দিল্লির পথেই হাঁটছে কলকাতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:০৪ পিএম, ০৬ নভেম্বর ২০১৯

দিল্লির দূষণের মাত্রার কাছাকাছি অবস্থানে পৌঁছে গেছে কলকাতা। সোমবার দুপুর বারোটায় শহরের রবীন্দ্রভারতী ও ফোর্ট উইলিয়ামে প্রতি ঘনমিটারে পিএম ২.৫ এর মাত্রা পৌঁছেছে যথাক্রমে ৩৩১ এবং ৩২৪।

যাদবপুর ও বালিগঞ্জে এই মাত্রা পৌঁছেছে ৩১২ ও ৩০৩। মহানগরের পরিবেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশে সোমবার ‘উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ কমিটি’ গঠন করেছে কলকাতা পৌরসভা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক অনিরুদ্ধ মুখোপাধ্যায়কে এই কমিটির প্রধান বানানো হয়েছে।

এই কমিটির সদস্য সংখ্যা ১৩। দূষণ রুখতে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়ে মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, শীত শুরুর আগেই কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে তা নিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে। এছাড়া পরের ৪৫ দিনের মধ্যে কলকাতায় কী কী দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় তার সুপারিশ চাওয়া হয়েছে। পরিবেশ দূষণ চিরস্থায়ীভাবে বন্ধ করতে মুখ্যমন্ত্রী যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন মেয়র।

এক বছর আগেই রাজ্য সরকারের পরিবেশ দফতর শহরের দূষণ বন্ধে একগুচ্ছ ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তর অধিকাংশই কার্যকর করা সম্ভব হয়নি বলে পরিবেশ দফতরই স্বীকার করেছে। অপরদিকে শহরের দূষণ বেড়েই চলেছে।

আগামি দিনগুলোতে দূষণ আরও বেড়ে যেতে পারে। দিল্লির মতো কলকাতার আশেপাশে কোনও সমুদ্র নেই যে বাতাসের দূষণ শুষে নেবে। চেন্নাই বা মুম্বাইয়ের পাশে আরব সাগর ও ভারত মহাসাগর থাকায় ওই দুই মহানগরের দূষণের হার কলকাতার চেয়ে অনেক কম। বস্তুত এই কারণে এক্ষুনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

এক বছর আগে পরিবেশমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী দূষণ রুখতে কলকাতা নিয়ে একটি ‘আধুনিক মাস্টারপ্ল্যান’ তৈরি করান। অনেকগুলো সুপারিশ থাকলেও তার মধ্যে একমাত্র বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে বাতাসে যাতে ধূলিকণা না ছড়ায় সেগুলো কিছুটা কমানো সম্ভব হয়েছে বলে পরিবেশ দফতর স্বীকার করেছে।

টিটিএন/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]