শিক্ষককে হেনস্তার অভিযোগ

বিচারপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:০২ এএম, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ছবি-সংগৃহীত

রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষককে বাসায় ডেকে নিয়ে হেনস্তা করার অভিযোগে বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে প্রধান বিচারপতি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

ওই বিচারপতির বিরুদ্ধে রোববার (২৬ এপ্রিল) প্রধান বিচারপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্কুলের ৫ শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত বিচারপতির নাম আলী রেজা। আর ভুক্তভোগী শিক্ষকের নাম দয়াল চন্দ্র পাল।

এদিন বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন উইলস লিটল ফ্লাওয়ারের শিক্ষার্থীরা। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ সামসুল আলম তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত অভিযোগে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, ‘উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা মাধ্যম দিবা শাখার সহকারী শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজ বাসায় ডেকে নিয়ে হেনস্তা করে একজন শিক্ষকের পেশাগত মর্যাদা ও মানবিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন করেছেন বিচারপতি আলী রেজা।

শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ থাকলেও বিচারকের দায়িত্ব ন্যায়সঙ্গত ও আইনানুগ আচরণ করা; আদালতের বাইরে ব্যক্তিগত অবমাননা করা নয়। এটি বিচার বিভাগের সুনাম ও ন্যায়বিচারের নীতির পরিপন্থি।

জানা গেছে, বিচারপতি আলী রেজার ছেলে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালের কাছে সে প্রাইভেট পড়ত।

এ বিষয়ে বিচারপতি আলী রেজা বা সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের কারোর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে, সুপ্রিম কোর্টের একজন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিচারপতির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র দাবি করেছেন, শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালের অভিযোগ সত্য নয়। বিচারপতি আলী রেজার ছেলে ওই শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়ত। সম্প্রতি প্রাইভেট পড়া বাদ দেওয়ার কারণে শিক্ষকের বিরাগভাজন হয়ে পড়ে সে। শিক্ষককে হেনস্তা করার অভিযোগ সঠিক নয়।

ওই সূত্র জানিয়েছে, বিচারপতি আলী রেজার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এ বিষয়ে খুব দ্রুত থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করবেন।

এফএইচ/এমআরএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।