চিন্তামুক্ত থাকতে সঠিক সময়ে ওজন মাপুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:০৭ এএম, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রতীকী ছবি, এআই দিয়ে বানানো

ফিটনেস লক্ষ্য ঠিক করার পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয় ‘ওজন কি কমছে?’ অনেকে নিয়মিত ওয়েইং স্কেলে দাঁড়িয়ে এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজেন। কিন্তু শুধু ওজন মাপলেই চলবে না, কখন মাপছেন সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ফিটনেস প্রশিক্ষক অ্যালেক্স বলেছেন, দিনের বিভিন্ন সময়ে ওজন মাপা সঠিক ফলাফল দেয় না। কিছু সময় এড়িয়ে চললে প্রকৃত অগ্রগতি আরও স্পষ্ট বোঝা যায়।

কখন ওজন মাপা উচিত নয়

কখন ওজন মাপা উচিত নয়

খাবার বা পানির পরে: খাবার ও পানির ওজন শরীরে সাময়িক বৃদ্ধি ঘটায়। এটি চর্বি বৃদ্ধি নয়, তাই প্রকৃত পরিবর্তন বোঝায় না।
মাসিক চলাকালীন: হরমোনের পরিবর্তনের কারণে শরীরে অতিরিক্ত পানি জমে যেতে পারে, ফলে ২–৫ পাউন্ড পর্যন্ত হঠাৎ বৃদ্ধি দেখা দেয়, যা স্বাভাবিকভাবে আবার কমে যায়।
অ্যালকোহল গ্রহণের পর: অ্যালকোহল শরীরের পানির ভারসাম্য বিঘ্নিত করে, যা ওজনকে কখনো বেশি, কখনো কম দেখাতে পারে।

আরও পড়ুন:


ব্যায়ামের পর: ঘামের কারণে ওজন সাময়িকভাবে কম মনে হতে পারে, কিন্তু প্রকৃত চর্বি কমে যায়নি।
দিনের বিভিন্ন সময়ে বারবার: একজন মানুষের ওজন দিনে স্বাভাবিকভাবে ২-৬ পাউন্ড ওঠানামা করে। এলোমেলো সময়ে মাপলে ফলাফল বিভ্রান্তিকর হয়।
অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবারের পর: লবণ শরীরে পানি ধরে রাখে, যার ফলে ওজন হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে।
চিট ডে বা বেশি কার্বোহাইড্রেটের পর: কার্বোহাইড্রেটও শরীরে পানি ধরে রাখে, ফলে ৩-৬ পাউন্ড বেশি দেখাতে পারে, যা চর্বি নয়।

সঠিক সময় কখন?

সঠিক সময় কখন?

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে, বাথরুম ব্যবহার করার পর, কিন্তু কিছু খাওয়া বা পান করার আগে-এই সময় শরীর সবচেয়ে স্থিতিশীল থাকে। এটি নির্ভরযোগ্য বেসলাইন হিসেবে কাজ করে। একই ধরনের হালকা পোশাকে প্রতিদিন ওজন মাপা ফলাফলের নির্ভুলতা বাড়ায়।

ওজন কমানো একটি ধীর, ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। প্রতিদিনের সামান্য ওঠানামা নিয়ে চিন্তিত না হয়ে নিয়মিত জীবনযাপন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং ব্যায়ামের দিকে মনোযোগ দেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ে ওজন মাপলে নিজের অগ্রগতি স্পষ্টভাবে বোঝা যায় এবং এটি আত্মবিশ্বাস জোগায়।

জেএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।