‘হিন্দু-মুসলিম সংঘাত সৃষ্টিকারী রাজনীতিবিদদের পুড়িয়ে মারা উচিত’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:২৭ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০১৯

সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় রাজনীতিকরা নয়, শুধুমাত্র কেন সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটে? হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় কোনো বড় রাজনীতিবিদ কি মারা যান? কেন রাজনীতিবিদরা মারা যান না? সুতরাং ধর্মের ভিত্তিতে যে নেতারা হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে বিভাজন কিংবা সংঘাত তৈরির চেষ্টা করবে; তাদের আগুনে পুড়িয়ে দিন। তাহলে তারা বুঝবে এবং অন্যদের পোড়ানো বন্ধ করবে।

হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক সংঘাতে রাজনীতিবিদরা বড় ভূমিকা রাখেন; এই প্রেক্ষাপটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারতের উত্তরপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রী ও দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মিত্র রাজভর এক সমাবেশে এসব প্রশ্ন তুলেছেন। রোববার আলীগড়ে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজভর বলেন, হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় কোনো বড় রাজনীতিবিদ কী মারা গেছেন? কেন রাজনীতিবিদরা মারা যান না? ধর্মেকে হাতিয়ার করে যারা হিন্দু-মুসলিম সংঘাত তৈরির চেষ্টা করবে তাদের আগুনে পুড়িয়ে দিন। তবেই তারা বুঝবে এবং এ ধরনের সংঘাত থামাতে উদ্যোগ নেবে।

উত্তরপ্রদেশে বিজেপি সরকারের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কড়া সমালোচক এই মন্ত্রী। প্রায়ই বিজেপির সমালোচনা করতে দেখা যায় তাকে। তিনি বলেন, ‘হিন্দু-মুসলিমদের মাঝে বিভাজন তৈরি করেন নেতারা। যদিও সংবিধানে বলা আছে, ভারতের প্রত্যেক নাগরিকই সংবিধান অনুযায়ী ভোটদানের অধিকার রাখেন এবং তাদেরকে এটি থেকে দূরে রাখা যাবে না।

এর আগে শনিবার উত্তরপ্রদেশে বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন রাজভর। ২০১৯ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ও বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি) বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছে। বিজেপির সঙ্গে জোটের এই ঘোষণার পর রাজভর এসব মন্তব্য করলেন।

সাধারণ নির্বাচনে যৌথভাবে লড়াই করবে কি-না সেব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বিজেপিকে নির্দিষ্ট সময়-সীমা বেঁধে দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের বিদ্রোহী এই মন্ত্রী। রাজভর বলেছেন, তিনি যদি যৌক্তিক কোনো জবাব না পান, তাহলে তার রাজনৈতিক দল সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি (এসবিএসপি) রাজ্যের ৮০টি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

সূত্র : এনডিটিভি।

এসআইএস/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :