জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনে নববর্ষ উদযাপিত


প্রকাশিত: ০৭:৪৪ এএম, ১৫ এপ্রিল ২০১৫

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে। লোকায়ত সংস্কৃতির ডালা সাজিয়ে বর্ণিল উৎসব আয়োজনের মাধ্যমে মিশন বরণ করে নিয়েছে ১৪২২ বঙ্গাব্দ। একতারা, কুলা, বেলুন, ফেস্টুন, গ্রামবাংলার চিত্র, নকশী কাঁথা এবং রং-বেরং ফুল দিয়ে সুশোভিত মিশনের বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে কবিগুরুর বাণী ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা’ ধারণ করে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

বুধবার জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ কথা বলা হয়। এ দিন নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের বাঙালিরা জড়ো হন মিশনের এই নববর্ষের মনোরম আয়োজনে। কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও মিডিয়া প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের বাঙালি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

জাতিসংঘে ফিজির স্থায়ী প্রতিনিধি পিটার থমসন, নেপাল, মায়ানমার, ভুটান এবং শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও মিশনের  বর্ষবরণের আয়োজন উপভোগ করেন। অতিথিদের মধ্যে নিউইয়র্ক সফররত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, অশুভকে বিদায় দিয়ে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার মা্ধ্যমে একটি সুখী, সুন্দর ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়াই হবে আমাদের নতুন বছরের প্রত্যাশা। যেখানে গণতন্ত্রের অজুহাতে জ্বালাও-পোড়াও থাকবে না, ধর্মান্ধতা বিদায় নেবে।

ফিজির স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর অনুপাতের বিচারে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল বিশ্বের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রযাত্রাও প্রশংসিত হচ্ছে।

নববর্ষ উদযাপনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পারফর্মিং আর্টসের মনোজ্ঞ গীতি-আলেখ্য ‘বৈশাখীতে রং মাখাবি’। সেলিনা আশরাফের পরিচালনায় এই শিল্পীগোষ্ঠী নববর্ষের সঙ্গীত, আবৃতি ও নৃত্য পরিবেশন করে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।

মুড়ি-মুড়কি, বিভিন্ন ধরনের পিঠা, পান্তা-ইলিশ, মশলাযুক্ত বাঙালি খাবার, মিষ্টান্ন পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রাণবন্ত নববর্ষ উৎসব আয়োজন।

বিএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।