শহিদুল আলমের মুক্তিতে বাধা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৪৩ পিএম, ১৫ নভেম্বর ২০১৮
ফাইল ছবি

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে করা এক মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে তার কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই। বিষয়টি জাগো নিউজকে জানিয়েছেন শহিদুল আলমের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করবেন তারা।

শহিদুল আলমের জামিন প্রশ্নে রুল যথাযথ ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে এদিন শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলুর রহমান খান (এফআর খান) ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আলী জিন্নাহ।

শহিদুল আলমের আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু তিনি এই উপমহাদেশে, এমনকী সারা বিশ্বের একজন নামকরা আলোকচিত্রী, বিষয়টি আদালত বিবেচনায় নিয়েছেন। এ মুহূর্তে উনার মুক্তি পেতে কোনো বাধা নেই।

‘সরকার যদি আবারও বিরোধিতা করে সেটা পরে দেখা যাবে।’

রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের এ জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করবে বলে জানিয়েছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আলী জিন্নাহ।

গত ১ নভেম্বর হাইকোর্টের অপর একটি দ্বৈত বেঞ্চ জামিনের আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। ৬ নভেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলম হাইকোর্টে পুনরায় জামিন আবেদন করেন।

শহিদুল আলমের আইনজীবীরা আবেদনটি ওই বেঞ্চে উপস্থাপন করেন, যা (১৪ নভেম্বর) বেলা ২টায় শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ছিল। পরে শহিদুল আলম অসুস্থ থাকায় একদিন সময় চাওয়া হয়। আদালত এদিন বেলা ২টায় শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেন।

চলতি বছরের ২৯ জুলাই সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর বিচারের দাবিতে রাস্তায় নামে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শহিদুল আলম আল-জাজিরা টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দেন। ওই ঘটনায় রমনা থানার তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

গত ৬ আগস্ট ডিবি (উত্তর) পরিদর্শক মেহেদী হাসান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

ওই মামলায় শহিদুল আলমকে আদালতে হাজির করা হলে গত ১২ আগস্ট তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম ফাহাদ বিন আমিন চৌধুরী।

এফএইচ/এএইচ/এমএআর/জেআইএম