জুলাই আন্দোলনে হত্যার পর মরদেহ গুম, জামিন চাইলেন দুই আসামি
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কলেজছাত্র হৃদয় হোসেনকে হত্যার পর মরদেহ গুমের ঘটনায় করা মামলায় দুই আসামির জামিনের আবেদন করা হয়েছে। তারা হলেন গাজীপুরের কোনাবাড়ি থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আশরাফ উদ্দিন ও গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৯ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই বিষয়ে শুনানি হয়। আবেদনের পক্ষে আইনজীবী সুলতান মাহমুদ ও রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর শেখ মইনুল করিম।
প্রসিকিউটর মইনুল জানান, সাবেক ওসি আশরাফসহ গাজীপুর জেলা ডিবির পরিদর্শক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। আমরা শুনানিতে বিরোধিতা করেছি। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে, ঘটনার সঙ্গে আসামিদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ রয়েছে। ১২ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে। সেদিন আবেদনের ওপর আবার শুনানি হবে।
প্রসিকিউশনের তথ্য মতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর ছাত্র-জনতার বিজয় মিছিলে অংশ নেন হৃদয়। ওই দিনই তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পুলিশ। গুলি করার পর হৃদয়ের রক্তাক্ত মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এফএইচ/এমএমকে