কক্সবাজারে পাম্পে বিস্ফোরণ: চমেকে ভর্তি ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় এলপিজি গ্যাস পাম্পে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাদের শরীরের ২০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত দুগ্ধ হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কলাতলী এলাকার এন আলম এলপিজি গ্যাস পাম্পে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০ জন দগ্ধ হন। গুরুতর আহত ছয়জনকে তাৎক্ষণিকভাবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার দিকে পাম্পের একটি ট্যাংক থেকে গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুন লাগে। পরে পাম্পের কর্মীরা বালু ও পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে কিছুক্ষণ পর হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন দগ্ধ হন।
আরও পড়ুন
কক্সবাজারে এলপি গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু
চমেকে ভর্তি দগ্ধরা হলেন- আবু তাহের, মো. সিরাজ, আবদুর রহিম, মো. সাকিব, মোতাহের হোসেন ও আবুল কাশেম।
চমেক হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মো. রাশেদ উল করিম জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছয়জনের মধ্যে একজনের শরীরের ৯০ শতাংশ, একজনের ৫০ শতাংশ, একজনের ৪০ শতাংশ, একজনের ৩০ শতাংশ এবং বাকি দুজনের ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন, গুরুতর দগ্ধ তিনজনকে দ্রুত আইসিইউতে স্থানান্তরের জন্য আইসিইউ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ ও ৯০ শতাংশ দগ্ধ দুই রোগীকে এরই মধ্যে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্যদের অবস্থাও সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়া হবে।
এদিকে এর আগে চট্টগ্রামের হালিশহরে একটি আবাসিক ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি দগ্ধ হন, যাদের কয়েকজন এখনো রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।
এমআরএএইচ/ইএ