হামলার পর নিউজিল্যান্ডে সুপারমার্কেটে ছুরি-কাঁচি বিক্রি ‘বন্ধ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:০২ এএম, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
ফাইল ছবি

নিউজিল্যান্ডের সুপারমার্কেটগুলো থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সব ধরনের ছুরি ও কাঁচি। গত শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) অকল্যান্ডের একটি সুপারমার্কেটে এক আইএস অনুসারী ছুরি হামলা চালানোর পর এ ব্যবস্থা নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো। খবর রয়টার্সের।

স্থানীয় সময় গত শুক্রবার দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে অকল্যান্ডের কাউন্টডাউন সুপারমার্কেটে ঢুকে এক ব্যক্তি অন্য ক্রেতাদের ওপর হামলা চালান। তিনি বিক্রির জন্য রাখা ছুরিগুলোর একটি তুলে নিয়ে অন্তত ছয়জনকে আঘাত করেন। এসময় নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে প্রাণ হারান হামলাকারী। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন এ ঘটনাকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এর পরপরই নিজেদের সব সুপারমার্কেট থেকে ছুরি-কাঁচির মতো ধারালো বস্তু সরিয়ে নিয়েছে কাউন্টডাউন কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তা বিষয়ক মহাব্যবস্থাপক কিরি হ্যানিফিন বলেছেন, গত রাতে আমরা আমাদের তাক থেকে সাময়িকভাবে সব ছুরি ও কাঁচি সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের সেগুলো আর বিক্রি করা উচিত কি না তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমরা চাই, আমাদের লোকজন যখন কাজে আসবে, বিশেষ করে গতকালের ঘটনা বিবেচনায় তারা নিরাপদ বোধ করুক।

jagonews24

কাউন্টডাউনের পাশাপাশি অন্য সুপারমার্কেটগুলোও তাদের তাক থেকে ধারালো ছুরি-কাঁচি সরিয়ে নিয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

পুলিশের গুলিতে নিহত হামলাকারী শ্রীলঙ্কান নাগরিক। আদালতের আদেশ থাকায় তা নাম প্রকাশ করা হয়নি। ২০১১ সালে ওই ব্যক্তি নিউজিল্যান্ডে যান। জাসিন্ডা জানিয়েছেন, হামলাকারী আইএস মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন। আইন অনুসারে জেলে রাখা না যাওয়ায় পুলিশ তাকে সবসময় নজরদারিতে রাখতো।

ঘটনার দিনও পুলিশ তার পেছনে ছিল। কিন্তু সেই লোক নিউ লিন মলের কাউন্টডাউন সুপারমার্কেটে ঢুকলে পুলিশ ভেবেছিল, তিনি হয়তো কিছু কেনাকাটা করতে গেছেন। তবে সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত করে আচমকা একটি ছুরি তুলে নিয়ে আশপাশের ক্রেতাদের ওপর হামলা চালান ওই ব্যক্তি।

পুলিশ জানিয়েছে, হামলা শুরুর এক মিনিটের মধ্যে তাকে গুলি করা হয়। ছুরিকাঘাতে আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

কেএএ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]