চট্টগ্রামের ১৬ আসন

লড়াইয়ে ১১৩ প্রার্থী, প্রচারণায় সরগরম ভোটের মাঠ

মো. রফিক হায়দার মো. রফিক হায়দার
প্রকাশিত: ০২:২৫ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে চট্টগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে নির্বাচনি প্রচারণা। প্রতীক বরাদ্দের পর বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল থেকে মহানগর ও উপজেলাগুলোর বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, দোয়া, কবর জিয়ারত এবং মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে মাঠে নেমেছেন প্রার্থীরা। এতে প্রথমদিন থেকেই সরগরম হয়ে উঠেছে ভোটের মাঠ। যা সামনের দিনগুলোতে আরও উত্তাপ ছড়াতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে এবার বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, এনসিপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ২৫টি রাজনৈতিক দলের মোট ১১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রচারণার প্রথম দিনেই রাজপথে দেখা গেছে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সরব উপস্থিতি। তবে আচরণবিধির কারণে কোথাও বড় ধরনের শোডাউন দেখা যায়নি।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা-সদরঘাট) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি উত্তর কাট্টলীর নাজির বাড়িতে তার বাবা সাবেক মন্ত্রী মাহমুদুন্নবী চৌধুরী ও মা মেহেরুন্নেসা চৌধুরীর কবর জিয়ারত করে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

এরপর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কদমতলী এলাকা থেকে গণসংযোগ শুরু করেন তিনি। এসময় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ ও নারীদের উপস্থিতি দেখা যায়। গণসংযোগে আমীর খসরু বলেন, জনগণ দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেছে। এখন তারা রাস্তায় নেমেছে। ধানের শীষের পক্ষে জনসমর্থনের জোয়ার শুরু হয়েছে। বিএনপির দীর্ঘ আন্দোলন ও ত্যাগের স্বীকৃতি দিচ্ছে জনগণ।

একই দিন ওই আসনে জামায়াতের প্রার্থী শফিউল আলম গণসংযোগ করেছেন। ওইদিন সকালে নগরের মুন্সিপাড়া থেকে শুরু করে ছত্তার হাজি বাড়ি, ধোপাপাড়া, চান্দাপাড়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ জেলেপাড়ায় গিয়ে তিনি ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এসময় স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিনের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

শফিউল আলম বলেন, এই এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার। ক্ষমতার লোভ নয়, মানুষের অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরী নির্বাচনি প্রচারণার প্রথম দিন উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গণসংযোগ করেন। তিনি বলেন, রাঙ্গুনিয়ার অন্যতম বড় সমস্যা মাদক। নির্বাচিত হলে মাদক নির্মূল করে রাঙ্গুনিয়াকে পরিচ্ছন্ন ও বসবাসযোগ্য জনপদে রূপান্তর করা হবে।

চট্টগ্রাম-১০ (পাহাড়তলী-ডবলমুরিং-হালিশহর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী শুলকবহর আরকান সোসাইটি এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেন। এসময় চট্টগ্রাম নগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, সৎ ও জনবান্ধব নেতৃত্ব ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

একই দিন বিকেলে চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হক আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ থেকে গণসংযোগ শুরু করেন।

আচরণবিধি মানতে প্রশাসনের কড়া নির্দেশ
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনি প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ। নির্ধারিত নিয়মে লিফলেট বিতরণ ও সীমিত পরিসরে মাইকিং করা যাবে। মোটরসাইকেল, বাস, ট্রাক কিংবা লঞ্চে যে কোনো ধরনের শোডাউনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী জানান, চট্টগ্রামে শুরুতে ১৪৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেও যাচাই-বাছাই ও আপিল শেষে ১৬টি আসনে এখন চূড়ান্তভাবে ১১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।

জোট, বিদ্রোহী ও জটিল সমীকরণ
চট্টগ্রামের কয়েকটি আসনে জোটগত সমর্থন, মনোনয়ন বাতিল ও বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে ভোটের সমীকরণ জটিল হয়ে উঠেছে। চট্টগ্রাম-৮ আসনে জামায়াত এনসিপিকে সমর্থন দিলেও মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় জামায়াত প্রার্থী ব্যালটে থেকে যাচ্ছেন। আবার দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের লড়তে হচ্ছে বিদ্রোহীদের সঙ্গে।

প্রচারণা শুরুর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের রাজনীতিতে এখন নির্বাচনী উত্তাপ স্পষ্ট। আগামী দিনগুলোতে গণসংযোগ, পথসভা ও নির্বাচনী বক্তব্যে এ উত্তাপ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পেয়েছে। এসব আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাচ্ছে। কোথাও মনোনয়ন বাতিল, কোথাও জোটগত সমঝোতা আবার কোথাও সমঝোতার পরও প্রার্থী থেকে যাওয়ার ঘটনা নির্বাচনী মাঠকে করেছে আরও জটিল।

