ভিয়েতনামে ঘূর্ণিঝড়-ভূমিধসে ১৩ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:০৩ পিএম, ২৯ অক্টোবর ২০২০

ভিয়েতনামে ঘূর্ণিঝড় মোলাভের প্রভাবে ভূমিধসের আঘাতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত আরও ৪০ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। দেশটিতে কয়েক দশকের মধ্যে এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়।

ধ্বংসস্তুপ থেকে জীবিতদের উদ্ধারে কয়েকশে সেনা সদস্য ও ভারী যন্ত্রপাতি ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বুধবার ভিয়েতনামের মধ্যাঞ্চলীয় কুয়াং প্রদেশের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় ভূমিধসের ঘটনাটি ঘটেছে।

ভিয়েতনামের উপ-প্রধানমন্ত্রী ত্রিন ডিন ডুং এক বিবৃতিতে বলেন, আমরা ঝড়ের গতিপথ ও কী পরিমাণ বৃষ্টি হতে পারে তার পূর্বাভাস দিতে পারি কিন্তু কখন ভূমিধস হবে তা অনুমান করতে পারি না।

ওই বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে যে, খারাপ আবহওয়ার কারণে উদ্ধারকাজে বিঘ্ন ঘটছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। রাস্তা-ঘাঁট কাদামাটিতে ঢাকা পড়েছে। ওই এলাকায় এখনও ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে। কিন্তু তারপরও উদ্ধারকাজ দ্রুত চালিয়ে যেতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, চলতি বছরের অক্টোবরের শুরুর দিক থেকে ঝড়, ভারি বৃষ্টি ও বন্যায় বিপাকে পড়েছে ভিয়েতনাম। এতে কমপক্ষে ১৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতোমধ্যেই ১০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে লাখ লাখ মানুষের জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মোলাভের আঘাতে বহু বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং গাছ-পালা উপড়ে গেছে। মধ্যাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। ৮৯ হাজারের বেশি বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার সাগর থেকে তীরে ফিরে আসার সময় একটি ট্রলার ডুবে ২৬ জন জেলে নিখোঁজ হন। তাদের খোঁজে নৌবাহিনীর দু’টি জাহাজ পাঠানো হয়েছে।

ভিয়েতনামের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শনিবার পর্যন্ত ভিয়েতনামের মধ্যাঞ্চলে ভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় সর্বোচ্চ ৭০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

টিটিএন

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]