কেরানীগঞ্জে মাদরাসায় বিস্ফোরণ: পরিচালক আল আমিন ১০ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৩৭ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর এই মাদরাসা ভবনের ভেতরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে/ফাইল ছবি

 

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ হাউজিং এলাকায় একটি মাদরাসা ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় মাদরাসার পরিচালক ও প্রধান আসামি আল আমিনকে ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় অবস্থিত উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসা ভবনের ভেতরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একটি কক্ষের চারপাশের দেয়াল ও ছাদের অংশ ভেঙে আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের ইন্সপেক্টর সাইফুর রহমান ও এসআই মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম, র‌্যাব ও ফায়ার সার্ভিসসহ একাধিক সংস্থা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান ও আলামত সংগ্রহ শুরু করে।

দুদিনব্যাপী অভিযান শেষে আল আমিনের ভাড়া বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ছিল হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড, এসিটোন, নাইট্রিক এসিড, সাদা রঙের পাউডারসহ বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের জারকিন এবং কালো প্লাস্টিকে মোড়ানো ৯টি তাজা ককটেল। এছাড়া প্রায় ৪০০ লিটার তরল রাসায়নিক ও বিস্ফোরক তৈরির বিপুল সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. লিটন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।

এমডিএএ/এমকেআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।