পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ উদযাপনের আগ্রহ বাড়ছে


প্রকাশিত: ০৪:০১ এএম, ১৫ এপ্রিল ২০১৫

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বুধবার উদযাপন করা হচ্ছে বাংলা নববর্ষ। বাংলাদেশে গত দুই দশকে পহেলা বৈশাখ বিশাল এক সামাজিক উৎসব হয়ে উঠেছে। পহেলা বৈশাখে মানুষের ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখে বড় বড় কর্পোরেট হাউজগুলোও স্পন্সরশীপের জন্য এগিয়ে আসছে।

কিন্তু সেই তুলনায় পশ্চিম বাংলায় পহেলা বৈশাখ এখনও প্রধানত ব্যবসায়ীদের হালখাতা আর ঘরোয়া আয়োজন হিসাবেই থেকে গেছে। গত ১৮ বছর ধরে ভাষা ও চেতনা সমিতি নামে একটি সামাজিক সংগঠন কলকাতায় পহেলা বৈশাখ উদযাপন করছে।

এর অন্যতম উদ্যোক্তা কলকাতার লেখক এবং বিধাননগর কলেজের বাংলার শিক্ষক এমানুল হক বলেন, তারা স্বপ্ন দেখেন, পশ্চিমবঙ্গেও একদিন বাংলাদেশের মত একটি ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব হয়ে উঠবে পহেলা বৈশাখ।

তিনি আরো বলেন, `পশ্চিমবঙ্গে মূলত বর্ষবরণ উদযাপন ব্যবসায়ীদের হালখাতার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। বলা যায় বাংলাদেশ থেকে উদ্বুদ্ধ হয়েই বাঙ্গালীর সার্বজনীন উৎসব হিসেবে আমরা পহেলা বৈশাখ উদযাপনের উদ্যোগ নেই।`

তিনি জানান, `ঈদ বা পূজা নয়, আমাদের লক্ষ্য ছিল পহেলা বৈশাখকে বাঙ্গালির একটি ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয় উৎসব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।`

তাদের সংগঠনের আয়োজনে সকাল ৮টা থেকে অনুষ্ঠান শুরু হয়। সরকারি চারু ও কারু মহাবিদ্যালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশের মঙ্গল শোভাযাত্রার আদলে একটি পরিক্রমা শুরু হয়। তবে তার বিস্তৃতি বা জনসমাগম বাংলাদেশের মঙ্গল শোভাযাত্রার মত ব্যাপক নয় বলে জানান অধ্যাপক হক।

এর বাইরে কিছু কিছু জায়গায় বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হচ্ছে। সরকারি উদ্যোগেও কিছু কিছু অনুষ্ঠান আয়োজন হচ্ছে। ধীরে ধীরে এর বিস্তৃতি বাড়ছে।

পশ্চিমবঙ্গে পহেলা বৈশাখ উদযাপন কেন বাংলাদেশের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, `আমাদের এখানে যত বাঙ্গালি আছে তার চেয়ে কাঙ্গালি বেশি। পহেলা জানুয়ারির মত পহেলা বৈশাখ নিয়ে তাদের আগ্রহ নেই। বেশিরভাগ সংবাদপত্র পহেলা বৈশাখের কোনও খবর নেই।` সূত্র: বিবিসি বাংলা।

এসএস/এআরএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।