পূর্ণিমা হত্যা : মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৬ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০১৮

মাগুরা জেলার শ্রীপুরের স্কুলছাত্রী পূর্ণিমা সমাদ্দারকে (১৪) অপহরণ, ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ডেথ রেফারেন্স এবং আসামিদের আপিলের শুনানি শেষে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে আজ আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ বি এম নুরুল ইসলাম, আবদুল মতিন খসরু ও আহসান উল্লাহ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান রুবেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল কালাম আজাদ খান, সৈয়দা সাবিনা আহমেদ ও মারুফা আক্তার শিউলি।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ঘোষিয়াল গ্রামের মনোজিত সমাদ্দারের মেয়ে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী পূর্ণিমা সমাদ্দারকে একদল দুর্বৃত্ত ২০১০ সালের ৪ আগস্ট অপহরণ করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় ও পরে হত্যা করে। ওই ঘটনায় পূর্ণিমার বাবা বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এ মামলায় ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর মাগুরা আদালতে ঘোষিয়াল গ্রামের মো. ইউসুফ জোয়ার্দার, মো. জিল্লুর রহমান ও আক্কাস শেখকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

মামলার বিচার শেষে ২০১১ সালের বিচারিক আদালত স্কুলছাত্রী পূর্ণিমাকে অপহরণের অভিযোগে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং হত্যার অভিযোগে তিন আসামির বিরুদ্ধেই মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। এর বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। একই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য নথি হাইকোর্টে আসে। হাইকোর্টের শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করা হয়।

রোববার রায়ের পর ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান রুবেল বলেন, বয়স বিবেচনায় নিয়ে আদালত তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। ৩০২ ধারায় তাদের সাজা দেয়া হয়েছে। রায় প্রকাশের পর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে বলেও জানান তিনি।

এফএইচ/জেডএ/আইআই

আপনার মতামত লিখুন :