বিকেলে সড়কে বেড়েছে গাড়ির চাপ, কোথাও যানজট
ঈদুল ফিতর ঘিরে রাজধানী ঢাকা এখন অনেকটাই ফাঁকা। শনিবার (২১ মার্চ) সকালে সড়কে গণপরিবহনের চাপ ছিল কম, মানুষের চলাচলও ছিল অনেকটাই সীমিত। ঢাকার ফাঁকা সড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা। তবে বিকেলে প্রধান সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেলের সংখ্যা বাড়তে থাকে। পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে গণপরিবহনও।
আগারগাঁও, মিরপুর ১০, শ্যামলী, ফার্মগেট এলাকার প্রধান সড়কে থেমে থেমে গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন চলতে দেখা যায়। কয়েকটি সিগন্যালে গাড়ির জট দেখা যায়। মিরপুর-১০, আগারগাঁও, বিজয় সরণির সিগন্যালে ৪-৫ মিনিট গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
শ্যামলী শিশুমেলা, মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা, বিজয় সরণির জিয়া উদ্যান ও আগারগাঁওয়ের বিমান জাদুঘরে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যায়। এসব বিনোদনকেন্দ্র সংলগ্ন সড়কগুলোতে যাত্রীর চাপ ছিল বেশি। এছাড়া শ্যামলী শিশুমেলার সামনে অটোরিকশার দীর্ঘ জট দেখা গেছে। যাত্রী নিতে প্রধান সড়কে রিকশাগুলো দাঁড়িয়ে ছিল। এতে যানবাহন চলাচল বিঘ্ন হতে দেখা যায়।
এদিকে গণপরিবহনে যাত্রীর চাপ বাড়তে দেখা যায় বিকেলে। এছাড়া যাত্রী উঠাতে বিভিন্ন স্টপেজে বাসগুলো দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে দেখা যায়। 
শেওড়াপাড়ায় বাসযাত্রী যুবায়ের বলেন, রাস্তা ফাঁকা। পল্লবী থেকে আসলাম। কিন্তু বাস সব স্টপেজে দাঁড়িয়ে যাত্রী নিল, ১০ নম্বরে যানজট ছিল। সব মিলিয়ে ফাঁকা রাস্তা তাও ১০ মিনিটের পথ ৩০ মিনিট লাগলো।
যাত্রীবাহী বাসে বকশিসের কথা বলে যাত্রীপ্রতি ১০ টাকা বেশি নিতে দেখা গেছে। কালশীতে অছিম পরিবহনের এক কন্ডাক্টর বলেন, ঈদের সময় আমাদের বেশি টাকা জমা দিয়ে বাস নামাতে হয়। ঈদ বকশিস নিলেও সেটা আমাদের পকেটে পৌঁছায় না।

কাজীপাড়ায় বিহঙ্গ পরিবহনের ৫ যাত্রীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা ভাড়া নিতে দেখা যায়। এসময় এক যাত্রী বলেন, আমরা যাবো সদরঘাট, ৪০ টাকা ভাড়া। কিন্তু ১০ টাকা করে বেশি নেওয়া হলো।
এদিকে সড়কে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের যানবাহন সামলাতে বেগ পেতে দেখা গেছে। আগারগাঁও মোড়ে একজন পুলিশ সদস্য বলেন, ঈদের দিন বিকেল থেকে সড়কে গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে। রাত ৮টা থেকে ৯ টা পর্যন্ত গাড়ির চাপ থাকবে।
এসএম/জেএইচ