নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত ৩৭ বাড়ি, জানালেন গণপূর্ত উপদেষ্টা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৫২ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান/ছবি: জাগো নিউজ

নতুন সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের জন্য ৩৭টি বাড়ি বা বাসা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

নতুন সরকারের মন্ত্রীদের আবাসনের বিষয় জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা ৩৭টি বাড়ি প্রস্তুত করে রেখেছি। মিন্টো রোড, হেয়ার রোড, ধানমন্ডি ও গুলশানে এ বাড়িগুলো রয়েছে। প্রয়োজনে আরও কয়েকটি বাড়ি তৈরি করার প্রস্তুতি চলছে।’

৩৭টি বাড়ির মধ্যে বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের বসবাস করা বাড়িগুলোও রয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির বিষয়ে আদিলুর রহমান বলেন, ‘ওনারা যেভাবে চান সেভাবে হবে। ওনাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে নতুন সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। সরকারের মন্ত্রিসভা মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ নেবে।

কী রেখে যাচ্ছেন পরবর্তী সরকারের কাছে আপনার প্রত্যাশা কী থাকবে, আপনার কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য কী আহ্বান থাকবে- জানতে চাইলে শিল্প এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, ‘সাকসেসরস (মন্ত্রণালয়ের অর্জন) নোট রেখে যাচ্ছি। গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে সরকার দেশের দায়িত্ব নিয়েছিল, আমরা ১৮ মাস জনগণের স্বার্থে, রাষ্ট্রে যে গত সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন, তার থেকে দেশকে একটা নতুন গতির মধ্যে নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা করেছি। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকার চেষ্টা করেছি আমাদের কাজের জন্য এবং সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করেই আমাদের সাকসেসরস নোট রেখে যাচ্ছি তিনটা মন্ত্রণালয়েই।’

তিনি বলেন, ‘ওনারা দেখবেন আমরা কী করেছি, আমরা কী উদ্দেশ্যে মন্ত্রণালয়গুলো চালানোর চেষ্টা করেছি এবং কী ধরনের কাজ নিয়েছি। তারপর ওনারা ওনাদের বিবেচনা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন।’

বাংলাদেশ দুর্নীতিতে এক ধাপ পিছিয়েছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, ‘টিআইবিকে জিজ্ঞেস করেন।’

সেক্ষেত্রে এই দায়ভার আপনার নিচ্ছেন কি না- এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা আপনার টিআইবিকে জিজ্ঞেস করতে হবে যে, উনারা যে রিপোর্ট করেছেন রিপোর্টের ভিত্তি কী। জনগণের আলোচনা এবং টিআইবির রিপোর্ট এক জায়গায় যায় বলে মনে করি না। কারণ ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের সময় যারা রাস্তায় ছিলেন, তাদের সাথে কথা বলেন হয়তো চিত্র আলাদা পাবেন। আর অনেক জায়গায় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কিছু কিছু জায়গায় সংস্কার কমপ্লিট হয়নি। সেগুলোও আশা করি কমপ্লিট হবে।’

আরএমএম/একিউএফ/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।