিন্তু স্থানীয় পর্যায়ে নন, তাঁরা হুমকি অনুভব করেন।

দিগ্বিজয় জানান, সোনিয়া খুবই গণতান্ত্রিক। দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। তাঁকে প্রভাবিত করার সুযোগ দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের রয়েছে। রাহুলের বিশ্রামে যাওয়ার চিন্তাকে সমর্থন করলেও বাজেট অধিবেশনের মধ্যে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হয়নি বলে মনে করেন দিগ্বিজয়।

কংগ্রেসের সূত্র জানিয়েছে, দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে দলের সর্বশেষ শোচনীয় অবস্থার পর জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে রাহুলের মতপার্থক্য বেড়েছে। এর পরই তিনি ছুটিতে গেছেন।

গত সোমবার দল থেকে ছুটি নেওয়ার পর রাহুল কোথায় গেছেন, তা নিয়ে ধূম্রজাল রয়েছে। গতকাল বুধবার কংগ্রেস নেতা জগদীশ শর্মা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে রাহুলের কয়েকটি ছবি দিয়েছেন। তাতে তিনি লিখেছেন, রাহুল উত্তরাখন্ডের পাহাড়ি এলাকায় গেছেন, বিদেশে নয়। ছবিগুলো মঙ্গলবার তোলা হয়েছে।

কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজওয়ালা গত মঙ্গলবার বলেন, রাহুল আগামী ১০ মার্চের মধ্যেই ‘ছুটি’ কাটিয়ে ফিরবেন।

দলীয় সূত্র বলছে, আগামী এপ্রিল মাসে সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির অধিবেশনে রাহুলকে সভাপতি পদে দায়িত্ব দেওয়া হবে। প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি।

এএইচ/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।