গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা বিশ্বকে শান্তির পথ দেখায়: চসিক মেয়র
চট্টগ্রামে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে শান্তি শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব শান্তি ও মানবতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, গৌতম বুদ্ধের অহিংসা, মৈত্রী ও মানবতার শিক্ষা আজও বিশ্বকে শান্তির পথ দেখায়।
শুক্রবার (১ মে) সকালে নগরের ডি.সি. হিল চত্বর থেকে ‘যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই বিশ্ব শান্তি ও মানবতার জন্য সম্প্রীতি’ প্রতিপাদ্যে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নন্দনকাননের বৌদ্ধ মন্দির প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।
বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি-যুব ও বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি-মহিলার উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রিটন কুমার বড়ুয়া।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গৌতম বুদ্ধের অহিংসা, মৈত্রী ও মানবতার শিক্ষা আজও বিশ্বকে শান্তির পথ দেখায়। বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে বুদ্ধের শান্তির বাণী আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, যুদ্ধ নয় শান্তি চাই- এই আহ্বানকে শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে সহনশীলতা, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তুলতে হবে।
মেয়র আরও বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করাই আমাদের ঐতিহ্য, যা ধরে রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রোটারিয়ান অমরেশ বড়ুয়া, অসীম বড়ুয়া, রুবেল বড়ুয়া হৃদয়, সুমন বড়ুয়া, কেমি বড়ুয়া, নেভী বড়ুয়া, রুপ্তা বড়ুয়া ও বাপ্পিসহ বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
শান্তি শোভাযাত্রায় বিভিন্ন বয়সী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। শেষে বিশ্ব শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণ কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
এমআরএএইচ/এএমএ