আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে পরবর্তী শুনানি ২৫ মে
জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সাভারের আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এক মাস সময় মঞ্জুর করে আগামী ২৫ মে পরবর্তী দিন ঠিক করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি নিয়ে সোমবার (২৮ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনালে আজ প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর বিএম সুলতান মাহমুদ ও প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ।
- আরও পড়ুন
- আশুলিয়ায় ৬ লাশ পোড়ানোর মামলা: হত্যার ভিডিও তদন্ত সংস্থার হাতে
- আশুলিয়ায় ৬ লাশ পোড়ানো: ৩ পুলিশ কর্মকর্তা ট্রাইব্যুনালে
এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবেদনের বিষয়ে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত পর্যায়ে আমরা একটা ভিডিও শনাক্ত করেছি। সেখানে কারা কীভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সে বিষয়টি সামনে এসেছে। এসব যুক্ত করে তদন্ত শেষ করতে একটু সময়ের দরকার। তাই আমরা এক মাস সময় চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
লাশ পোড়ানোর ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে গত ১৫ এপ্রিল তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্র্যাইব্যুনাল। যে তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে সেদিন কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয় তারা হলেন- ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম ও ডিবির সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন। আজ তিনজনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছিল।
লাশ পোড়ানোর নৃশংস ঘটনার বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গত ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় ছয় তরুণকে গুলি করে হত্যার পর লাশ পুলিশ ভ্যানে রেখে আগুন লাগিয়ে দেন পুলিশ সদস্যরা। যখন এসব মরদেহে আগুন দেওয়া হচ্ছিল, তখন একজন জীবিত ছিলেন। জীবিত থাকা অবস্থায় তার গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়া হয়।
এফএইচ/ইএ/এএসএম