মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে ওমান থেকে এলপিজি আনলো ‌‘বিএম এনার্জি’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৩৭ পিএম, ২৯ মার্চ ২০২৬
ওমান উপসাগর থেকে এলপিজিবাহী ট্যাংকার ‘এমটি বিডব্লিউইকে বোর্নহোম’ চট্টগ্রামে আসে সম্প্রতি, ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে কার্যত বন্ধ রয়েছে হরমুজ প্রণালি। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের মধ্যেও ওমান থেকে এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) এনেছে চট্টগ্রামকেন্দ্রিক এলপিজি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বিএম এনার্জি।

হরমুজের সঙ্গে সংযুক্ত ওমান উপসাগর থেকে এলপিজিবাহী ট্যাংকার ‘এমটি বিডব্লিউইকে বোর্নহোম’ চট্টগ্রামে আসে সম্প্রতি। জাহাজটি এরই মধ্যে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম এনার্জির প্ল্যান্টে এলপিজি খালাস করে ফিরতি পথে রয়েছে।

জানা গেছে, ‘এমটি বিডব্লিউইকে বোর্নহোম’ নামের ট্যাংকার জাহাজটি তিন হাজার ৮০০ টন এলপিজি নিয়ে এসেছে। চালানটির আমদানিকারক স্মার্ট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিএম এনার্জি (বিডি) লিমিটেড।

স্মার্ট গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ক্যাপ্টেন মইনুল আহসান জাগো নিউজকে বলেন, ‘এলপিজির বড় অংশই আমদানি হয় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সারাদেশে যখন এলপিজি আমদানি নিয়ে নানান শঙ্কা তৈরি হয়, তখন আমরা সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সাপ্লাইয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছি। আমাদের অব্যাহত অনুরোধে ওমান থেকেই এলপিজি সংগ্রহ করে পাঠিয়েছে আমাদের এক সাপ্লাইয়ার।’

ট্যাংকারটির লোকাল এজেন্ট সি-সাইড ট্রেডার্সের কর্ণধার হুমায়ুন কবীর বলেন, ট্যাংকারটি মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ওমানের দুকম বন্দর থেকে যাত্রা করে। জাহাজটি প্রথমে শ্রীলঙ্কায় গিয়ে সেখানে আংশিক খালাস করে। পরে শ্রীলঙ্কা থেকে সীতাকুণ্ডে এসে বাকি এলপিজি খালাস করে। খালাস শেষ করে গত শুক্রবার ট্যাংকারটি ফিরে গেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর পাল্টা জবাব দেয় ইরান। এতে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। হরমুজ প্রণালির সঙ্গে সংযুক্ত পারস্য উপসাগরেও নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যায়। ৩ মার্চ ওমানের দুকম বন্দরের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন হামলার ঘটনাও ঘটে।

এমডিআইএইচ/এসএনআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।