একনজরে আসনভিত্তিক প্রার্থীদের তালিকা
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির নুরুল আমিন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির একেএম আবু ইউছুপ (তারা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেজাউল করিম (আপেল) ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী (হাত পাঞ্জা) ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির সরোয়ার আলমগীর (ধানের শীষ), জামায়াতের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ জুলফিকার আলী মান্নান (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের রবিউল হাসান (ট্রাক), জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী (কলম), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি-বিএসপির শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমেদ (একতারা), দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির (ফুটবল) ও জিন্নাত আকতার (হরিণ) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাম্মদ আলাউদ্দিন (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোয়াহেদুল মাওলা (ফুটবল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরীর একাংশ) আসনে বিএনপির আসলাম চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের আনোয়ার ছিদ্দিক (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির মো. মছিউদদৌলা (কাস্তে), ইসলামী আন্দোলনের দিদারুল মাওলা (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের এটিএম পারভেজ (ট্রাক), গণসংহতি আন্দোলনের জাহিদুল আলম (মাথাল), নেজামে ইসলামী পার্টির জাকারিয়া খালেদ (বই), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি-বিএসপির শহীদুল ইসলাম চৌধুরী (একতারা) ও ইসলামী ফ্রন্টের সিরাজুদ্দৌলা (মোমবাতি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও নগরীর একাংশ) আসনে বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মতিউল্লাহ নূরী (হাতপাখা), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (চেয়ার), লেবার পার্টির আলা উদ্দিন (আনারস), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নাসির উদ্দিন (রিকশা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ (ফুটবল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের শাহাজাহান মঞ্জু (দাঁড়িপাল্লা), গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দীন তালুকদার (মাথাল) ও ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী (মোমবাতি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির হুমাম কাদের চৌধুরী (ধানের শীষ), সিপিবির প্রমোদ বরণ বড়ুয়া (কাস্তে), জাতীয় পার্টির মেহেদী রাসেদ (লাঙ্গল), জামায়াতের এটিএম রেজাউল করিম (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল্লাহ আল হারুন (হাতপাখা), ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ ইকবাল হাছান (মোমবাতি), এবি পার্টির আবদুর রহমান (ঈগল) ও গণঅধিকার পরিষদের বেলাল উদ্দিন (ট্রাক) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী উপজেলা ও নগরীর একাংশ) আসনে বিএনপির এরশাদ উল্লাহ (ধানের শীষ), জামায়াতের আবু নাছের (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ নুরুল আলম (হাতপাখা), এনসিপির জোবাইরুল হাসান আরিফ (শাপলা কলি), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ এমদাদুল হক (আপেল) ও ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান (মোমবাতি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনে জামায়াত এনসিপিকে সমর্থন দিলেও তাদের প্রার্থী আবু নাছের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় তিনি প্রার্থী হিসেবে থাকছেন।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে বিএনপির আবু সুফিয়ান (ধানের শীষ), জামায়াতের একেএম ফজলুল হক (দাঁড়িপাল্লা), জেএসডির আবদুল মোমেন চৌধুরী (তারা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস শুক্কুর (হাতপাখা), গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ (মাথাল), বাসদ (মার্কসবাদী) মো. শফিউদ্দিন কবির (কাঁচি), ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (চেয়ার), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন (আপেল), নাগরিক ঐক্যের নুরুল আবছার মজুমদার (কেটলি) ও জনতার দল হায়দার আলী চৌধুরী (কলম) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-১০ (পাহাড়তলী-ডবলমুরিং-হালিশহর) আসনে বিএনপির সাঈদ আল নোমান (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী (লাঙ্গল), জামায়াতের শামসুজ্জামান হেলালী (দাঁড়িপাল্লা), বাসদ (মার্কসবাদী) আসমা আকতার (কাঁচি), ইসলামী আন্দোলনের জান্নাতুল ইসলাম (হাতপাখা), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের লিয়াকত আলী (চেয়ার), ইনসানিয়াত বিপ্লবের সাবিনা খাতুন (আপেল), লেবার পার্টির ওসমান গণি (আনারস), স্বতস্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী (ফুটবল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা-সদরঘাট) আসনে বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির আবু তাহের (লাঙ্গল), জামায়াতের মোহাম্মদ শফিউল আলম (দাঁড়িপাল্লা), বাসদ (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার (কাঁচি), গণফোরামের উজ্জ্বল ভৌমিক (উদীয়মান সূর্য), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুর উদ্দিন (হাতপাখা), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু তাহের (চেয়ার), বাসদের নিজামুল হক আল কাদেরী (মই), ইনসানিয়াত বিপ্লবের আজিজ মিয়া (আপেল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া (সূর্যমুখী ফুল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপির এনামুল হক এনাম (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী (লাঙ্গল), জামায়াতের মোহাম্মদ ফরিদুল আলম (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের এসএম বেলাল নূর (হাতপাখা), ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু (মোমবাতি), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ আবু তালেব হেলালী (আপেল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন (ফুটবল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে বিএনপির সরোয়ার জামাল নিজাম (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী (লাঙ্গল), জামায়াতের মাহমুদুল হাসান (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএমের মোহাম্মদ এমরান (সিংহ), গণঅধিকার পরিষদের মুজিবুর রহমান চৌং (ট্রাক), ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান (মোমবাতি) ও ইনসানিয়াত বিপ্লবের মু. রেজাউল মোস্তফা (আপেল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির জসীম উদ্দীন আহমেদ (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ বাদশা মিয়া (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লবের এইচএম ইলিয়াছ (আপেল), এলডিপির ওমর ফারুক (ছাতা), ইসলামী ফ্রন্টের সোলাইমান (মোমবাতি), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী (ফুটবল) ও শফিকুল ইসলাম রাহী (মোটরসাইকেল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন (ধানের শীষ), জামায়াত ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী (দাঁড়িপাল্লা) ও ইসলামী আন্দোলনের শরীফুল আলম চৌধুরী (হাতপাখা) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের হাফেজ রুহুল্লাহ (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের আরিফুল হক (ট্রাক), ইসলামিক ফ্রন্টের আবদুল মালেক (চেয়ার), মুসলিম লীগের এহছানুল হক (হারিকেন) ও স্বতন্ত্র প্রাথী মোহাম্মদ লেয়াকত আলী (ফুটবল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এমআরএএইচ/এমকেআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।