মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফিরিয়ে দিলেন পোপ ফ্রান্সিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:৪৯ পিএম, ০১ অক্টোবর ২০২০

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও খ্রিস্টান ধর্মের রোমান ক্যাথলিক শাখার প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে সাক্ষাত করতে চাইলেও তাতে রাজি হয়নি ভ্যাটিকান। নগর কর্তৃপক্ষ বলছে, ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস নির্বাচনের আগে কোনও রাজনীতিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন না।

ক্যাথলিক গির্জা ও চীনের ব্যাপারে মাইক পম্পেওর মন্তব্যের পর ভ্যাটিকানের এই পদক্ষেপ কূটনৈতিক বিতর্কে আরেকটি মাত্রা যুক্ত করেছে। গত মাসের শুরুর দিকে এক নিবন্ধে মাইক পম্পেও বলেছিলেন, বিশপ নিয়োগে চীনের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করে ক্যাথলিক গির্জা ‘নৈতিক কর্তৃত্ব’ ঝুঁকিতে ফেলছে।

আগামী নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটারদের আকৃষ্ট করতে মাইক পম্পেও ওই ইস্যুকে ব্যবহারের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেছে ভ্যাটিকান।

রক্ষণশীল ক্যাথলিক ভোটার-সহ রক্ষণশীল ধর্মীয় বিভিন্ন গোষ্ঠীর সমর্থন পান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ভোটারদের অনেকেই মনে করেন, পোপ ফ্রান্সিস একটু বেশিই উদার।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, চীনে অনেক ক্যাথলিক নিপীড়িত হচ্ছেন এবং সরকারি ক্যাথলিক সংস্থার পরিবর্তে পোপের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করায় তারা আত্মগোপনে যেতে বাধ্য হন।

এরপরও ২০১৮ সালে চীনের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ভ্যাটিকান। এই চুক্তির মাধ্যমে চীনা বিশপদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ভ্যাটিকানের মতামত দেয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা হয়।

সেই সময় পোপ ফ্রান্সিস বলেছিলেন, তিনি আশা করেন এই চুক্তি অতীতের ক্ষতগুলো কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে এবং চীনে পুরোপুরি ক্যাথলিক ঐক্য গড়ে উঠবে।

যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের অনেক ক্যাথলিকের বিরোধিতার মুখে আগামী মাসে চীনের সঙ্গে ভ্যাটিকানের এই চুক্তি নবায়ন হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ইতালির রাজধানী রোমে বুধবার এক ভাষণে চীনে ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় ভ্যাটিকানের প্রতি আহ্বান জানান মাইক পম্পেও। তিনি বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ চীনের চেয়ে অন্য কোথাও বেশি হয় না।

সূত্র: বিবিসি।

এসআইএস/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]